
ভারতীয় চলচ্চিত্রের ‘সুপারস্টার’ মিঠুন চক্রবর্তীর জীবন শুরু হয়েছিল খুবই সাদামাটাভাবে। বরিশালে জন্ম নেওয়া এই সাধারণ ছেলেটি একদিন কীভাবে জয় করেন বলিউড, সে গল্প সিনেমার চেয়ে কম কিছু নয়।
মিঠুন চক্রবর্তীর বর্ণাঢ্য জীবন এবার উঠে এসেছে এক মলাটে। জীবনী লেখা হয়েছে তাঁর। চলচ্চিত্র সাংবাদিক রাম কমল মুখোপাধ্যায়ের লেখা এই বায়োগ্রাফির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিঠুন চক্রবর্তী, দ্য দাদা অব বলিউড’।
নায়ক মিঠুনের অভিনয় জীবন যেমন থাকছে এ বইয়ে, থাকছে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের কথা, তাঁর রাজনৈতিক সচেতনতার কথাও। তবে মিঠুন নাকি কখনোই চাননি তাঁকে নিয়ে কিছু লেখা হোক। অভিনেত্রী হেমা মালিনীর অনুরোধেই সাংবাদিক রাম কমলকে এই বই লেখার অনুমতি দেন মিঠুন চক্রবর্তী।
অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর যখন বলিউডে স্বজনপোষণ নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলছিল, ইনসাইডার আর আউটসাইডার নিয়ে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল পুরো ইন্ডাস্ট্রি; তখনই রাম কমল ভাবেন বলিউডের অন্যতম সফল আউটসাইডার মিঠুন চক্রবর্তীর জার্নি তুলে ধরা খুব জরুরি। কারণ তাঁর জীবন উৎসাহ দিতে পারে নতুনদের।
তবে শুধু সাফল্যের কাহিনিই নয়, এই বইতে উঠে এসেছে ব্যক্তি মিঠুনের হতাশা ও ভয়ের কথাও। যেহেতু মিঠুন চক্রবর্তীর জীবনযুদ্ধের গল্প কোনো সিনেমার চেয়ে কম নয়, তাই বইটি লেখা হয়েছে চিত্রনাট্যের আকারে।
রাম কমল বলেন, ‘টানা দুই বছর গবেষণা করেছি, তাঁর বাংলোতে দিনের পর দিন থেকেছি, দেখেছি তাঁর উচ্ছ্বাস-হতাশা। নানা রঙের মিঠুনকে তুলে আনার চেষ্টা করেছি এ বইয়ে।’
‘মিঠুন চক্রবর্তী, দ্য দাদা অব বলিউড’ বাজারে এসেছে। প্রকাশ করেছে রুপা বুকস। পাওয়া যাচ্ছে আমাজনে।
কিংবদন্তি পরিচালক মৃণাল সেনের ‘মৃগয়া’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন মিঠুন। প্রথম ছবিই তাঁকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার। সেই সময়ের নায়কদের মতো সুদর্শন না হলেও পর্দায় তাঁর অভিনয়, নাচ মুগ্ধ করেছিল দর্শককে। সত্যিকার অর্থেই তিনি হয়ে ওঠেন ‘বলিউডের দাদা’।

ভারতীয় চলচ্চিত্রের ‘সুপারস্টার’ মিঠুন চক্রবর্তীর জীবন শুরু হয়েছিল খুবই সাদামাটাভাবে। বরিশালে জন্ম নেওয়া এই সাধারণ ছেলেটি একদিন কীভাবে জয় করেন বলিউড, সে গল্প সিনেমার চেয়ে কম কিছু নয়।
মিঠুন চক্রবর্তীর বর্ণাঢ্য জীবন এবার উঠে এসেছে এক মলাটে। জীবনী লেখা হয়েছে তাঁর। চলচ্চিত্র সাংবাদিক রাম কমল মুখোপাধ্যায়ের লেখা এই বায়োগ্রাফির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিঠুন চক্রবর্তী, দ্য দাদা অব বলিউড’।
নায়ক মিঠুনের অভিনয় জীবন যেমন থাকছে এ বইয়ে, থাকছে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের কথা, তাঁর রাজনৈতিক সচেতনতার কথাও। তবে মিঠুন নাকি কখনোই চাননি তাঁকে নিয়ে কিছু লেখা হোক। অভিনেত্রী হেমা মালিনীর অনুরোধেই সাংবাদিক রাম কমলকে এই বই লেখার অনুমতি দেন মিঠুন চক্রবর্তী।
অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর যখন বলিউডে স্বজনপোষণ নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলছিল, ইনসাইডার আর আউটসাইডার নিয়ে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল পুরো ইন্ডাস্ট্রি; তখনই রাম কমল ভাবেন বলিউডের অন্যতম সফল আউটসাইডার মিঠুন চক্রবর্তীর জার্নি তুলে ধরা খুব জরুরি। কারণ তাঁর জীবন উৎসাহ দিতে পারে নতুনদের।
তবে শুধু সাফল্যের কাহিনিই নয়, এই বইতে উঠে এসেছে ব্যক্তি মিঠুনের হতাশা ও ভয়ের কথাও। যেহেতু মিঠুন চক্রবর্তীর জীবনযুদ্ধের গল্প কোনো সিনেমার চেয়ে কম নয়, তাই বইটি লেখা হয়েছে চিত্রনাট্যের আকারে।
রাম কমল বলেন, ‘টানা দুই বছর গবেষণা করেছি, তাঁর বাংলোতে দিনের পর দিন থেকেছি, দেখেছি তাঁর উচ্ছ্বাস-হতাশা। নানা রঙের মিঠুনকে তুলে আনার চেষ্টা করেছি এ বইয়ে।’
‘মিঠুন চক্রবর্তী, দ্য দাদা অব বলিউড’ বাজারে এসেছে। প্রকাশ করেছে রুপা বুকস। পাওয়া যাচ্ছে আমাজনে।
কিংবদন্তি পরিচালক মৃণাল সেনের ‘মৃগয়া’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন মিঠুন। প্রথম ছবিই তাঁকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার। সেই সময়ের নায়কদের মতো সুদর্শন না হলেও পর্দায় তাঁর অভিনয়, নাচ মুগ্ধ করেছিল দর্শককে। সত্যিকার অর্থেই তিনি হয়ে ওঠেন ‘বলিউডের দাদা’।

গত নভেম্বরে খবর ছড়িয়েছিল, আবু হায়াত মাহমুদের ‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম’ সিনেমায় শাকিব খানের নায়িকা হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। তবে এমন খবরের কোনো নিশ্চয়তা দেননি নির্মাতা। শুধু জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের পাশাপাশি এই সিনেমায় দেখা যাবে ভারতের একজন নায়িকাকে।
৩২ মিনিট আগে
এই সময়ের অন্যতম সেরা কমেডিয়ানের নাম জাকির খান। ভারতীয় এই স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ানের জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে আছে সারা বিশ্বে। আমাজন প্রাইমে প্রচারিত হয়েছে তাঁর একাধিক কমেডি শো। প্রথম ভারতীয় কমেডিয়ান হিসেবে ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে পারফর্ম করেছেন জাকির। বেশ কিছু ওয়েব সিরিজেও অভিনয় করেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
মারা গেছেন বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ। অনেক দিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল ঢাকার মঞ্চে আবারও মঞ্চায়ন হবে দেশ নাটকের ‘দর্পণে শরৎশশী’। ১৯৯২ সালে প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল নাটকটি। রচনা করেছেন মনোজ মিত্র; ২০২৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্দেশক আলী যাকের; ২০২০ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি।
১ দিন আগে