
গত জুলাইয়ে ফেসবুকে একটি বিয়ের কার্ড পোস্ট করেন চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। কার্ডটির একটি অংশে লেহেঙ্গা পরা তাঁর একটি ছবি আর বাকি অংশ তিনি ঢেকে রাখেন হাত দিয়ে। এরপর গুঞ্জন শুরু হয় বিয়ে করছেন দীঘি। কয়েক দিন পর ‘থার্টি সিক্স টুয়েন্টি ফোর থার্টি সিক্স’ ওয়েব ফিল্মের পোস্টার শেয়ার করে দীঘি জানান, বিয়েটা তাঁর নয়, এ সিনেমায় তাঁর অভিনীত চরিত্র প্রিয়ন্তীর। ১৮ জুলাই ওটিটি প্ল্যাটফরম চরকিতে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে কর্তৃপক্ষ। অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে থার্টি সিক্স টুয়েন্টি ফোর থার্টি সিক্স। তবে ওটিটিতে নয় প্রিয়ন্তীর বিয়ে দেখা যাবে প্রেক্ষাগৃহে। ইতিমধ্যে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা পড়েছে সিনেমাটি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকে সিনেমায় স্থবিরতা বিরাজ করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দুই মাস হয়ে গেলেও এখনো সিনেমা মুক্তির সাহস করতে পারছেন না নির্মাতা-প্রযোজকেরা। প্রেক্ষাগৃহ সচল করতেই থার্টি সিক্স টুয়েন্টি ফোর থার্টি সিক্স হলে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে চরকি। চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘রাজনৈতিক পালাবদলের পর যখন কনটেন্ট মুক্তির কথা কেউ ভাবছিলেন না, তখন ওয়েব ফিল্ম মুক্তির সাহসটা দেখায় চরকি। এবারের পরিকল্পনা আরেকটু বড়। দীর্ঘদিন ধরে প্রেক্ষাগৃহ স্থবির হয়ে আছে। নতুন সিনেমা থাকলেও তা মুক্তি দিতে অনেকেই করছেন নানান হিসাব-নিকাশ। আমাদের বিশ্বাস, চরকির এই পদক্ষেপ অনেক প্রযোজককে সিনেমা মুক্তি দিতে উৎসাহিত করবে এবং দর্শকও প্রেক্ষাগৃহে ফিরবে।’
রেজাউর রহমান, কারিনা কায়সার ও মোনতাসির মান্নানের রচনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রেজাউর রহমান। গল্পে দেখা যাবে, অসংখ্য ক্যাজুয়াল ও অনলাইন ডেটিংয়ের পর বিয়ের জন্য রাজি হয় প্রিয়ন্তী। তার একটাই চাওয়া, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং। মানে বাড়ি কিংবা কনভেনশন সেন্টারে নয়, দূরে কোনো পর্যটনকেন্দ্রে হতে হবে এই বিয়ের আয়োজন। প্রিয়ন্তীর ডেস্টিনেশন ওয়েডিং প্ল্যানের দায়িত্ব পায় সায়রা। প্রিয়ন্তী চরিত্রে দীঘি আর সায়রা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কারিনা কায়সার। আরও অভিনয় করেছেন সৈয়দ জামান শাওন ,গোলাম কিবরিয়া তানভীর, মিলি বাশার, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, শহীদুল আলম সাচ্চু, রোজী সিদ্দিকী, শামীমা নাজনীন, আবু হুরায়রা তানভীর প্রমুখ।
এটি চরকির ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রজেক্টের পঞ্চম সিনেমা। এ প্রজেক্টে ১২ জন নির্মাতা ১২টি ভালোবাসার গল্প নিয়ে ১২টি অরিজিনাল ফিল্ম বানাচ্ছেন। পুরো প্রজেক্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

গত জুলাইয়ে ফেসবুকে একটি বিয়ের কার্ড পোস্ট করেন চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। কার্ডটির একটি অংশে লেহেঙ্গা পরা তাঁর একটি ছবি আর বাকি অংশ তিনি ঢেকে রাখেন হাত দিয়ে। এরপর গুঞ্জন শুরু হয় বিয়ে করছেন দীঘি। কয়েক দিন পর ‘থার্টি সিক্স টুয়েন্টি ফোর থার্টি সিক্স’ ওয়েব ফিল্মের পোস্টার শেয়ার করে দীঘি জানান, বিয়েটা তাঁর নয়, এ সিনেমায় তাঁর অভিনীত চরিত্র প্রিয়ন্তীর। ১৮ জুলাই ওটিটি প্ল্যাটফরম চরকিতে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে কর্তৃপক্ষ। অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে থার্টি সিক্স টুয়েন্টি ফোর থার্টি সিক্স। তবে ওটিটিতে নয় প্রিয়ন্তীর বিয়ে দেখা যাবে প্রেক্ষাগৃহে। ইতিমধ্যে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা পড়েছে সিনেমাটি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকে সিনেমায় স্থবিরতা বিরাজ করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দুই মাস হয়ে গেলেও এখনো সিনেমা মুক্তির সাহস করতে পারছেন না নির্মাতা-প্রযোজকেরা। প্রেক্ষাগৃহ সচল করতেই থার্টি সিক্স টুয়েন্টি ফোর থার্টি সিক্স হলে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে চরকি। চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘রাজনৈতিক পালাবদলের পর যখন কনটেন্ট মুক্তির কথা কেউ ভাবছিলেন না, তখন ওয়েব ফিল্ম মুক্তির সাহসটা দেখায় চরকি। এবারের পরিকল্পনা আরেকটু বড়। দীর্ঘদিন ধরে প্রেক্ষাগৃহ স্থবির হয়ে আছে। নতুন সিনেমা থাকলেও তা মুক্তি দিতে অনেকেই করছেন নানান হিসাব-নিকাশ। আমাদের বিশ্বাস, চরকির এই পদক্ষেপ অনেক প্রযোজককে সিনেমা মুক্তি দিতে উৎসাহিত করবে এবং দর্শকও প্রেক্ষাগৃহে ফিরবে।’
রেজাউর রহমান, কারিনা কায়সার ও মোনতাসির মান্নানের রচনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রেজাউর রহমান। গল্পে দেখা যাবে, অসংখ্য ক্যাজুয়াল ও অনলাইন ডেটিংয়ের পর বিয়ের জন্য রাজি হয় প্রিয়ন্তী। তার একটাই চাওয়া, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং। মানে বাড়ি কিংবা কনভেনশন সেন্টারে নয়, দূরে কোনো পর্যটনকেন্দ্রে হতে হবে এই বিয়ের আয়োজন। প্রিয়ন্তীর ডেস্টিনেশন ওয়েডিং প্ল্যানের দায়িত্ব পায় সায়রা। প্রিয়ন্তী চরিত্রে দীঘি আর সায়রা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কারিনা কায়সার। আরও অভিনয় করেছেন সৈয়দ জামান শাওন ,গোলাম কিবরিয়া তানভীর, মিলি বাশার, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, শহীদুল আলম সাচ্চু, রোজী সিদ্দিকী, শামীমা নাজনীন, আবু হুরায়রা তানভীর প্রমুখ।
এটি চরকির ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রজেক্টের পঞ্চম সিনেমা। এ প্রজেক্টে ১২ জন নির্মাতা ১২টি ভালোবাসার গল্প নিয়ে ১২টি অরিজিনাল ফিল্ম বানাচ্ছেন। পুরো প্রজেক্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১৪ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৫ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১৫ ঘণ্টা আগে