
‘দেবদাস’ ছবিতে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের নাচ দেখে মুগ্ধ হন দর্শক। হৃতিক রোশন যখন পর্দা কাঁপান নাচের তালে, বিমুগ্ধ দর্শকের মন-প্রাণ নেচে ওঠে তালে তালে। মাধুরী দীক্ষিত তো নাচের মুদ্রা দিয়েই ঘায়েল করেছেন হাজার তরুণের হৃদয়। অথচ তারকাদের এই নাচের মূল কারিগরেরা থেকে যান আড়ালেই।
সরোজ খান
মাধুরী দীক্ষিতের ‘তেজাব’ ছবির গান ‘এক দো তিন’, ‘বেটা’ ছবির ‘ধক ধক’ কিংবা ‘নাগিন’ ছবিতে শ্রীদেবীর ‘ম্যায় তেরা দুশমন’ গানগুলো বিখ্যাত হওয়ার পেছনের মানুষ সরোজ খান। দুই হাজারেরও বেশি গানের কোরিওগ্রাফি করেছেন। তালিকায় আছে ‘ডর’, ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’, ‘হাম দিল দে চুকে সনম’, ‘লগান’, ‘দেবদাস’-এর মতো জনপ্রিয় সব ছবি। সরোজ খানকে বলিউডের তারকারা ভালোবেসে ‘মাস্টারজি’ বলে সম্বোধন করেন। গত বছর ৭১ বছর বয়সে মারা যান এই কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী।
গণেশ আচার্য্য
কোরিওগ্রাফার বাবা গোপী যখন মারা যান, গণেশের বয়স তখন মাত্র ১০ বছর। অর্থনৈতিক দৈন্য কাটাতে পড়াশোনা বাদ দিয়ে গণেশ চলে আসেন বলিউডে। সেই বয়সেই বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার কামালজির সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় তাঁর কোরিওগ্রাফির প্রথম ছবি ‘আনাম’। তাঁর কোরিওগ্রাফে বিখ্যাত গানের তালিকায় আছে ‘লজ্জা’ ছবির ‘বড়ে মুশকিল’, ‘খাকি’ ছবির ‘অ্যায়সা জাদু ঢালারে’। তিন শতাধিক ছবির কোরিওগ্রাফি করেছেন গণেশ। তালিকায় আছে ‘জিরো’, ‘কেজিএফ’, ‘সঞ্জু’, ‘বাগি ২’, ‘পদ্মাবত’, ‘জুড়ুয়া’র মতো ছবি।
প্রভু দেবা
প্রভু দেবাকে ভারতীয় মাইকেল জ্যাকসন বলা হয়। নায়ক হিসেবেও অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে পরিচালক হিসেবেই তাঁর সুনাম বেশি। আর পরিচালনার চেয়েও তাঁর দক্ষতা বেশি নাচে। ১৯৮৬ সালে নাচের ক্যারিয়ার শুরু হয় তাঁর। এখনো সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন প্রভু দেবা। বলিউডের চেয়ে ভারতের দক্ষিণে আরও বেশি জনপ্রিয় তিনি।
ফারাহ খান
সরোজ খান ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ ছবির কাজ ছেড়ে দিলে ফারাহর সুযোগ আসে। ছবির ‘পেহলা নাশা’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সেই সঙ্গে ফারাহও ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। শতাধিক ছবির গানের নৃত্য পরিকল্পনা করেছেন। পাঁচবার ফিল্মফেয়ারে সেরা কোরিওগ্রাফির পুরস্কার জিতেছেন। ‘ঢোল বাজনে লাগা’, ‘ছাইয়া ছাইয়া’, ‘জিয়া জ্বালে’, ‘এক পালকে জিনা’, ‘ওহ লাড়কি হে কাহা’র মতো অসংখ্য জনপ্রিয় গানে নাচের স্রষ্টা তিনি। পরিচালক হিসেবেই বর্তমানে বেশি পরিচিত। তাঁর পরিচালনার খাতায় রয়েছে ‘ওম শান্তি ওম’, ‘ম্যায় হু না’, ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ ছবিগুলো।
বৈভবি মার্চেন্ট
১৯৯৯ সালে ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ছবির ‘ঢোল বাজে’ গানের মাধ্যমে পথচলা শুরু বৈভবির। এরপর একে একে অসংখ্য ছবির নাচের দায়িত্বে ছিলেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘কামবখত ইশক’, ‘ডন ২’, ‘বডিগার্ড’, ‘এক থা টাইগার’, ‘ধুম ৩’, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’। তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে হিট গান ‘সোয়াগ সে স্বাগত’।
তালিকায় আরও আছেন
রেমো ডি সুজা, গণেশ হেগদা, তেরেন্স লিউস, আহমেদ খান, বসকো-কসকো, গীতা কাপুর প্রমুখ।

‘দেবদাস’ ছবিতে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের নাচ দেখে মুগ্ধ হন দর্শক। হৃতিক রোশন যখন পর্দা কাঁপান নাচের তালে, বিমুগ্ধ দর্শকের মন-প্রাণ নেচে ওঠে তালে তালে। মাধুরী দীক্ষিত তো নাচের মুদ্রা দিয়েই ঘায়েল করেছেন হাজার তরুণের হৃদয়। অথচ তারকাদের এই নাচের মূল কারিগরেরা থেকে যান আড়ালেই।
সরোজ খান
মাধুরী দীক্ষিতের ‘তেজাব’ ছবির গান ‘এক দো তিন’, ‘বেটা’ ছবির ‘ধক ধক’ কিংবা ‘নাগিন’ ছবিতে শ্রীদেবীর ‘ম্যায় তেরা দুশমন’ গানগুলো বিখ্যাত হওয়ার পেছনের মানুষ সরোজ খান। দুই হাজারেরও বেশি গানের কোরিওগ্রাফি করেছেন। তালিকায় আছে ‘ডর’, ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’, ‘হাম দিল দে চুকে সনম’, ‘লগান’, ‘দেবদাস’-এর মতো জনপ্রিয় সব ছবি। সরোজ খানকে বলিউডের তারকারা ভালোবেসে ‘মাস্টারজি’ বলে সম্বোধন করেন। গত বছর ৭১ বছর বয়সে মারা যান এই কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী।
গণেশ আচার্য্য
কোরিওগ্রাফার বাবা গোপী যখন মারা যান, গণেশের বয়স তখন মাত্র ১০ বছর। অর্থনৈতিক দৈন্য কাটাতে পড়াশোনা বাদ দিয়ে গণেশ চলে আসেন বলিউডে। সেই বয়সেই বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার কামালজির সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় তাঁর কোরিওগ্রাফির প্রথম ছবি ‘আনাম’। তাঁর কোরিওগ্রাফে বিখ্যাত গানের তালিকায় আছে ‘লজ্জা’ ছবির ‘বড়ে মুশকিল’, ‘খাকি’ ছবির ‘অ্যায়সা জাদু ঢালারে’। তিন শতাধিক ছবির কোরিওগ্রাফি করেছেন গণেশ। তালিকায় আছে ‘জিরো’, ‘কেজিএফ’, ‘সঞ্জু’, ‘বাগি ২’, ‘পদ্মাবত’, ‘জুড়ুয়া’র মতো ছবি।
প্রভু দেবা
প্রভু দেবাকে ভারতীয় মাইকেল জ্যাকসন বলা হয়। নায়ক হিসেবেও অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে পরিচালক হিসেবেই তাঁর সুনাম বেশি। আর পরিচালনার চেয়েও তাঁর দক্ষতা বেশি নাচে। ১৯৮৬ সালে নাচের ক্যারিয়ার শুরু হয় তাঁর। এখনো সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন প্রভু দেবা। বলিউডের চেয়ে ভারতের দক্ষিণে আরও বেশি জনপ্রিয় তিনি।
ফারাহ খান
সরোজ খান ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ ছবির কাজ ছেড়ে দিলে ফারাহর সুযোগ আসে। ছবির ‘পেহলা নাশা’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সেই সঙ্গে ফারাহও ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। শতাধিক ছবির গানের নৃত্য পরিকল্পনা করেছেন। পাঁচবার ফিল্মফেয়ারে সেরা কোরিওগ্রাফির পুরস্কার জিতেছেন। ‘ঢোল বাজনে লাগা’, ‘ছাইয়া ছাইয়া’, ‘জিয়া জ্বালে’, ‘এক পালকে জিনা’, ‘ওহ লাড়কি হে কাহা’র মতো অসংখ্য জনপ্রিয় গানে নাচের স্রষ্টা তিনি। পরিচালক হিসেবেই বর্তমানে বেশি পরিচিত। তাঁর পরিচালনার খাতায় রয়েছে ‘ওম শান্তি ওম’, ‘ম্যায় হু না’, ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ ছবিগুলো।
বৈভবি মার্চেন্ট
১৯৯৯ সালে ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ছবির ‘ঢোল বাজে’ গানের মাধ্যমে পথচলা শুরু বৈভবির। এরপর একে একে অসংখ্য ছবির নাচের দায়িত্বে ছিলেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘কামবখত ইশক’, ‘ডন ২’, ‘বডিগার্ড’, ‘এক থা টাইগার’, ‘ধুম ৩’, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’। তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে হিট গান ‘সোয়াগ সে স্বাগত’।
তালিকায় আরও আছেন
রেমো ডি সুজা, গণেশ হেগদা, তেরেন্স লিউস, আহমেদ খান, বসকো-কসকো, গীতা কাপুর প্রমুখ।

দর্শকদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খানের উপস্থাপনায় আবারও পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় ফ্যামিলি গেম শো ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’। বঙ্গ প্রযোজিত এই শোয়ের সিজন ২-এর প্রচার শুরু হবে আগামীকাল ১৯ জানুয়ারি থেকে।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর কয়েকটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে প্রদর্শিত হয়েছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর তিনটি ভেন্যুতে এ মাসে চারটি প্রদর্শনী নিয়ে ফিরছে নিনাদ নাট্যদলের প্রথম প্রযোজনা ‘দ্য হিউম্যান ভয়েস’। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার সহযোগিতায় নির্মিত মঞ্চনাটকটি প্রথম মঞ্চে আসে গত অক্টোবরে। ধানমন্ডির আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তন ও মিরপুরের বিবলিওন বুকস্টোর ক্যাফেতে নাটকটির মোট সাতটি প্রদর্শনী হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাউল কবি রশিদ উদ্দিনকে নিয়ে তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন লেখক, নাট্যকার, পরিচালক ও স্থপতি শাকুর মজিদ। নাম দিয়েছেন ‘ভাটিবাংলার অধিরাজ’। ১৬ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে নির্মাতার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় তথ্যচিত্রটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী।
১৭ ঘণ্টা আগে