
‘সোহরাব-রুস্তম’ সিনেমায় ইলিয়াস কাঞ্চনের বিপরীতে অভিনয়ের জন্য আলোচিত চিত্রনায়িকা বনশ্রীর করুণ জীবনের অবসান হলো। শহুরে জীবনের চড়াই-উতরাই শেষে নিজ এলাকা মাদারীপুরের শিবচরে ফিরে আসেন তিনি। কিন্তু তাঁর জীবনে জৌলুস দূরের কথা স্বচ্ছলতাও ছিল না।
নানা জায়গায় ঘুরে অবশেষে ঠাঁই পেয়েছিলেন আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে। অভাবের তাড়নায় কিছুদিন ভিক্ষাও করেছেন তিনি। মৃত্যুর কিছুদিন আগে দেশের বিত্তবান ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের কাছে সহযোগিতা চাইলেও তেমন কোনো সাড়া পাননি বনশ্রী।
দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল রোগে ভুগছিলন তিনি, ভালো চিকিৎসাও জুটেনি। অবশেষে আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৫ বছর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সন্ধ্যার পর জানাজা শেষে উপজেলার পল্লী কুমেরপাড় মামা বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয় বলে বনশ্রীর ভগ্নিপতি আবুল বাশার নিশ্চিত করেছেন।
শিবচরের মাদবরেরচর ইউনিয়নের শিকদার কান্দি এলাকার বাবা মজিবুর রহমান মজনু শিকদার ও মা সবুরজান রিনার দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে বনশ্রী বড়। সাত বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে রাজধানী ঢাকায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন তিনি।
১৯৯৪ সালে ‘সোহরাব রুস্তম’ সিনেমা দিয়ে রুপালি পর্দায় আবির্ভাব ঘটে বনশ্রীর। নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের বিপরীতে ছবিটি ব্যবসা সফল হয়। পরিচিতি পান বনশ্রী। এরপর আরও গোটা দশেক সিনেমায় অভিনয় করেন। নায়ক মান্না, আমিন খান, রুবেলের বিপরীতেও নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন বনশ্রী। রুপালি পর্দার মতো জীবনও হয়ে ওঠে আলো ঝলমল। তবে আলো ঝলমলে দিন বেশি দিন টেকেনি।

শিবচর থানার পাঁচ্চর এলাকার একটি সরকারি গুচ্ছগ্রামের ছোট্ট ঘরেই ছিল তার শেষ আশ্রয়। রান্না করতে না পারায় মাঝে মধ্যেই প্রতিবেশীদের কাছে খাবার চাইতে হতো। ঢাকায় মামার কাছে থাকা একমাত্র ছেলেও মায়ের খোঁজখবর নিতেন না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ইব্রাহিম মিয়া বলেন, ‘পাঁচ দিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন বনশ্রী। হৃদরোগ, কিডনি জটিলতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।’
এই চিকিৎসক আরো বলেন, ‘বনশ্রী একাই প্রায়ই হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিতেন। গত ৯ তারিখ এসে ভর্তি হন। তাঁর দেখাশোনার কেউ ছিল না। আমরা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে অনুদানের ব্যবস্থা করেছিলাম।’

মঞ্চনাটক, টিভি নাটক, ওয়েব কনটেন্ট কিংবা সিনেমা—সব মাধ্যমে নিয়মিত অভিনয় করছেন এ কে আজাদ সেতু। সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া ‘সং ফ্রম দ্য সাউথ’ স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমায়ও প্রশংসিত হচ্ছে তাঁর অভিনয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
অবিশ্বাস্য সাফল্য পেয়েছে মারাঠি ভাষার সিনেমা ‘দেউল ব্যান্ড ২’। মাত্র ৮-১০ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত সিনেমাটি মুক্তি পায় গত ২১ মে। এরই মধ্যে আয় করেছে শতকোটি রুপির বেশি। বক্স অফিসে ইতিহাস গড়ার পর এবার মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল দেউল ব্যান্ড ২।
১৮ ঘণ্টা আগে
২০১৮ সালে ‘পোড়ামন ২’ সিনেমায় সবশেষ পর্দায় দর্শক দেখেছিল বাপ্পারাজের অভিনয়। এরপর আর কোনো কাজে পাওয়া যায়নি তাঁকে। বিরতি কাটিয়ে গত বছর মোস্তফা খান সিহানের ওয়েব সিরিজ ‘রক্তঋণ’ ও মেহেদী হাসান হৃদয়ের ‘বিদায়’ সিনেমায় নাম লেখান বাপ্পারাজ।
১৮ ঘণ্টা আগে
জীবনানন্দ দাশের লেখা প্রথম উপন্যাস ‘মাল্যবান’ অবলম্বনে থিয়েটার দল শূন্য মঞ্চে এনেছে নাটক ‘সম্+সার’। গত জুলাইয়ে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হয় নাটকটির। আবারও শিল্পকলায় আসছে সম্+সার।
১৮ ঘণ্টা আগে