
গত বছরই জানা গিয়েছিল দেশের ওটিটির জন্য কনটেন্ট নির্মাণ করবেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তবে সেটা সিরিজ নাকি সিনেমা, তা নিশ্চিত করেননি তিনি। অবশেষে জানা গেল ওয়েব সিনেমা নিয়ে আসছেন তিনি। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির জন্য তিনি বানাচ্ছেন দুটি সিনেমা। ফারুকী একা নন, তাঁর সঙ্গে আরও আছেন ১১ নির্মাতা। ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ নামের প্রজেক্টটিতে ফারুকীর নেতৃত্বে নির্মিত হবে ১২টি সিনেমা। প্রজক্টটির সহপ্রযোজক হিসেবে থাকছেন ফারুকী। আজ রাজধানীর হোটেল শেরাটনে বর্ণাঢ্য এক আয়োজনের মাধ্যমে ঘোষণা দেওয়া হয় ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রজেক্টের। ফারুকীর তত্ত্বাবধানে এ প্রজেক্টে সিনেমা নির্মাণ করবেন রেদওয়ান রনি, রেজাউর রহমান, রায়হান রাফী, রবিউল আলম রবি, শঙ্খ দাস গুপ্ত ও রাকা নওশিন নওয়ার, শিহাব শাহীন, আশফাক নিপুন, অনম বিশ্বাস, আবু শাহেদ ইমন এবং আরিফুর রহমান।
ফারুকী নির্মাণ করবেন ‘মনোগামী’ ও ‘অটোবায়োগ্রাফী’ নামের দুটি সিনেমা। এ ছাড়া অশফাক নিপুন বানাবেন ‘উই নিড টু টক’, অনম বিশ্বাস বানাবেন ‘শোল্ডার ম্যান’, আবু শাহেদ ইমন বানাবেন ‘অবনী’, আরিফুর রহমান বানাবেন ‘জুই’, রায়হান রাফী বানাবেন ‘মুহাব্বত’, রবিউল আলম রবির ‘ফরগেট মি নট’, রেদওয়ান রনি বানাবেন ‘উঁকি’, রেজাউর রহমান বানাবেন ‘৩৬-২৪-৩৬’, শঙ্খ দাস গুপ্ত ও রাকা নওশিন নওয়ার যৌথভাবে বানাবেন ‘৫০+৫০’ এবং শিহাব শাহীন বানাবেন ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’। সিনেমাগুলোতে কারা থাকছেন অভিনয়শিল্পী তা জানানো হয়নি। জানা গেছে, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে প্রতি দুই মাস অন্তর একটি করে সিনেমা মুক্তি দেওয়া হবে। প্রচার শুরু হবে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সিনেমা দিয়ে।
অনুষ্ঠানে এই ১২ নির্মাতাকে মিনিস্ট্রি অব লাভের ১২ জন মিনিস্টার বা মন্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। আর আফজাল হোসেনকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় প্রেসিডেন্ট অব লাভ হিসেবে। এরপর ১২ জন নির্মাতা (মিনিস্টার)কে প্রসিডেন্ট হিসেবে শপথ পাঠ করান আফজাল হোসেন।
মিনিস্ট্রি অব লাভ নিয়ে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘কয়েক বছর ধরেই আমাদের ওটিটির উত্থান হচ্ছে। এ সময়ে অনেক থ্রিলার গল্প নিয়েই বেশির ভাগ কনটেন্ট নির্মাণ হচ্ছে। আমাদের মনে হলো, ভালোবাসার গল্প নিয়ে কিছু করা যায় কি না। এ ভাবনা থেকেই এ সময়ে ১২ জন নির্মাতা নিয়ে আমাদের মিনিস্ট্রি অব লাভ। আমরা এক বছর ধরে এই প্রজেক্টের কাজ করছি। যার প্রতিফলন আজ আমাদের সামনে।’
চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘চারদিকে এখন থ্রিলারধর্মী কনটেন্টের ছড়াছড়ি। চরকির প্রধান পৃষ্ঠপোষক মতিউর রহমান তাই বলেছিলেন, থ্রিলার আছে থাক, এর বাইরে ভালোবাসার গল্প নিয়ে কাজ করা উচিত। আমরা তাঁর সেই স্বপ্নটাকে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর মাধ্যমে বাস্তবে রূপান্তর করতে চাইছি। এই প্রচেষ্টায় শামিল হয়েছি আমরা ১২ জন নির্মাতা। এই প্রজেক্টর ঘোষণা হয়েছিল গত বছর, চরকি কার্নিভালে। এ বছর বাস্তবায়ন হচ্ছে।’
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন সাবিলা নূর ও আমিন হান্নান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আফজাল হোসেন, আরিফিন শুভ, নুসরাত ইমরোজ তিশা, তমা মির্জাসহ শোবিজ অঙ্গনের তারকারা।

গত বছরই জানা গিয়েছিল দেশের ওটিটির জন্য কনটেন্ট নির্মাণ করবেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তবে সেটা সিরিজ নাকি সিনেমা, তা নিশ্চিত করেননি তিনি। অবশেষে জানা গেল ওয়েব সিনেমা নিয়ে আসছেন তিনি। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির জন্য তিনি বানাচ্ছেন দুটি সিনেমা। ফারুকী একা নন, তাঁর সঙ্গে আরও আছেন ১১ নির্মাতা। ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ নামের প্রজেক্টটিতে ফারুকীর নেতৃত্বে নির্মিত হবে ১২টি সিনেমা। প্রজক্টটির সহপ্রযোজক হিসেবে থাকছেন ফারুকী। আজ রাজধানীর হোটেল শেরাটনে বর্ণাঢ্য এক আয়োজনের মাধ্যমে ঘোষণা দেওয়া হয় ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রজেক্টের। ফারুকীর তত্ত্বাবধানে এ প্রজেক্টে সিনেমা নির্মাণ করবেন রেদওয়ান রনি, রেজাউর রহমান, রায়হান রাফী, রবিউল আলম রবি, শঙ্খ দাস গুপ্ত ও রাকা নওশিন নওয়ার, শিহাব শাহীন, আশফাক নিপুন, অনম বিশ্বাস, আবু শাহেদ ইমন এবং আরিফুর রহমান।
ফারুকী নির্মাণ করবেন ‘মনোগামী’ ও ‘অটোবায়োগ্রাফী’ নামের দুটি সিনেমা। এ ছাড়া অশফাক নিপুন বানাবেন ‘উই নিড টু টক’, অনম বিশ্বাস বানাবেন ‘শোল্ডার ম্যান’, আবু শাহেদ ইমন বানাবেন ‘অবনী’, আরিফুর রহমান বানাবেন ‘জুই’, রায়হান রাফী বানাবেন ‘মুহাব্বত’, রবিউল আলম রবির ‘ফরগেট মি নট’, রেদওয়ান রনি বানাবেন ‘উঁকি’, রেজাউর রহমান বানাবেন ‘৩৬-২৪-৩৬’, শঙ্খ দাস গুপ্ত ও রাকা নওশিন নওয়ার যৌথভাবে বানাবেন ‘৫০+৫০’ এবং শিহাব শাহীন বানাবেন ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’। সিনেমাগুলোতে কারা থাকছেন অভিনয়শিল্পী তা জানানো হয়নি। জানা গেছে, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে প্রতি দুই মাস অন্তর একটি করে সিনেমা মুক্তি দেওয়া হবে। প্রচার শুরু হবে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সিনেমা দিয়ে।
অনুষ্ঠানে এই ১২ নির্মাতাকে মিনিস্ট্রি অব লাভের ১২ জন মিনিস্টার বা মন্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। আর আফজাল হোসেনকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় প্রেসিডেন্ট অব লাভ হিসেবে। এরপর ১২ জন নির্মাতা (মিনিস্টার)কে প্রসিডেন্ট হিসেবে শপথ পাঠ করান আফজাল হোসেন।
মিনিস্ট্রি অব লাভ নিয়ে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘কয়েক বছর ধরেই আমাদের ওটিটির উত্থান হচ্ছে। এ সময়ে অনেক থ্রিলার গল্প নিয়েই বেশির ভাগ কনটেন্ট নির্মাণ হচ্ছে। আমাদের মনে হলো, ভালোবাসার গল্প নিয়ে কিছু করা যায় কি না। এ ভাবনা থেকেই এ সময়ে ১২ জন নির্মাতা নিয়ে আমাদের মিনিস্ট্রি অব লাভ। আমরা এক বছর ধরে এই প্রজেক্টের কাজ করছি। যার প্রতিফলন আজ আমাদের সামনে।’
চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘চারদিকে এখন থ্রিলারধর্মী কনটেন্টের ছড়াছড়ি। চরকির প্রধান পৃষ্ঠপোষক মতিউর রহমান তাই বলেছিলেন, থ্রিলার আছে থাক, এর বাইরে ভালোবাসার গল্প নিয়ে কাজ করা উচিত। আমরা তাঁর সেই স্বপ্নটাকে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর মাধ্যমে বাস্তবে রূপান্তর করতে চাইছি। এই প্রচেষ্টায় শামিল হয়েছি আমরা ১২ জন নির্মাতা। এই প্রজেক্টর ঘোষণা হয়েছিল গত বছর, চরকি কার্নিভালে। এ বছর বাস্তবায়ন হচ্ছে।’
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন সাবিলা নূর ও আমিন হান্নান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আফজাল হোসেন, আরিফিন শুভ, নুসরাত ইমরোজ তিশা, তমা মির্জাসহ শোবিজ অঙ্গনের তারকারা।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৪ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৪ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৫ ঘণ্টা আগে