
বিখ্যাত হরর চলচ্চিত্র ‘ক্যান্ডিম্যান’-এর কথা আপনার মনে আছে নিশ্চয়? ওই সিনেমায় অভিনেতা টনি টডের মৌমাছির সঙ্গে একটি অবিস্মরণীয় দৃশ্য আছে। দৃশ্যটি এমন—অসংখ্য মৌমাছি হুল ফোটাচ্ছে টনির শরীরে। সেই হুল ফোটানোর দৃশ্য সম্পর্কে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন হলিউডের জনপ্রিয় এই অভিনেতা।
টনি বলেছেন, মৌমাছির প্রতিটি হুলের জন্য তিনি ১ হাজার ডলার করে নিতেন। ‘আমি মৌমাছির ওই দৃশ্যের সময় প্রতিটি হুলের আঘাতের জন্য ১ হাজার ডলার করে নিয়েছিলাম। আমি বুঝতে পেরেছিলাম, এটি ক্যান্ডিম্যানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে চলেছে, তাই আমি এই দৃশ্যে নিজেকে সঁপে দিয়েছিলাম।’
প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় দিতে হয়েছিল ওই দৃশ্য ধারণের জন্য। টনি বলেছেন, ‘আমার ওপর যে মৌমাছি ছিল, তারা বাচ্চা মৌমাছি ছিল। তবে আমি নিশ্চিত ছিলাম যে তারা হুল ফোটাতে পারে। যদিও সিনেমসংশ্লিষ্টরা বলেছিলেন, ওই মৌমাছিদের হুল ফোটানোর সম্ভাবনা কম।
টনি তাঁর সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘যখন গল্পটি প্রথম পড়েছিলাম, তখন গল্পের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আছে কি না, তা খুঁজেছিলাম। কারণ আমি নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম যে, হরর চলচ্চিত্রে কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেতাদের মধ্যে আমি যেন অন্যতম হতে পারি।
ব্রিটিশ লেখক ক্লাইভ বার্কারের ছোট গল্প ‘দ্য ফরবিডেন’ অবলম্বনে ১৯৯২ সালে পরিচালক বার্নার্ড রোজ ‘ক্যান্ডিম্যান’ রচনা ও পরিচালনা করেছিলেন। চলচ্চিত্রটিতে টনি টড ছাড়াও ভার্জিনিয়া ম্যাডসেন, জেন্ডার বার্কলে, কাসি লেমনস অভিনয় করেছিলেন।

বিখ্যাত হরর চলচ্চিত্র ‘ক্যান্ডিম্যান’-এর কথা আপনার মনে আছে নিশ্চয়? ওই সিনেমায় অভিনেতা টনি টডের মৌমাছির সঙ্গে একটি অবিস্মরণীয় দৃশ্য আছে। দৃশ্যটি এমন—অসংখ্য মৌমাছি হুল ফোটাচ্ছে টনির শরীরে। সেই হুল ফোটানোর দৃশ্য সম্পর্কে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন হলিউডের জনপ্রিয় এই অভিনেতা।
টনি বলেছেন, মৌমাছির প্রতিটি হুলের জন্য তিনি ১ হাজার ডলার করে নিতেন। ‘আমি মৌমাছির ওই দৃশ্যের সময় প্রতিটি হুলের আঘাতের জন্য ১ হাজার ডলার করে নিয়েছিলাম। আমি বুঝতে পেরেছিলাম, এটি ক্যান্ডিম্যানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে চলেছে, তাই আমি এই দৃশ্যে নিজেকে সঁপে দিয়েছিলাম।’
প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় দিতে হয়েছিল ওই দৃশ্য ধারণের জন্য। টনি বলেছেন, ‘আমার ওপর যে মৌমাছি ছিল, তারা বাচ্চা মৌমাছি ছিল। তবে আমি নিশ্চিত ছিলাম যে তারা হুল ফোটাতে পারে। যদিও সিনেমসংশ্লিষ্টরা বলেছিলেন, ওই মৌমাছিদের হুল ফোটানোর সম্ভাবনা কম।
টনি তাঁর সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘যখন গল্পটি প্রথম পড়েছিলাম, তখন গল্পের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আছে কি না, তা খুঁজেছিলাম। কারণ আমি নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম যে, হরর চলচ্চিত্রে কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেতাদের মধ্যে আমি যেন অন্যতম হতে পারি।
ব্রিটিশ লেখক ক্লাইভ বার্কারের ছোট গল্প ‘দ্য ফরবিডেন’ অবলম্বনে ১৯৯২ সালে পরিচালক বার্নার্ড রোজ ‘ক্যান্ডিম্যান’ রচনা ও পরিচালনা করেছিলেন। চলচ্চিত্রটিতে টনি টড ছাড়াও ভার্জিনিয়া ম্যাডসেন, জেন্ডার বার্কলে, কাসি লেমনস অভিনয় করেছিলেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১৬ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১৬ ঘণ্টা আগে