বিনোদন প্রতিবেদক

ঢাকা: ‘এটি মাটির গল্প নয়, পানির গল্প’। নতুন ছবি ‘হাওয়া’ নিয়ে জানতে চাইলে এভাবেই বলেছিলেন মেজবাউর রহমান সুমন। দীর্ঘ বছর ধরে তিনি নির্মাণের সঙ্গে আছেন। শুরুর দিকে টিভি নাটক বানালেও পরবর্তী সময়ে সরে আসেন। বানাতেন শুধুই বিজ্ঞাপন।
প্রশংসিত এই পরিচালকের প্রথম ছবি ‘হাওয়া’। গভীর সমুদ্রের গল্প। শুটিংও হয়েছে গভীর সমুদ্রে। সেন্ট মার্টিন থেকে ট্রলারে দেড় ঘণ্টা চলার পর সাগরের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে নোঙর করা হতো। সেখানেই সারা দিন চলত শুটিং।
২০১৯ সালের শেষদিকে কক্সবাজার ও সেন্ট মার্টিনে টানা ৪০ দিন শুটিং করেছে ‘হাওয়া’ টিম। এই টিমের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য চঞ্চল চৌধুরী। ছবির অন্যতম প্রধান অভিনেতা তিনি।
‘হাওয়া’ নিয়ে চঞ্চলের বক্তব্য, ‘শুটিংয়ের ৪০ দিনের পুরো বিষয়টা ছিল আমার কাছে যুদ্ধের মতো। ৪০টা দিন সমুদ্রের মাঝখানে, বিষয়টা খুব সহজ নয়। অনেক কষ্টসাধ্য ছিল। প্রতিকূল পরিবেশ ছিল। টিমের প্রত্যেকে অমানুষিক পরিশ্রম করেছেন, যেটা বলে বোঝানো যাবে না।’
এত কষ্টের ছবি ‘হাওয়া’ অনেক দিন ধরেই আটকে আছে। ২০১৯ সালে শুটিং শেষ করে, সম্পাদনা, কালার, মিউজিক শেষ করে মেজবাউর রহমান সুমন তাকিয়ে আছেন সময়ের দিকে। করোনার প্রকোপে গত বছর মুক্তি দেওয়া হলো না। এ বছরও মুক্তি পাবে তেমন সম্ভাবনার গল্প বলতে পারছেন না কেউ।
শনিবার রাতের ফেসবুকে নতুন একটি ছবি পোস্ট করেছেন ‘হাওয়া’ অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। সাদাকালো ছবি। কাঁচাপাকা দাড়ি। অপরিষ্কার দাঁত। অনেকটা পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ানের চরিত্রের মতো। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এক চরিত্র থেকে আরেক চরিত্র। তারপর সব হাওয়া। নতুন কিছুর অপেক্ষায়।’
তাঁর পোস্টে ‘হাওয়া’ মুক্তির ইঙ্গিত। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে মেজবাউর রহমান সুমন বলেন, ‘সিনেমাটি নিয়ে যেখানে আটকে ছিলাম সেখানেই আটকে আছি। নতুন কোনো পরিকল্পনা করতে পারছি না। সিনেমাটি কবে সিনেমা হলে মুক্তি দিতে পারব জানি না।’
মাছ ধরার ট্রলারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এ ছবির কাহিনি। গভীর সমুদ্রে ১০-১৫ দিনের জন্য মাছ ধরতে যান জেলেরা। ছবিটি সেই জার্নির গল্পই বলবে। জেলেজীবনে চালু আছে জলকেন্দ্রিক অনেক মিথ। সেসব ঘটনা-দুর্ঘটনা, বিশ্বাস-অবিশ্বাসের আধুনিক উপস্থাপনা ‘হাওয়া’।
চঞ্চল চৌধুরী ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুশি, সুমন আনোয়ার, শরিফুল রাজ, রিজভি, নাসির, মাহমুদ প্রমুখ। চিত্রগ্রহণে ছিলেন কামরুল হাসান খসরু। ‘হাওয়া’ প্রযোজনা করেছে সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড।

ঢাকা: ‘এটি মাটির গল্প নয়, পানির গল্প’। নতুন ছবি ‘হাওয়া’ নিয়ে জানতে চাইলে এভাবেই বলেছিলেন মেজবাউর রহমান সুমন। দীর্ঘ বছর ধরে তিনি নির্মাণের সঙ্গে আছেন। শুরুর দিকে টিভি নাটক বানালেও পরবর্তী সময়ে সরে আসেন। বানাতেন শুধুই বিজ্ঞাপন।
প্রশংসিত এই পরিচালকের প্রথম ছবি ‘হাওয়া’। গভীর সমুদ্রের গল্প। শুটিংও হয়েছে গভীর সমুদ্রে। সেন্ট মার্টিন থেকে ট্রলারে দেড় ঘণ্টা চলার পর সাগরের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে নোঙর করা হতো। সেখানেই সারা দিন চলত শুটিং।
২০১৯ সালের শেষদিকে কক্সবাজার ও সেন্ট মার্টিনে টানা ৪০ দিন শুটিং করেছে ‘হাওয়া’ টিম। এই টিমের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য চঞ্চল চৌধুরী। ছবির অন্যতম প্রধান অভিনেতা তিনি।
‘হাওয়া’ নিয়ে চঞ্চলের বক্তব্য, ‘শুটিংয়ের ৪০ দিনের পুরো বিষয়টা ছিল আমার কাছে যুদ্ধের মতো। ৪০টা দিন সমুদ্রের মাঝখানে, বিষয়টা খুব সহজ নয়। অনেক কষ্টসাধ্য ছিল। প্রতিকূল পরিবেশ ছিল। টিমের প্রত্যেকে অমানুষিক পরিশ্রম করেছেন, যেটা বলে বোঝানো যাবে না।’
এত কষ্টের ছবি ‘হাওয়া’ অনেক দিন ধরেই আটকে আছে। ২০১৯ সালে শুটিং শেষ করে, সম্পাদনা, কালার, মিউজিক শেষ করে মেজবাউর রহমান সুমন তাকিয়ে আছেন সময়ের দিকে। করোনার প্রকোপে গত বছর মুক্তি দেওয়া হলো না। এ বছরও মুক্তি পাবে তেমন সম্ভাবনার গল্প বলতে পারছেন না কেউ।
শনিবার রাতের ফেসবুকে নতুন একটি ছবি পোস্ট করেছেন ‘হাওয়া’ অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। সাদাকালো ছবি। কাঁচাপাকা দাড়ি। অপরিষ্কার দাঁত। অনেকটা পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ানের চরিত্রের মতো। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এক চরিত্র থেকে আরেক চরিত্র। তারপর সব হাওয়া। নতুন কিছুর অপেক্ষায়।’
তাঁর পোস্টে ‘হাওয়া’ মুক্তির ইঙ্গিত। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে আলাপকালে মেজবাউর রহমান সুমন বলেন, ‘সিনেমাটি নিয়ে যেখানে আটকে ছিলাম সেখানেই আটকে আছি। নতুন কোনো পরিকল্পনা করতে পারছি না। সিনেমাটি কবে সিনেমা হলে মুক্তি দিতে পারব জানি না।’
মাছ ধরার ট্রলারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এ ছবির কাহিনি। গভীর সমুদ্রে ১০-১৫ দিনের জন্য মাছ ধরতে যান জেলেরা। ছবিটি সেই জার্নির গল্পই বলবে। জেলেজীবনে চালু আছে জলকেন্দ্রিক অনেক মিথ। সেসব ঘটনা-দুর্ঘটনা, বিশ্বাস-অবিশ্বাসের আধুনিক উপস্থাপনা ‘হাওয়া’।
চঞ্চল চৌধুরী ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুশি, সুমন আনোয়ার, শরিফুল রাজ, রিজভি, নাসির, মাহমুদ প্রমুখ। চিত্রগ্রহণে ছিলেন কামরুল হাসান খসরু। ‘হাওয়া’ প্রযোজনা করেছে সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
২০ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
২০ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
২০ ঘণ্টা আগে