বাংলাদেশের ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ তাসনিয়া ফারিণ। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেতে যাচ্ছে পরিচালক অতনু ঘোষের নির্দেশনায় ফারিণ অভিনীত চলচ্চিত্র ‘আরও এক পৃথিবী’।
সিনেমা মুক্তিকে সামনে রেখে ফারিণ এখন কলকাতায়। টেলিভিশন থেকে রাস্তাঘাট সব জায়গায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সিনেমাটির প্রচার নিয়ে। কলকাতার রাস্তায় ছেয়ে গেছে এই সিনেমার পোস্টারে। চলছে বিরামহীন প্রচার। এই পোস্টার, ছবি ও প্রচারের মধ্যমণি আছেন হয়ে আছেন তাসনিয়া ফারিণ।
কলকাতা গিয়েই গত বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ নিয়েছেন ফারিণ। তাঁর সঙ্গে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আপনার আশীর্বাদের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এটা আমার কাছে অনেক কিছু।’
অন্য একটি ছবিতে ‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমার পরিচালক অতনু ঘোষ এবং সিনেমারসহ অভিনেতা চলচ্চিত্র নির্মাতা কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়কে দেখা যাচ্ছে।
কলকাতার দেয়াল থেকে টেলিভিশন, সংবাদপত্র থেকে বিভিন্ন ইভেন্টে— ফারিণকে ঘিরে এই আয়োজন দেখে অভিনেত্রী নিজেই অভিভূত। কলকাতার এক টেলিভিশনে তিনি বলেন, ‘নিজেকে এভাবে দেখব, কখনো ভাবিনি। কিছু স্বপ্ন না দেখেও সত্যি হয়।’
ছোট পর্দার নাটক, ওয়েব ফিল্ম, সিরিজে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী। অভিনয় দক্ষতায় নজর কেড়েছেন বিদেশি পরিচালকদেরও। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে নাম লিখিয়েছেন কলকাতার সিনেমায়। পশ্চিমবঙ্গের পরিচালক অতনু ঘোষের নির্দেশনায় ‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমায় ‘প্রতীক্ষা’ নামে এক তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারিণ। মেয়েটির ১১ বছরের জীবন অভিযাত্রার গল্প এটি। গল্পে প্রতীক্ষা নিজের প্রকৃত পরিচয়, প্রকৃত আশ্রয় খুঁজে বেড়ান।
‘আরও এক পৃথিবী’ প্রযোজনা করেছে কলকাতার এসকে মুভিজ। সিনেমাটি পশ্চিমবঙ্গের ৪০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি।

বাইকের চেয়ে বরাবরই চার চাকা চালাতে বেশি পছন্দ করতেন উত্তমকুমার। কোনো সিনেমার দৃশ্যে গাড়ি চালানোর শট থাকলে খুবই খুশি হতেন। শোনা যায়, ‘সপ্তপদী’ সিনেমার ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ গানের দৃশ্যে বাইকের বদলে নাকি গাড়িতে চেপেই শুটিং করতে চেয়েছিলেন তিনি!
৮ ঘণ্টা আগে
ভবানীপুরের মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। ছোটবেলায় থিয়েটার দেখে অভিনয়ের প্রতি ভালো লাগা, লুকিয়ে রিহার্সাল দেখা, পরে যুক্ত হয়ে যাওয়া পাড়া আর স্কুলের নাটকের সঙ্গে এবং এভাবে অভিনয়ের প্রেমে বিভোর হয়ে যাওয়া সেই ছিপছিপে গড়নের ছেলেটি নেহাতই ঝোঁকের মাথায় ঢুকে পড়েছিলেন চলচ্চিত্রে।
১০ ঘণ্টা আগে
তত দিনে উত্তমকুমার বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একচ্ছত্র নায়ক। যে সিনেমাই মুক্তি পাচ্ছে, ঢেউয়ের মতো দর্শকেরা ঝাঁপিয়ে পড়ছে প্রেক্ষাগৃহে। সেই আবহে ১৯৫৬ সালে এল দেবকী বসু পরিচালিত ‘নবজন্ম’। এতে নতুন চমক নিয়ে এলেন মহানায়ক। সেই প্রথম দেখা গেল, সাতটি বৈষ্ণব পদাবলি নচিকেতা ঘোষের সুরে নিজেই গেয়েছেন উত্তম। গানগুলো ভা
১১ ঘণ্টা আগে
১৯৫৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ সিনেমায় প্রথমবার পর্দায় একসঙ্গে অভিনয় করেন উত্তমকুমার ও সুচিত্রা সেন। উত্তম কিংবা সুচিত্রা কেউই প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেননি। তবে দুজনের অভিনয় নজর কাড়ে সবার। ১৯৫৪-তে ‘অগ্নিপরীক্ষা’ সিনেমায় জনপ্রিয়তা পায় উত্তম-সুচিত্রা জুটি। সময়ের পরিক্রমায় তাঁরা হয়ে ওঠেন কালজয়ী
১১ ঘণ্টা আগে