
বলিউডের ‘হ্যান্ডসাম হাংক’ হৃতিক রোশন। ৫০ বছর বয়সেও এমন সুদর্শন চেহারা আর সুঠাম দেহ তিনি ধরে রেখেছেন। পঞ্চাশের গণ্ডি পার করলেও শরীর দেখে বোঝার উপায় নেই। সম্প্রতি ‘ফাইটার’ সিনেমার দৃশ্যে তাঁর শরীর দেখে তাজ্জব বনে গেছেন নেটিজেনরা। এবার হৃতিক রোশনের গ্রিক দেবতার মতো শরীরের গোপন রহস্য ফাঁস করেছেন ফিটনেস ট্রেনার ক্রিস গেথিন। ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতার ফিটনেস রুটিন সম্পর্কে জানিয়েছেন গেথিন।
বলিউডের ব্যবসাসফল পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘ফাইটার’ সিনেমায় হৃতিক অভিনয় করেছেন ভারতীয় বিমানবাহিনীর পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার শমসের পাঠানিয়া ওরফে প্যাটির চরিত্রে। আর এর জন্য এইট প্যাক অ্যাবস তৈরি করেছেন হৃতিক।
এইট প্যাক অ্যাবস তৈরি করতে সপ্তাহে পাঁচ দিন সকাল সকাল জিমে যান হৃতিক। সপ্তাহে পাঁচ দিন ওয়েট লিফ্টিং করেন এই অভিনেতা। ক্রিস গেথিন জানিয়েছেন, ‘হৃতিকের ওয়ার্কআউটের ক্ষেত্রে অনেক কিছুই নির্ভর করছে অভিনেতা দিনে নাকি রাতে শুটিং করছেন তার ওপর। তিনি যদি দিনের বেলায় শুটিং করেন, তাহলে অভিনেতা-প্রশিক্ষক জুটি ভোর ৫-৬টার মধ্যেই কাজ শুরু করে দেন। হৃতিক তাঁর সকালের নাশতা করেন এবং এর ৪৫ মিনিট পর জিমে যান।’
ক্রিস গেথিন আরও জানান, কখনো কখনো বক্সিং, কেটলবেল ওয়ার্ক, ব্যাটল রোপস এবং প্লায়োমেট্রিকের মতো প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য বিভিন্ন ওয়ার্কআউট করেন হৃতিক। এর সঙ্গে দিনে একবার বা কখনো কখনো দিনে দুবার কার্ডিও করেন, এটি নির্ভর করে যে তিনি কীভাবে কোন চরিত্রে অভিনয় করতে চান। কখনো কখনো রানিং, এলিপটিকাল, স্টেয়ারমাস্টার রোভার এবং সুইমিংও করেন।
অভিনেতার ডায়েট চার্ট সম্পর্কে ক্রিস গেথিন জানান, অভিনেতার ডায়েটে ডিমের সাদা অংশ, মুরগি, হাই প্রোটিন এবং মাছের পাশাপাশি ওটস, কুইনোয়া, ভাত ও মিষ্টি আলুর মতো কার্বোহাইড্রেট অবশ্যই থাকে। আর দিনে হৃতিক ছয় থেকে সাত বার খাবার খান। খাবার খাওয়ার সময় না থাকলে শেক আকারে পান করেন, তবে সাধারণত যখনই সম্ভব সম্পূর্ণ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ‘ফাইটার’ প্রযোজনা করেছে ‘ভায়াকম ১৮ মোশন পিকচার্স’। সিদ্ধার্থ আনন্দের সঙ্গে এর চিত্রনাট্য লিখেছেন সাবেক সেনা অফিসার রমন চিব। সিনেমাটিতে অনিল কাপুর, করণ সিং গ্রোভার, অক্ষয় ওবেরয়কে দেখা যাবে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে।
উল্লেখ্য, ‘ফাইটার’ই হতে চলেছে হৃতিক আর দীপিকা জুটির প্রথম সিনেমা। তাই এর ঘোষণার পর থেকেই কাজ করছে উন্মাদনা। সিদ্ধার্থের সঙ্গে ‘ওয়ার’, ‘ব্যাং ব্যাং’-এর মতো হিট আগেও উপহার দিয়েছেন হৃতিক। এবারও আরেকটা ব্যবসাসফল সিনেমার অপেক্ষায় আছেন ভক্তরা।

বলিউডের ‘হ্যান্ডসাম হাংক’ হৃতিক রোশন। ৫০ বছর বয়সেও এমন সুদর্শন চেহারা আর সুঠাম দেহ তিনি ধরে রেখেছেন। পঞ্চাশের গণ্ডি পার করলেও শরীর দেখে বোঝার উপায় নেই। সম্প্রতি ‘ফাইটার’ সিনেমার দৃশ্যে তাঁর শরীর দেখে তাজ্জব বনে গেছেন নেটিজেনরা। এবার হৃতিক রোশনের গ্রিক দেবতার মতো শরীরের গোপন রহস্য ফাঁস করেছেন ফিটনেস ট্রেনার ক্রিস গেথিন। ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতার ফিটনেস রুটিন সম্পর্কে জানিয়েছেন গেথিন।
বলিউডের ব্যবসাসফল পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘ফাইটার’ সিনেমায় হৃতিক অভিনয় করেছেন ভারতীয় বিমানবাহিনীর পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার শমসের পাঠানিয়া ওরফে প্যাটির চরিত্রে। আর এর জন্য এইট প্যাক অ্যাবস তৈরি করেছেন হৃতিক।
এইট প্যাক অ্যাবস তৈরি করতে সপ্তাহে পাঁচ দিন সকাল সকাল জিমে যান হৃতিক। সপ্তাহে পাঁচ দিন ওয়েট লিফ্টিং করেন এই অভিনেতা। ক্রিস গেথিন জানিয়েছেন, ‘হৃতিকের ওয়ার্কআউটের ক্ষেত্রে অনেক কিছুই নির্ভর করছে অভিনেতা দিনে নাকি রাতে শুটিং করছেন তার ওপর। তিনি যদি দিনের বেলায় শুটিং করেন, তাহলে অভিনেতা-প্রশিক্ষক জুটি ভোর ৫-৬টার মধ্যেই কাজ শুরু করে দেন। হৃতিক তাঁর সকালের নাশতা করেন এবং এর ৪৫ মিনিট পর জিমে যান।’
ক্রিস গেথিন আরও জানান, কখনো কখনো বক্সিং, কেটলবেল ওয়ার্ক, ব্যাটল রোপস এবং প্লায়োমেট্রিকের মতো প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য বিভিন্ন ওয়ার্কআউট করেন হৃতিক। এর সঙ্গে দিনে একবার বা কখনো কখনো দিনে দুবার কার্ডিও করেন, এটি নির্ভর করে যে তিনি কীভাবে কোন চরিত্রে অভিনয় করতে চান। কখনো কখনো রানিং, এলিপটিকাল, স্টেয়ারমাস্টার রোভার এবং সুইমিংও করেন।
অভিনেতার ডায়েট চার্ট সম্পর্কে ক্রিস গেথিন জানান, অভিনেতার ডায়েটে ডিমের সাদা অংশ, মুরগি, হাই প্রোটিন এবং মাছের পাশাপাশি ওটস, কুইনোয়া, ভাত ও মিষ্টি আলুর মতো কার্বোহাইড্রেট অবশ্যই থাকে। আর দিনে হৃতিক ছয় থেকে সাত বার খাবার খান। খাবার খাওয়ার সময় না থাকলে শেক আকারে পান করেন, তবে সাধারণত যখনই সম্ভব সম্পূর্ণ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ‘ফাইটার’ প্রযোজনা করেছে ‘ভায়াকম ১৮ মোশন পিকচার্স’। সিদ্ধার্থ আনন্দের সঙ্গে এর চিত্রনাট্য লিখেছেন সাবেক সেনা অফিসার রমন চিব। সিনেমাটিতে অনিল কাপুর, করণ সিং গ্রোভার, অক্ষয় ওবেরয়কে দেখা যাবে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে।
উল্লেখ্য, ‘ফাইটার’ই হতে চলেছে হৃতিক আর দীপিকা জুটির প্রথম সিনেমা। তাই এর ঘোষণার পর থেকেই কাজ করছে উন্মাদনা। সিদ্ধার্থের সঙ্গে ‘ওয়ার’, ‘ব্যাং ব্যাং’-এর মতো হিট আগেও উপহার দিয়েছেন হৃতিক। এবারও আরেকটা ব্যবসাসফল সিনেমার অপেক্ষায় আছেন ভক্তরা।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১ দিন আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১ দিন আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১ দিন আগে