
মুক্তি পেয়েছে, প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির ৫০তম সিনেমা ‘অযোগ্য’। কৌশিক গাঙ্গুলি পরিচালিত সিনেমাটি দর্শক থেকে সমালোচক, সবার প্রশংসা কুড়াচ্ছে। গতকাল আয়োজন করা হয়েছিল, সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনীর। আর সেখানেই বসেছিল টালিউডের চাঁদের হাট। হাজির হয়েছিল যেন পুরো ইন্ডাস্ট্রি। তবে এদিন একসঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির পাঁচ নায়কের জোট সবার নজর কেড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবিটি প্রকাশ পেতেই রীতিমতো ভাইরাল।
প্রসেনজিৎ ছিলেন সিনেমার শুরুর আগে থেকেই। তারপর সেখানে আসেন দেব। ততক্ষণে সেখানে পৌঁছে গেছেন আরেক নায়ক সোহম চক্রবর্তী। দেব এসে প্রসেনজিৎ আর সোহমকে জড়িয়ে ধরেন। আর এরপর আড্ডায় যোগ দেন জিৎ। জিতের পাশে পাওয়া যায় আবীর চট্টোপাধ্যায়কেও। পুরো সময় সবার খুনসুটি চোখে পড়েছে। তবে ততক্ষণে সিনেমা হলের ভেতরে থাকায় অঙ্কুশকে ফ্রেমে পাওয়া যায়নি।
কয়েক দিন আগে আরও একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় ‘অযোগ্য’ সিনেমার। সেদিন উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পর্দার মায়েরা। ছিলেন মাধবী মুখোপাধ্যায়, শকুন্তলা বড়ুয়া, লিলি চক্রবর্তী, অনামিকা সাহা, লাবণি সরকার। ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আমার সব রুপালি পর্দার মায়েদের আশীর্বাদ নিয়ে আজ আমি অযোগ্য থেকে যোগ্য।’
নব্বই দশকের মাঝামাঝি প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির সফর শুরু হয়। তাঁদের প্রথম ছবিই ছিল সুপারহিট। এরপর একে একে ‘মায়ার বাঁধন’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘স্বামীর ঘর’, ‘মনের মানুষ’-এর মতো সিনেমার দর্শকদের উপহার দিয়েছেন দুজনে। তবে ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’ সিনেমার মুক্তির পর বহু বছর একসঙ্গে কাজ করেননি ঋতুপর্ণা আর প্রসেনজিৎ।
১৫ বছর বিরতির পর ‘প্রাক্তন’-এর মাধ্যমে ব্লকবাস্টার কামব্যাক হয় প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির। এরপর কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দৃষ্টিকোণ’ অভিনয় করেন তাঁরা। এর মাঝে কেটে গেছে প্রায় ৫ বছর, ২০২৪-এ পর্দায় আবারও ফিরছে এই জুটি।

মুক্তি পেয়েছে, প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির ৫০তম সিনেমা ‘অযোগ্য’। কৌশিক গাঙ্গুলি পরিচালিত সিনেমাটি দর্শক থেকে সমালোচক, সবার প্রশংসা কুড়াচ্ছে। গতকাল আয়োজন করা হয়েছিল, সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনীর। আর সেখানেই বসেছিল টালিউডের চাঁদের হাট। হাজির হয়েছিল যেন পুরো ইন্ডাস্ট্রি। তবে এদিন একসঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির পাঁচ নায়কের জোট সবার নজর কেড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবিটি প্রকাশ পেতেই রীতিমতো ভাইরাল।
প্রসেনজিৎ ছিলেন সিনেমার শুরুর আগে থেকেই। তারপর সেখানে আসেন দেব। ততক্ষণে সেখানে পৌঁছে গেছেন আরেক নায়ক সোহম চক্রবর্তী। দেব এসে প্রসেনজিৎ আর সোহমকে জড়িয়ে ধরেন। আর এরপর আড্ডায় যোগ দেন জিৎ। জিতের পাশে পাওয়া যায় আবীর চট্টোপাধ্যায়কেও। পুরো সময় সবার খুনসুটি চোখে পড়েছে। তবে ততক্ষণে সিনেমা হলের ভেতরে থাকায় অঙ্কুশকে ফ্রেমে পাওয়া যায়নি।
কয়েক দিন আগে আরও একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় ‘অযোগ্য’ সিনেমার। সেদিন উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পর্দার মায়েরা। ছিলেন মাধবী মুখোপাধ্যায়, শকুন্তলা বড়ুয়া, লিলি চক্রবর্তী, অনামিকা সাহা, লাবণি সরকার। ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আমার সব রুপালি পর্দার মায়েদের আশীর্বাদ নিয়ে আজ আমি অযোগ্য থেকে যোগ্য।’
নব্বই দশকের মাঝামাঝি প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির সফর শুরু হয়। তাঁদের প্রথম ছবিই ছিল সুপারহিট। এরপর একে একে ‘মায়ার বাঁধন’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘স্বামীর ঘর’, ‘মনের মানুষ’-এর মতো সিনেমার দর্শকদের উপহার দিয়েছেন দুজনে। তবে ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’ সিনেমার মুক্তির পর বহু বছর একসঙ্গে কাজ করেননি ঋতুপর্ণা আর প্রসেনজিৎ।
১৫ বছর বিরতির পর ‘প্রাক্তন’-এর মাধ্যমে ব্লকবাস্টার কামব্যাক হয় প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির। এরপর কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দৃষ্টিকোণ’ অভিনয় করেন তাঁরা। এর মাঝে কেটে গেছে প্রায় ৫ বছর, ২০২৪-এ পর্দায় আবারও ফিরছে এই জুটি।

আগামীকাল ঢাকার মঞ্চে আবারও মঞ্চায়ন হবে দেশ নাটকের ‘দর্পণে শরৎশশী’। ১৯৯২ সালে প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল নাটকটি। রচনা করেছেন মনোজ মিত্র; ২০২৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্দেশক আলী যাকের; ২০২০ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি।
১৬ মিনিট আগে
অস্কারের আশা কার না থাকে! হলিউডসহ বিশ্বজুড়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন যাঁরা, অস্কারের সোনালি ট্রফি পাওয়ার স্বপ্ন প্রায় সবাই দেখেন। তবে ব্যতিক্রম কথা বললেন হলিউড অভিনেত্রী আমান্ডা সেফ্রিড। অস্কার পাওয়া নাকি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণই নয়!
২০ মিনিট আগে
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া যাত্রাদলগুলোর অংশগ্রহণে ১ ডিসেম্বর শুরু হয়েছিল বিজয়ের মাসজুড়ে যাত্রাপালা প্রদর্শনী। রাষ্ট্রীয় শোক পালন উপলক্ষে বিঘ্নিত হওয়া উৎসবের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ২১ থেকে ২৩ জা
২৩ মিনিট আগে
নেপালের কাঠমান্ডুতে ১৬ থেকে ১৯ জানুয়ারি আয়োজিত হয়েছিল ১৪তম নেপাল আফ্রিকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। উৎসবের শেষ দিনে ঘোষণা করা হয় পুরস্কারজয়ী সিনেমার নাম। এবারের আসরে ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে সেরা হয়েছে বাংলাদেশের সিনেমা ‘সাঁতাও’।
২৫ মিনিট আগে