
পুরোনো ক্ল্যাসিক গানের রিমেক বানানোর ধুম লেগেছে বলিউডে। যা নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুললেন ভারতের বর্ষীয়ান গীতিকার জাভেদ আখতার। ইউটিউব শো সাইরাস সেজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ আখতার জানান, পুরোনো গানকে পুনরুজ্জীবিত করা কোনো সমস্যা নয়। তবে তাতে যোগ হওয়া কমার্শিয়াল দিক খারাপ স্বাদ যোগ করে। এমনকি এই ধরনের গানকে ‘তাজমহলে ডিসকো সংগীত’ এর সঙ্গেও তুলনা করেন জাভেদ আখতার।
জাভেদ আখতারের কথায়, ‘অতীতকে স্মরণ করা, এটিকে গুরুত্ব দেওয়া, এটিকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা মোটেও ভুল নয়। বরং এটা প্রশংসনীয়। কিন্তু একই সময়ে অতীতের ওপর এই ধরনের বাণিজ্যিক নির্ভরতা একটি সুস্থ মনোভাব নয়। আপনি সুন্দর লিরিক, ভালো অর্থসহ একটি গান নিচ্ছেন এবং তারপর তাতে আপনার নিজের উদ্ভট অন্তরা যোগ করছেন, এটি ঠিক নয়। এটা অনেকটা তাজমহলে ডিসকো মিউজিক দেওয়ার মতো দেখায়, যা একেবারে ঠিক নয়।’
জাভেদ আখতার আরও বলেন, ‘এগুলো মহান গায়ক, লেখক ও সুরকারদের স্মরণীয় গান, আপনার তাঁদের সম্মান করা উচিত। এটি একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। আপনি এটিকে পুনরুজ্জীবিত করতে চান, করুন। কিন্তু তাতে অতিরিক্ত স্তবক যোগ করার প্রয়োজন নেই। যেমন, আপনি একটি (কেএল) সায়গলের গান নিন এবং অরিজিতকে (সিং) দিয়ে গাওয়ান, এটি ঠিক আছে। কিন্তু আপনি সেই গানটি নিলেন তার মধ্যে একটি র্যাপ যোগ করে দিলেন, এটি হাস্যকর।’
উল্লেখ্য, বলিউডের সুপরিচিত গীতিকারদের মধ্যে অন্যতম জাভেদ আখতার। ৫ বার জাতীয় পুরস্কার জিতেছেন তিনি। সঙ্গে পেয়েছেন পদ্মশ্রী এবং পদ্মভূষণসহ বেশ কয়েকটি সম্মাননা। তাঁর উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে রয়েছে–‘এক লাড়কি কো দেখা তো অ্যায়সা লাগা’, ‘তেরে লিয়ে’ এবং ‘একতারা’।
জাভেদ ১৯৮৪ সালে অভিনেত্রী শাবানা আজমিকে বিয়ে করেছেন। এর আগে তিনি চিত্রনাট্যকার হানি ইরানিকে বিয়ে করেছিলেন এবং সেই দাম্পত্য জীবনে তাঁদের দুজন সন্তান রয়েছে—অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ফারহান আখতার এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা জোয়া আখতার।

পুরোনো ক্ল্যাসিক গানের রিমেক বানানোর ধুম লেগেছে বলিউডে। যা নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুললেন ভারতের বর্ষীয়ান গীতিকার জাভেদ আখতার। ইউটিউব শো সাইরাস সেজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ আখতার জানান, পুরোনো গানকে পুনরুজ্জীবিত করা কোনো সমস্যা নয়। তবে তাতে যোগ হওয়া কমার্শিয়াল দিক খারাপ স্বাদ যোগ করে। এমনকি এই ধরনের গানকে ‘তাজমহলে ডিসকো সংগীত’ এর সঙ্গেও তুলনা করেন জাভেদ আখতার।
জাভেদ আখতারের কথায়, ‘অতীতকে স্মরণ করা, এটিকে গুরুত্ব দেওয়া, এটিকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা মোটেও ভুল নয়। বরং এটা প্রশংসনীয়। কিন্তু একই সময়ে অতীতের ওপর এই ধরনের বাণিজ্যিক নির্ভরতা একটি সুস্থ মনোভাব নয়। আপনি সুন্দর লিরিক, ভালো অর্থসহ একটি গান নিচ্ছেন এবং তারপর তাতে আপনার নিজের উদ্ভট অন্তরা যোগ করছেন, এটি ঠিক নয়। এটা অনেকটা তাজমহলে ডিসকো মিউজিক দেওয়ার মতো দেখায়, যা একেবারে ঠিক নয়।’
জাভেদ আখতার আরও বলেন, ‘এগুলো মহান গায়ক, লেখক ও সুরকারদের স্মরণীয় গান, আপনার তাঁদের সম্মান করা উচিত। এটি একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। আপনি এটিকে পুনরুজ্জীবিত করতে চান, করুন। কিন্তু তাতে অতিরিক্ত স্তবক যোগ করার প্রয়োজন নেই। যেমন, আপনি একটি (কেএল) সায়গলের গান নিন এবং অরিজিতকে (সিং) দিয়ে গাওয়ান, এটি ঠিক আছে। কিন্তু আপনি সেই গানটি নিলেন তার মধ্যে একটি র্যাপ যোগ করে দিলেন, এটি হাস্যকর।’
উল্লেখ্য, বলিউডের সুপরিচিত গীতিকারদের মধ্যে অন্যতম জাভেদ আখতার। ৫ বার জাতীয় পুরস্কার জিতেছেন তিনি। সঙ্গে পেয়েছেন পদ্মশ্রী এবং পদ্মভূষণসহ বেশ কয়েকটি সম্মাননা। তাঁর উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে রয়েছে–‘এক লাড়কি কো দেখা তো অ্যায়সা লাগা’, ‘তেরে লিয়ে’ এবং ‘একতারা’।
জাভেদ ১৯৮৪ সালে অভিনেত্রী শাবানা আজমিকে বিয়ে করেছেন। এর আগে তিনি চিত্রনাট্যকার হানি ইরানিকে বিয়ে করেছিলেন এবং সেই দাম্পত্য জীবনে তাঁদের দুজন সন্তান রয়েছে—অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ফারহান আখতার এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা জোয়া আখতার।

ভারতের জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা, ইন্ডিয়ান আইডল সিজন-৩-এর বিজয়ী প্রশান্ত তামাং মারা গেছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে নয়াদিল্লির নিজ বাসভবনে মাত্র ৪৩ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রশান্ত।
১১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের মোবাইল গেম ও অ্যাপ্লিকেশনের দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প থেকে তৈরি হয়েছিল অ্যানিমেশন সিনেমা ‘মুজিব ভাই’ ও সিরিজ ‘খোকা’।
১ দিন আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১ দিন আগে
নানা বাধা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ২০২৫ সালে ইউসিবি রেকর্ড সাফল্য অর্জন করেছে, যা ব্যাংকটির ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই অর্জন উদ্যাপনের মাধ্যমে গ্রাহক, স্টেকহোল্ডার ও শিল্প-সহযোগীদের কৃতজ্ঞতা জানাতে ৯ জানুয়ারি ইউসিবি আয়োজন করে জমকালো এক অনুষ্ঠান।
১ দিন আগে