
আশির দশকের শেষ দিকে এবং নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে বলিউডের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেত্রী ছিলেন মাধুরী দীক্ষিত। ওই সময় প্রতিবছর ১০টির বেশি সিনেমা মুক্তি পেত তাঁর। তবে সাফল্যের তুঙ্গে থাকা অবস্থায়ই বড় একটি সিদ্ধান্ত নেন মাধুরী। তারকাখ্যাতি পাশ কাটিয়ে ব্যক্তিজীবনকে বেশি গুরুত্ব দেন। ১৯৯৯ সালে ডা. শ্রীরাম নেনেকে বিয়ে করে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। ফেলে যান সফল ক্যারিয়ার। তবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া নাকি মোটেই কঠিন ছিল না মাধুরীর জন্য।
সম্প্রতি মিড-ডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই সময় নিয়ে মুখ খুলেছেন মাধুরী দীক্ষিত। ক্যারিয়ারের সাফল্য নয়, পরিবার-সন্তান-সংসারই নাকি ছিল তাঁর স্বপ্ন। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি সব সময় ভাবতাম, আমার বিয়ে হবে, একটি সংসার হবে, সন্তান হবে। যখন সেটা ঘটল, মনে হয়েছিল, এত দিনে স্বপ্ন সত্যি হলো। বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দুবার ভাবিনি। বিয়ে করে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাই।’
প্রায় এক যুগ মাধুরী কাটিয়েছেন কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের ডেনভারে। সেখানে প্রকৃতির নির্জনতায় সহজ-সাধারণ পারিবারিক জীবনেই নিজের সবটুকু মনোযোগ ঢেলে দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। যুক্তরাষ্ট্রে আগে থেকে তাঁর ভাইবোনেরা থাকতেন। তাঁদের সঙ্গেও মাধুরীর নিয়মিত দেখা হতো। তাই সময়টা মন্দ কাটত না। অভিনেত্রী বলেন, ‘জীবনের প্রায়োরিটি আসলে কী, সেটা আগে থেকে জানতাম। সেখানে নিজের কাজ নিজেকে করতে হতো। তাতেও কোনো কষ্ট লাগত না। আফসোস হতো না।’
ক্যারিয়ারের জাঁকজমকের চেয়ে বরং পারিবারিক জীবন, সন্তান-সংসার—এসবই মাধুরীর ভালো লাগত বেশি। অভিনেত্রী বলেন, ‘বাচ্চাদের নিয়ে নিজের মতো থাকতাম। তাদের পার্কে নিয়ে যেতাম। ওদের সঙ্গে খেলতাম, মজা করতাম। কেউ আমাকে চিনত না। সময়টা ভীষণ উপভোগ করেছি।’
পাঁচ বছর শোবিজ থেকে দূরে ছিলেন মাধুরী। ২০০৭ সালে ‘আজা নাচলে’ দিয়ে আবার বড় পর্দায় ফেরেন। সিনেমাটি বক্স অফিসে অত সাড়া না পেলেও তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়। এরপর আবারও বিরতি। ২০১৩ সালে ‘বোম্বে টকিজ’ ও ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ সিনেমার গানে পারফর্ম করে সাড়া ফেলেন। আবারও মাধুরীকে নিয়ে চর্চা শুরু হয় বলিউডে।
এরপর সিনেমায় সেই অর্থে আর নিয়মিত হননি মাধুরী দীক্ষিত। অল্পস্বল্প কাজ করেছেন। রিয়েলিটি শোতে বিচারক হয়েছেন। ওয়েব কনটেন্টেও দেখা দিয়েছেন। সম্প্রতি জিওহটস্টারের ‘মিসেস দেশপান্ডে’ সিরিজ দিয়ে আবারও আলোচনায় তিনি। ১৯ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া সিরিজটি তৈরি হয়েছে ফরাসি থ্রিলার ‘লা ম্যান্টে’র অনুপ্রেরণায়। এতে মাধুরী অভিনয় করেছেন একজন সিরিয়াল কিলারের চরিত্রে।
মাধুরী সব সময় চেয়েছেন ক্যারিয়ার আর পরিবার—দুটির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে। শোবিজের তারকাখ্যাতি তাঁর পারিবারিক জীবনকে যেন প্রভাবিত করতে না পারে। হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘যখন আমি বাড়িতে ঢুকি, তারকাখ্যাতিকে বাইরে রেখে যাই। সেখানে আমি একেবারেই সাধারণ—একজন স্ত্রী, একজন মা। আর দশটা মানুষের মতোই।’

প্রতিটি মানুষের জীবনযুদ্ধের ধরন আলাদা। তবে কিছু মানুষ থাকেন, যাঁরা চরম প্রতিকূলতাকেও বরণ করে নেন একবুক সাহস আর অদম্য হাসি দিয়ে। জনপ্রিয় উপস্থাপক ও অভিনেত্রী সামিয়া আফরিন তেমনই এক উদাহরণ। পাঁচ বছর ধরে ক্যানসারের বিরুদ্ধে অদম্য লড়াই চালিয়ে আসার পর আবারও সেই কঠিন বাস্তবের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে
কিংবদন্তি ব্রিটিশ রক ব্যান্ড পিঙ্ক ফ্লয়েডের ‘অ্যানাদার ব্রিক ইন দ্য ওয়াল’ শুধু একটি গান নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তিশালী প্রতীক। ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত ‘দ্য ওয়াল’ অ্যালবামের এই গানে উঠে এসেছে শিক্ষাব্যবস্থা কীভাবে শিশুদের নিজস্ব চিন্তাশক্তি ধ্বংস করে
১৩ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সংগীত অঙ্গনে নতুন হাওয়া নিয়ে এল কোক স্টুডিও। নতুন প্রজন্মের শিল্পী ও ভিন্ন ধাঁচের গান শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে ‘নু.ওয়েভ’ নামের নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে তারা। নতুন ছয়টি গান নিয়ে সেপ্টেম্বর মাসে নু.ওয়েভ প্ল্যাটফর্মের যাত্রা শুরু হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন, প্রেম, ভালোবাসা, সুখ-দুঃখসহ জীবন বাস্তবতা নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করছেন টিনা খান। নাম রেখেছেন ‘মন পাখি’। গল্প ভাবনাও তাঁর। চিত্রনাট্য ও সংলাপের পাশাপাশি উপদেষ্টা পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন সৈয়দ মাসুম। সিনেমার নায়ক-নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সনি রহমান ও বৃষ্টি চৌধুরী।
১৫ ঘণ্টা আগে