বিনোদন ডেস্ক

ভক্ত-প্রিয়জনদের কান্নায় ভাসিয়ে চলে গেলেন অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান। দুই সপ্তাহ আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অবস্থার অবনতি ঘটলে বাড়ি থেকে হাসপাতালের বিছানা, সিসিইউ, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট...কোনোভাবেই রাখা গেল না তাঁকে। অভিনেত্রীর এমন প্রয়াণে নেমেছে শোকের ছায়া। সহশিল্পীরা জানাচ্ছেন শ্রদ্ধাঞ্জলি, স্মৃতিতে স্মরণে আঁকছেন তাঁর ছবি...

তার মতো শিল্পী পেতে হলে অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে
মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, প্রযোজক ও অভিনেতা
আমার প্রযোজিত ও অভিনীত ‘দস্যু বনহুর’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে অঞ্জনা। তাই আমাকে অভিভাবক মানত সে। সবাইকে বলত—উনি আমার গুরু। সব সময় ফোন করে আমার খোঁজখবর নিত, আমার বাসায় আসত, যতক্ষণ থাকত, হইহুল্লোড় করত, আনন্দ করত। ভীষণ হাসিখুশি আর মিশুক মানুষ ছিল অঞ্জনা। সব সময় সেজেগুজে থাকতে ভালোবাসত, মন খরাপ করাটা তার স্বভাবেই ছিল না। নিজে যেমন হাসিখুশি থাকতে চাইত, সবাইকে তেমনি হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করত। বড় অসময়ে চলে গেল অঞ্জনা। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির একটা বাতি নিভে গেল। খুব ভালো নাচতে পারত সে। নৃত্যশিল্পী থেকেই নায়িকা হয়েছে অঞ্জনা। তার মতো একজন শিল্পী পেতে হলে ইন্ডাস্ট্রিকে অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে।

কাজের মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন অঞ্জনা
উজ্জল, অভিনেতা
অঞ্জনা দীর্ঘদিন যাবৎ চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত। যাঁরা এখন পরিণত অবস্থানে আছি, তাঁদের মধ্যে অঞ্জনা ছিলেন অন্যতম। অঞ্জনা শুধু নায়িকা নন, বিশেষায়িত নৃত্যশিল্পীদের একজন ছিলেন। সেখান থেকেই চলচ্চিত্রে আসেন তিনি। তখন সিনেমায় মানুষের মন জয় করা কঠিন কাজ ছিল। সেই কঠিন কাজটি অঞ্জনা করেছেন। অনেক জনপ্রিয় সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন। দর্শকের সামনে তাঁর প্রতিভার জানান দিয়েছেন। আমাদের মধ্যে কখনো জেলাসি ছিল না, ভালো কাজ করার প্রতিযোগিতা ছিল। তাঁর চলে যাওয়াটা চলচ্চিত্রের জন্য বিরাট ক্ষতি। তাঁর কাজের মাধ্যমেই বেঁচে থাকবেন তিনি। আর মানুষ হিসেবে খুব সহজ-সরল ছিলেন। সবার সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক ছিল। তাঁর জন্য অনেক দোয়া। যেখানেই থাকেন তিনি যেন ভালো থাকেন।

একই ওস্তাদের কাছে আমরা ক্ল্যাসিকাল শিখতাম
সাবিনা ইয়াসমীন, সংগীতশিল্পী
অঞ্জনা যে এত তাড়াতাড়ি আমাদের ছেড়ে চলে যাবে একটুও বুঝতে পারিনি। ওকে কোনো দিন অসুস্থ দেখিনি, শরীর খারাপ দেখিনি, ওষুধ খেতে দেখিনি। আমরা অনেক ছোটবেলার বান্ধবী। ৬-৭ বছর বয়স থেকেই আমাদের বন্ধুত্ব। একই ওস্তাদের কাছে আমরা ক্ল্যাসিকাল শিখতাম। বড় হওয়ার পরেও দেশের বাইরে কোনো অনুষ্ঠানে গেলে একসঙ্গে রুম শেয়ার করেছি। একসঙ্গে ঘোরাফেরা করেছি। একেবারে অভিন্ন হৃদয়ের বন্ধু ছিলাম আমরা। ওর আত্মা যেন চিরশান্তিতে থাকে, এটাই চাই।

মনে দুঃখ থাকলেও সব সময় হাসিমুখে থাকতেন
রোজিনা, অভিনেত্রী
অঞ্জনাদি খুব ডিফারেন্ট একজন শিল্পী ছিলেন। এত ভালো মনের মানুষ ছিলেন, হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন সব সময়। ওনার সঙ্গে অনেক সিনেমায় কাজ করেছি, আউটডোর শুটিংয়ে গিয়েছি একসঙ্গে। অনেক স্মৃতি তাঁর সঙ্গে আমার। একটি স্মৃতি খু্ব মনে পড়ছে। রাজ্জাক ভাইয়ের প্রোডাকশন ও পরিচালনায় ‘অভিযান’ সিনেমার শুটিংয়ে প্রায় এক মাস বড় জাহাজে ছিলাম। সারাক্ষণ সুখ-দুঃখের কথা হতো আমাদের। অভিনয়জীবনের বাইরেও আমাদের ব্যক্তিগত অনেক বিষয় থাকে। অনেক চাওয়া থাকে, অপূর্ণতা থাকে, মান-অভিমান থাকে, দুঃখ থাকে। এসব নিয়েও তাঁর সঙ্গে কথা হতো। মনের মধ্যে দুঃখ থাকলেও মানুষের সামনে এলে সব সময় হাসিমুখে থাকতেন। তাঁর সঙ্গে সিনিয়র-জুনিয়র সবার ভালো সম্পর্ক ছিল। অঞ্জনাদির চলে যাওয়া আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে শূন্যতা তৈরি করল। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর যে কাজ রয়ে গেল, সেই কাজের মাঝেই বেঁচে থাকবেন তিনি।

সবাই বলত আমি আর অঞ্জনা দুই বোন
নূতন, অভিনেত্রী
অঞ্জনা যেখানে যেত সব জায়গায় হাসিখুশি থাকত। কারও সঙ্গে কখনো খারাপ ব্যবহার সে করেনি। অঞ্জনার সঙ্গে আমার হাজারটা স্মৃতি রয়েছে। কত মজা করেছি আমরা। ব্যক্তি অঞ্জনা খুব ভালো মানুষ ছিল। একেবারে বাচ্চাদের মতো ছিল। সবাই বলত, আমি আর অঞ্জনা দুই বোন। আমার সেই বোন চলে গেল। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। কী এমন হলো যে হঠাৎ করে অঞ্জনা আমাদের ছেড়ে চলে গেল!

আমরা শিল্পী হারিয়েছি, আর পৃথিবী একজন ভালো মানুষ হারিয়েছে
মিশা সওদাগর, অভিনেতা
অঞ্জনা আপা ছিলেন পুরোপুরি স্পোর্টসওম্যান, একজন ভালো মানুষ। উনি ছিলেন ডাউন টু আর্থ। শাবানা আপা থেকে শুরু করে একেবারে জুনিয়র শিল্পীদের সঙ্গেও একই রকম ব্যবহার করতেন। তাঁর কাছে কোনো ভেদাভেদ ছিল না। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তাঁর বিরাট অবদান। তিন শর মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। আমরা শিল্পী হারিয়েছি আর পৃথিবী একজন ভালো মানুষকে হারিয়েছে।

অঞ্জনা আপার চলে যাওয়া মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে
শাবনূর, অভিনেত্রী
প্রিয় অঞ্জনা আপার এভাবে চলে যাওয়া মেনে নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে। তিন শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করা গুণী এই শিল্পীর অকাল মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে আমার জন্মদিনে, আমাদের দুজনের একসঙ্গে তোলা কিছু ছবি দিয়ে উইশ করে তিনি ফেসবুকে পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘শুভ জন্মদিন।’ আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত, শীর্ষস্থানীয় এক মহাতারকা তিনি।

অঞ্জনার বড় গুণ ছিল কৃতজ্ঞতা জানানোর ক্ষমতা
মতিন রহমান, পরিচালক
অঞ্জনার সবচেয়ে বড় গুণ ছিল কৃতজ্ঞতা জানানোর ক্ষমতা। সাধারণত কোনো শিল্পীর মধ্যে এই গুণটি আমি অন্তত খুঁজে পাই না। একজন শিল্পী যখন সাফল্যের শিখরে পৌঁছে যায়, তার যখন চারদিকে সম্মান বেড়ে যায়, তখন সেই শিল্পী পেছনের কথা মনে রাখে না। নিজেকে প্রকাশ করতেই ব্যস্ত থাকে। অঞ্জনা ছিল ব্যতিক্রম। সব সময় সে পেছনের কথা বলত। কে তার জন্য কতটুকু করেছে, সেটা সব সময় স্মরণ করত। সে ছিল অসম্ভব মেধাবী, সরল ও পরিশ্রমী শিল্পী। তাঁর বিদেহী আত্মার পরম শান্তি কামনা করি।
একনজরে অঞ্জনা
জন্ম: ২৭ জুন ১৯৬৫, ঢাকা।
অভিনয় শুরু: ১৯৭৬ সালে, বাবুল চৌধুরীর ‘সেতু’ সিনেমা দিয়ে।
প্রথম নায়ক: সোহেল রানা।
মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা: শামসুদ্দিন টগরের ‘দস্যু বনহুর’।
পরিচিতি পান: আজিজুর রহমানের ‘অশিক্ষিত’ সিনেমার মাধ্যমে।
আলোচিত সিনেমা: ‘মাটির মায়া’, ‘অশিক্ষিত’, ‘চোখের মণি’, ‘সুখের সংসার’, ‘জিঞ্জির’, ‘অংশীদার’, ‘আনারকলি’, ‘বিচারপতি’, ‘অভিযান’, ‘মহান’, ‘রাজার রাজা’, ‘বিস্ফোরণ’, ‘ফুলেশ্বরী’, ‘রাম রহিম জন’, ‘নাগিনা’, ‘পরিণীতা’ ইত্যাদি।
উল্লেখযোগ্য অর্জন: বাংলাদেশ ছাড়াও অভিনয় করেছেন ৯টি দেশের ১৩টি ভাষার সিনেমায়।
জাতীয় পুরস্কার: দুইবার। ‘পরিণীতা’ ও ‘গাঙচিল’ সিনেমার জন্য।
মৃত্যু: ৪ জানুয়ারি ২০২৫, ঢাকা।

ভক্ত-প্রিয়জনদের কান্নায় ভাসিয়ে চলে গেলেন অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান। দুই সপ্তাহ আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অবস্থার অবনতি ঘটলে বাড়ি থেকে হাসপাতালের বিছানা, সিসিইউ, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট...কোনোভাবেই রাখা গেল না তাঁকে। অভিনেত্রীর এমন প্রয়াণে নেমেছে শোকের ছায়া। সহশিল্পীরা জানাচ্ছেন শ্রদ্ধাঞ্জলি, স্মৃতিতে স্মরণে আঁকছেন তাঁর ছবি...

তার মতো শিল্পী পেতে হলে অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে
মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, প্রযোজক ও অভিনেতা
আমার প্রযোজিত ও অভিনীত ‘দস্যু বনহুর’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে অঞ্জনা। তাই আমাকে অভিভাবক মানত সে। সবাইকে বলত—উনি আমার গুরু। সব সময় ফোন করে আমার খোঁজখবর নিত, আমার বাসায় আসত, যতক্ষণ থাকত, হইহুল্লোড় করত, আনন্দ করত। ভীষণ হাসিখুশি আর মিশুক মানুষ ছিল অঞ্জনা। সব সময় সেজেগুজে থাকতে ভালোবাসত, মন খরাপ করাটা তার স্বভাবেই ছিল না। নিজে যেমন হাসিখুশি থাকতে চাইত, সবাইকে তেমনি হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করত। বড় অসময়ে চলে গেল অঞ্জনা। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির একটা বাতি নিভে গেল। খুব ভালো নাচতে পারত সে। নৃত্যশিল্পী থেকেই নায়িকা হয়েছে অঞ্জনা। তার মতো একজন শিল্পী পেতে হলে ইন্ডাস্ট্রিকে অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে।

কাজের মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন অঞ্জনা
উজ্জল, অভিনেতা
অঞ্জনা দীর্ঘদিন যাবৎ চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত। যাঁরা এখন পরিণত অবস্থানে আছি, তাঁদের মধ্যে অঞ্জনা ছিলেন অন্যতম। অঞ্জনা শুধু নায়িকা নন, বিশেষায়িত নৃত্যশিল্পীদের একজন ছিলেন। সেখান থেকেই চলচ্চিত্রে আসেন তিনি। তখন সিনেমায় মানুষের মন জয় করা কঠিন কাজ ছিল। সেই কঠিন কাজটি অঞ্জনা করেছেন। অনেক জনপ্রিয় সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন। দর্শকের সামনে তাঁর প্রতিভার জানান দিয়েছেন। আমাদের মধ্যে কখনো জেলাসি ছিল না, ভালো কাজ করার প্রতিযোগিতা ছিল। তাঁর চলে যাওয়াটা চলচ্চিত্রের জন্য বিরাট ক্ষতি। তাঁর কাজের মাধ্যমেই বেঁচে থাকবেন তিনি। আর মানুষ হিসেবে খুব সহজ-সরল ছিলেন। সবার সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক ছিল। তাঁর জন্য অনেক দোয়া। যেখানেই থাকেন তিনি যেন ভালো থাকেন।

একই ওস্তাদের কাছে আমরা ক্ল্যাসিকাল শিখতাম
সাবিনা ইয়াসমীন, সংগীতশিল্পী
অঞ্জনা যে এত তাড়াতাড়ি আমাদের ছেড়ে চলে যাবে একটুও বুঝতে পারিনি। ওকে কোনো দিন অসুস্থ দেখিনি, শরীর খারাপ দেখিনি, ওষুধ খেতে দেখিনি। আমরা অনেক ছোটবেলার বান্ধবী। ৬-৭ বছর বয়স থেকেই আমাদের বন্ধুত্ব। একই ওস্তাদের কাছে আমরা ক্ল্যাসিকাল শিখতাম। বড় হওয়ার পরেও দেশের বাইরে কোনো অনুষ্ঠানে গেলে একসঙ্গে রুম শেয়ার করেছি। একসঙ্গে ঘোরাফেরা করেছি। একেবারে অভিন্ন হৃদয়ের বন্ধু ছিলাম আমরা। ওর আত্মা যেন চিরশান্তিতে থাকে, এটাই চাই।

মনে দুঃখ থাকলেও সব সময় হাসিমুখে থাকতেন
রোজিনা, অভিনেত্রী
অঞ্জনাদি খুব ডিফারেন্ট একজন শিল্পী ছিলেন। এত ভালো মনের মানুষ ছিলেন, হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন সব সময়। ওনার সঙ্গে অনেক সিনেমায় কাজ করেছি, আউটডোর শুটিংয়ে গিয়েছি একসঙ্গে। অনেক স্মৃতি তাঁর সঙ্গে আমার। একটি স্মৃতি খু্ব মনে পড়ছে। রাজ্জাক ভাইয়ের প্রোডাকশন ও পরিচালনায় ‘অভিযান’ সিনেমার শুটিংয়ে প্রায় এক মাস বড় জাহাজে ছিলাম। সারাক্ষণ সুখ-দুঃখের কথা হতো আমাদের। অভিনয়জীবনের বাইরেও আমাদের ব্যক্তিগত অনেক বিষয় থাকে। অনেক চাওয়া থাকে, অপূর্ণতা থাকে, মান-অভিমান থাকে, দুঃখ থাকে। এসব নিয়েও তাঁর সঙ্গে কথা হতো। মনের মধ্যে দুঃখ থাকলেও মানুষের সামনে এলে সব সময় হাসিমুখে থাকতেন। তাঁর সঙ্গে সিনিয়র-জুনিয়র সবার ভালো সম্পর্ক ছিল। অঞ্জনাদির চলে যাওয়া আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে শূন্যতা তৈরি করল। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর যে কাজ রয়ে গেল, সেই কাজের মাঝেই বেঁচে থাকবেন তিনি।

সবাই বলত আমি আর অঞ্জনা দুই বোন
নূতন, অভিনেত্রী
অঞ্জনা যেখানে যেত সব জায়গায় হাসিখুশি থাকত। কারও সঙ্গে কখনো খারাপ ব্যবহার সে করেনি। অঞ্জনার সঙ্গে আমার হাজারটা স্মৃতি রয়েছে। কত মজা করেছি আমরা। ব্যক্তি অঞ্জনা খুব ভালো মানুষ ছিল। একেবারে বাচ্চাদের মতো ছিল। সবাই বলত, আমি আর অঞ্জনা দুই বোন। আমার সেই বোন চলে গেল। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। কী এমন হলো যে হঠাৎ করে অঞ্জনা আমাদের ছেড়ে চলে গেল!

আমরা শিল্পী হারিয়েছি, আর পৃথিবী একজন ভালো মানুষ হারিয়েছে
মিশা সওদাগর, অভিনেতা
অঞ্জনা আপা ছিলেন পুরোপুরি স্পোর্টসওম্যান, একজন ভালো মানুষ। উনি ছিলেন ডাউন টু আর্থ। শাবানা আপা থেকে শুরু করে একেবারে জুনিয়র শিল্পীদের সঙ্গেও একই রকম ব্যবহার করতেন। তাঁর কাছে কোনো ভেদাভেদ ছিল না। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তাঁর বিরাট অবদান। তিন শর মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। আমরা শিল্পী হারিয়েছি আর পৃথিবী একজন ভালো মানুষকে হারিয়েছে।

অঞ্জনা আপার চলে যাওয়া মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে
শাবনূর, অভিনেত্রী
প্রিয় অঞ্জনা আপার এভাবে চলে যাওয়া মেনে নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে। তিন শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করা গুণী এই শিল্পীর অকাল মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে আমার জন্মদিনে, আমাদের দুজনের একসঙ্গে তোলা কিছু ছবি দিয়ে উইশ করে তিনি ফেসবুকে পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘শুভ জন্মদিন।’ আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত, শীর্ষস্থানীয় এক মহাতারকা তিনি।

অঞ্জনার বড় গুণ ছিল কৃতজ্ঞতা জানানোর ক্ষমতা
মতিন রহমান, পরিচালক
অঞ্জনার সবচেয়ে বড় গুণ ছিল কৃতজ্ঞতা জানানোর ক্ষমতা। সাধারণত কোনো শিল্পীর মধ্যে এই গুণটি আমি অন্তত খুঁজে পাই না। একজন শিল্পী যখন সাফল্যের শিখরে পৌঁছে যায়, তার যখন চারদিকে সম্মান বেড়ে যায়, তখন সেই শিল্পী পেছনের কথা মনে রাখে না। নিজেকে প্রকাশ করতেই ব্যস্ত থাকে। অঞ্জনা ছিল ব্যতিক্রম। সব সময় সে পেছনের কথা বলত। কে তার জন্য কতটুকু করেছে, সেটা সব সময় স্মরণ করত। সে ছিল অসম্ভব মেধাবী, সরল ও পরিশ্রমী শিল্পী। তাঁর বিদেহী আত্মার পরম শান্তি কামনা করি।
একনজরে অঞ্জনা
জন্ম: ২৭ জুন ১৯৬৫, ঢাকা।
অভিনয় শুরু: ১৯৭৬ সালে, বাবুল চৌধুরীর ‘সেতু’ সিনেমা দিয়ে।
প্রথম নায়ক: সোহেল রানা।
মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা: শামসুদ্দিন টগরের ‘দস্যু বনহুর’।
পরিচিতি পান: আজিজুর রহমানের ‘অশিক্ষিত’ সিনেমার মাধ্যমে।
আলোচিত সিনেমা: ‘মাটির মায়া’, ‘অশিক্ষিত’, ‘চোখের মণি’, ‘সুখের সংসার’, ‘জিঞ্জির’, ‘অংশীদার’, ‘আনারকলি’, ‘বিচারপতি’, ‘অভিযান’, ‘মহান’, ‘রাজার রাজা’, ‘বিস্ফোরণ’, ‘ফুলেশ্বরী’, ‘রাম রহিম জন’, ‘নাগিনা’, ‘পরিণীতা’ ইত্যাদি।
উল্লেখযোগ্য অর্জন: বাংলাদেশ ছাড়াও অভিনয় করেছেন ৯টি দেশের ১৩টি ভাষার সিনেমায়।
জাতীয় পুরস্কার: দুইবার। ‘পরিণীতা’ ও ‘গাঙচিল’ সিনেমার জন্য।
মৃত্যু: ৪ জানুয়ারি ২০২৫, ঢাকা।

বলিউডের রণবীর সিং অভিনীত নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর’ ভারতের ব্যাপক ব্যবসা করছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ২০০ কোটি রুপি আয় করেছে। তবে ছবিটি মধ্যপ্রাচ্যে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে। ‘পাকিস্তান-বিরোধী থিম’-এর অভিযোগ এনে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছবিটির মুক্তি আটকে দেওয়া হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালীন ‘ইউরোভিশন সং সং কনটেস্টে’ ইসরায়েলের অব্যাহত অংশগ্রহণের প্রতিবাদে ট্রফি ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন ২০২৪ সালের ইউরোভিশন বিজয়ী নেমো। গত বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন সুইজারল্যান্ডের এই শিল্পী।
১৫ ঘণ্টা আগে
অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও নজরকাড়া উপস্থিতি রয়েছে অভিনেত্রী জয়া আহসান ও রুনা খানের। বিভিন্ন ফটোশুটের ছবি নিজেদের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন তাঁরা। এসব ছবি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্যও দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্প্রতি দুই অভিনেত্রীর ফটোশুট নিয়ে সমালোচনা করলেন আরেক অভিনেত্রী...
২১ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব সিনেমার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে সৌদি আরব। সারা বছর সেখানে সিনেমাকেন্দ্রিক নানা আয়োজন চলে। সৌদির সবচেয়ে বড় আয়োজন রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এ উৎসবের পঞ্চম আসর। আজ শেষ হবে এই আয়োজন। শেষ হওয়ার আগেই গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষণা করা হয়েছে...
২১ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

বলিউডের রণবীর সিং অভিনীত নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর’ ভারতের ব্যাপক ব্যবসা করছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ২০০ কোটি রুপি আয় করেছে। তবে ছবিটি মধ্যপ্রাচ্যে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে। ‘পাকিস্তান-বিরোধী থিম’-এর অভিযোগ এনে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছবিটির মুক্তি আটকে দেওয়া হয়েছে।
বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদন অনুযায়ী, উপসাগরীয় দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ ‘ধুরন্ধর’-এর পাকিস্তান-বিরোধী বিষয়বস্তু নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। হিন্দি চলচ্চিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার হওয়া সত্ত্বেও, ছবিটি সেখানে মুক্তির অনুমতি পায়নি।
একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, এই আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল, কারণ ছবিটি ‘পাকিস্তান-বিরোধী চলচ্চিত্র’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সূত্রটি আরও জানায়, এর আগে এই অঞ্চলে এমন চলচ্চিত্র মুক্তির অনুমতি পায়নি। তবুও ‘ধুরন্ধর’-এর দল চেষ্টা করেছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সব দেশই ছবিটির থিম অনুমোদন করেনি। এই কারণেই উপসাগরীয় দেশগুলোতে ‘ধুরন্ধর’ মুক্তি পায়নি।
নির্মাতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দাবি করছে, ‘ধুরন্ধর’ একটি স্পাই থ্রিলার, যার পটভূমি পাকিস্তানে। ছবিটির গল্প হামজা আলি মাজারি নামে এক রহস্যময় ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত, যিনি লিয়ারি অঞ্চলের রহমান ডাকাতের গ্যাংয়ে অনুপ্রবেশ করেন। ছবিতে রণবীর সিং ছাড়াও অক্ষয় খান্না, অর্জুন রামপাল, আর. মাধবন এবং সারা অর্জুন মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।
বক্স অফিসে ছবিটি বিপুল সাফল্য পেয়েছে। ইন্ডাস্ট্রি ট্র্যাকার Sacnilk-এর রিপোর্ট অনুসারে, ‘ধুরন্ধর’ সম্প্রতি ভারতে ২০০ কোটির মাইলফলক অতিক্রম করেছে এবং বিশ্বব্যাপী মোট ২৭৪ দশমিক ২৫ কোটি রুপি সংগ্রহ করেছে।
ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা পেলেও, চলচ্চিত্র সমালোচকদের কাছ থেকে এটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। এর মধ্যে ছবিটির রিভিউ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি, ফিল্ম ক্রিটিকস গিল্ড ছবিটির সমালোচনা করার জন্য চলচ্চিত্র সমালোচকদের ওপর ‘হামলা, হয়রানি এবং ঘৃণা’ ছড়ানোর তীব্র নিন্দা করেছে। তাদের অফিসিয়াল বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মতভেদের শুরু দ্রুত ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং সমালোচকদের পেশাদার সততাকে হেয় করার সংগঠিত প্রচেষ্টায় পরিণত হয়েছে।

বলিউডের রণবীর সিং অভিনীত নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর’ ভারতের ব্যাপক ব্যবসা করছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ২০০ কোটি রুপি আয় করেছে। তবে ছবিটি মধ্যপ্রাচ্যে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে। ‘পাকিস্তান-বিরোধী থিম’-এর অভিযোগ এনে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছবিটির মুক্তি আটকে দেওয়া হয়েছে।
বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদন অনুযায়ী, উপসাগরীয় দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ ‘ধুরন্ধর’-এর পাকিস্তান-বিরোধী বিষয়বস্তু নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। হিন্দি চলচ্চিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার হওয়া সত্ত্বেও, ছবিটি সেখানে মুক্তির অনুমতি পায়নি।
একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, এই আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল, কারণ ছবিটি ‘পাকিস্তান-বিরোধী চলচ্চিত্র’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সূত্রটি আরও জানায়, এর আগে এই অঞ্চলে এমন চলচ্চিত্র মুক্তির অনুমতি পায়নি। তবুও ‘ধুরন্ধর’-এর দল চেষ্টা করেছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সব দেশই ছবিটির থিম অনুমোদন করেনি। এই কারণেই উপসাগরীয় দেশগুলোতে ‘ধুরন্ধর’ মুক্তি পায়নি।
নির্মাতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দাবি করছে, ‘ধুরন্ধর’ একটি স্পাই থ্রিলার, যার পটভূমি পাকিস্তানে। ছবিটির গল্প হামজা আলি মাজারি নামে এক রহস্যময় ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত, যিনি লিয়ারি অঞ্চলের রহমান ডাকাতের গ্যাংয়ে অনুপ্রবেশ করেন। ছবিতে রণবীর সিং ছাড়াও অক্ষয় খান্না, অর্জুন রামপাল, আর. মাধবন এবং সারা অর্জুন মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।
বক্স অফিসে ছবিটি বিপুল সাফল্য পেয়েছে। ইন্ডাস্ট্রি ট্র্যাকার Sacnilk-এর রিপোর্ট অনুসারে, ‘ধুরন্ধর’ সম্প্রতি ভারতে ২০০ কোটির মাইলফলক অতিক্রম করেছে এবং বিশ্বব্যাপী মোট ২৭৪ দশমিক ২৫ কোটি রুপি সংগ্রহ করেছে।
ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা পেলেও, চলচ্চিত্র সমালোচকদের কাছ থেকে এটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। এর মধ্যে ছবিটির রিভিউ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি, ফিল্ম ক্রিটিকস গিল্ড ছবিটির সমালোচনা করার জন্য চলচ্চিত্র সমালোচকদের ওপর ‘হামলা, হয়রানি এবং ঘৃণা’ ছড়ানোর তীব্র নিন্দা করেছে। তাদের অফিসিয়াল বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মতভেদের শুরু দ্রুত ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং সমালোচকদের পেশাদার সততাকে হেয় করার সংগঠিত প্রচেষ্টায় পরিণত হয়েছে।

ভক্ত-প্রিয়জনদের কান্নায় ভাসিয়ে চলে গেলেন অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান। দুই সপ্তাহ আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অবস্থার অবনতি ঘটলে বাড়ি থেকে হাসপাতালের বিছানা, সিসিইউ, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট...কোনোভাবেই রাখা গেল না তাঁকে।
০৫ জানুয়ারি ২০২৫
গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালীন ‘ইউরোভিশন সং সং কনটেস্টে’ ইসরায়েলের অব্যাহত অংশগ্রহণের প্রতিবাদে ট্রফি ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন ২০২৪ সালের ইউরোভিশন বিজয়ী নেমো। গত বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন সুইজারল্যান্ডের এই শিল্পী।
১৫ ঘণ্টা আগে
অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও নজরকাড়া উপস্থিতি রয়েছে অভিনেত্রী জয়া আহসান ও রুনা খানের। বিভিন্ন ফটোশুটের ছবি নিজেদের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন তাঁরা। এসব ছবি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্যও দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্প্রতি দুই অভিনেত্রীর ফটোশুট নিয়ে সমালোচনা করলেন আরেক অভিনেত্রী...
২১ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব সিনেমার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে সৌদি আরব। সারা বছর সেখানে সিনেমাকেন্দ্রিক নানা আয়োজন চলে। সৌদির সবচেয়ে বড় আয়োজন রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এ উৎসবের পঞ্চম আসর। আজ শেষ হবে এই আয়োজন। শেষ হওয়ার আগেই গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষণা করা হয়েছে...
২১ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালীন ‘ইউরোভিশন সং সং কনটেস্টে’ ইসরায়েলের অব্যাহত অংশগ্রহণের প্রতিবাদে ট্রফি ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন ২০২৪ সালের ইউরোভিশন বিজয়ী নেমো। গত বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন সুইজারল্যান্ডের এই শিল্পী।
‘দ্য কোড’ নামে একটি ড্রাম-অ্যান্ড-বেস, অপেরা, র্যাপ এবং রক গান গেয়ে ২০২৪ সালের এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন নন-বাইনারি গায়ক নেমো। তিনি বলেন, ইসরায়েলের অব্যাহত অংশগ্রহণ এই প্রতিযোগিতার অন্তর্ভুক্তি এবং সব মানুষের জন্য মর্যাদার আদর্শের পরিপন্থী।
ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে নেমো বলেন, ‘ইউরোভিশন দাবি করে যে তারা ঐক্য, অন্তর্ভুক্তি এবং সব মানুষের মর্যাদার পক্ষে দাঁড়ায়। আর এই মূল্যবোধগুলোই এই প্রতিযোগিতাটিকে আমার কাছে এত অর্থবহ করে তোলে।’
নেমো আরও বলেন, ‘কিন্তু জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক কমিশন অব ইনকোয়ারি (অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডসহ পূর্ব জেরুজালেম এবং ইসরায়েল সম্পর্কিত) গণহত্যা বলে উপসংহারে পৌঁছেছে। সেই সময় ইসরায়েলের অব্যাহত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে এই আদর্শ এবং ইবিইউ-এর সিদ্ধান্তের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট সংঘাত রয়েছে।’
ইসরায়েল অবশ্য গণহত্যার সমস্ত অভিযোগ বারবার প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তারা দাবি করে, তারা আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান করছে এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা থেকে হামাসের নেতৃত্বাধীন আন্তসীমান্ত হামলার পর নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকার তাদের রয়েছে।
নেমোর এই মন্তব্য ইউরোভিশনের আয়োজক ইউরোপীয় ব্রডকাস্টিং ইউনিয়ন (ইবিইউ)-এর বিরুদ্ধে চলমান প্রতিবাদের সর্বশেষ সংযোজন। ইসরায়েলকে আগামী বছর অস্ট্রিয়াতে অনুষ্ঠেয় ইভেন্টে অংশ নেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়ায় ইতিমধ্যেই পাঁচটি দেশ প্রতিযোগিতা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতার পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতির প্রতিবাদে নেমোর আগে স্পেন, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড এবং স্লোভেনিয়া ইউরোভিশন ২০২৩ প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। গত বুধবার আইসল্যান্ডের সরকারি সম্প্রচার সংস্থা আরইউভি জানিয়েছে, তারা ২০২৬ সালের ইউরোভিশন সং সং কনটেস্টে অংশ নেবে না।
নেমো বলেন, দেশগুলো যখন প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসে, তখন স্পষ্টতই বোঝা যায় যে কোথাও বড় কোনো সমস্যা রয়েছে। তিনি ইউরোভিশন ট্রফিটি জেনেভায় ইবিইউ-এর সদর দপ্তরে ফেরত পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন।
প্রায় ১৬ কোটি দর্শক দেখে থাকেন ইউরোভিশন সং সং কনটেন্ট। এমন একটি প্রতিযোগিতার আয়োজক ইবিইউ-এর উদ্দেশে নেমোর স্পষ্ট বার্তা হলো: ‘আপনারা যা দাবি করেন, তা বাস্তবে মেনে চলুন। মঞ্চে আমরা যে মূল্যবোধগুলো উদ্যাপন করি, যদি মঞ্চের বাইরে তা না থাকে, তবে সবচেয়ে সুন্দর গানগুলোও অর্থহীন হয়ে যায়। আমি সেই মুহূর্তের অপেক্ষায় আছি যখন কথা ও কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য আসবে। তত দিন পর্যন্ত এই ট্রফিটি আপনাদের।’

গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালীন ‘ইউরোভিশন সং সং কনটেস্টে’ ইসরায়েলের অব্যাহত অংশগ্রহণের প্রতিবাদে ট্রফি ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন ২০২৪ সালের ইউরোভিশন বিজয়ী নেমো। গত বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন সুইজারল্যান্ডের এই শিল্পী।
‘দ্য কোড’ নামে একটি ড্রাম-অ্যান্ড-বেস, অপেরা, র্যাপ এবং রক গান গেয়ে ২০২৪ সালের এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন নন-বাইনারি গায়ক নেমো। তিনি বলেন, ইসরায়েলের অব্যাহত অংশগ্রহণ এই প্রতিযোগিতার অন্তর্ভুক্তি এবং সব মানুষের জন্য মর্যাদার আদর্শের পরিপন্থী।
ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে নেমো বলেন, ‘ইউরোভিশন দাবি করে যে তারা ঐক্য, অন্তর্ভুক্তি এবং সব মানুষের মর্যাদার পক্ষে দাঁড়ায়। আর এই মূল্যবোধগুলোই এই প্রতিযোগিতাটিকে আমার কাছে এত অর্থবহ করে তোলে।’
নেমো আরও বলেন, ‘কিন্তু জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক কমিশন অব ইনকোয়ারি (অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডসহ পূর্ব জেরুজালেম এবং ইসরায়েল সম্পর্কিত) গণহত্যা বলে উপসংহারে পৌঁছেছে। সেই সময় ইসরায়েলের অব্যাহত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে এই আদর্শ এবং ইবিইউ-এর সিদ্ধান্তের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট সংঘাত রয়েছে।’
ইসরায়েল অবশ্য গণহত্যার সমস্ত অভিযোগ বারবার প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তারা দাবি করে, তারা আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান করছে এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা থেকে হামাসের নেতৃত্বাধীন আন্তসীমান্ত হামলার পর নিজেদের আত্মরক্ষার অধিকার তাদের রয়েছে।
নেমোর এই মন্তব্য ইউরোভিশনের আয়োজক ইউরোপীয় ব্রডকাস্টিং ইউনিয়ন (ইবিইউ)-এর বিরুদ্ধে চলমান প্রতিবাদের সর্বশেষ সংযোজন। ইসরায়েলকে আগামী বছর অস্ট্রিয়াতে অনুষ্ঠেয় ইভেন্টে অংশ নেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়ায় ইতিমধ্যেই পাঁচটি দেশ প্রতিযোগিতা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতার পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতির প্রতিবাদে নেমোর আগে স্পেন, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড এবং স্লোভেনিয়া ইউরোভিশন ২০২৩ প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। গত বুধবার আইসল্যান্ডের সরকারি সম্প্রচার সংস্থা আরইউভি জানিয়েছে, তারা ২০২৬ সালের ইউরোভিশন সং সং কনটেস্টে অংশ নেবে না।
নেমো বলেন, দেশগুলো যখন প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসে, তখন স্পষ্টতই বোঝা যায় যে কোথাও বড় কোনো সমস্যা রয়েছে। তিনি ইউরোভিশন ট্রফিটি জেনেভায় ইবিইউ-এর সদর দপ্তরে ফেরত পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন।
প্রায় ১৬ কোটি দর্শক দেখে থাকেন ইউরোভিশন সং সং কনটেন্ট। এমন একটি প্রতিযোগিতার আয়োজক ইবিইউ-এর উদ্দেশে নেমোর স্পষ্ট বার্তা হলো: ‘আপনারা যা দাবি করেন, তা বাস্তবে মেনে চলুন। মঞ্চে আমরা যে মূল্যবোধগুলো উদ্যাপন করি, যদি মঞ্চের বাইরে তা না থাকে, তবে সবচেয়ে সুন্দর গানগুলোও অর্থহীন হয়ে যায়। আমি সেই মুহূর্তের অপেক্ষায় আছি যখন কথা ও কাজের মধ্যে সামঞ্জস্য আসবে। তত দিন পর্যন্ত এই ট্রফিটি আপনাদের।’

ভক্ত-প্রিয়জনদের কান্নায় ভাসিয়ে চলে গেলেন অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান। দুই সপ্তাহ আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অবস্থার অবনতি ঘটলে বাড়ি থেকে হাসপাতালের বিছানা, সিসিইউ, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট...কোনোভাবেই রাখা গেল না তাঁকে।
০৫ জানুয়ারি ২০২৫
বলিউডের রণবীর সিং অভিনীত নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর’ ভারতের ব্যাপক ব্যবসা করছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ২০০ কোটি রুপি আয় করেছে। তবে ছবিটি মধ্যপ্রাচ্যে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে। ‘পাকিস্তান-বিরোধী থিম’-এর অভিযোগ এনে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছবিটির মুক্তি আটকে দেওয়া হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও নজরকাড়া উপস্থিতি রয়েছে অভিনেত্রী জয়া আহসান ও রুনা খানের। বিভিন্ন ফটোশুটের ছবি নিজেদের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন তাঁরা। এসব ছবি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্যও দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্প্রতি দুই অভিনেত্রীর ফটোশুট নিয়ে সমালোচনা করলেন আরেক অভিনেত্রী...
২১ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব সিনেমার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে সৌদি আরব। সারা বছর সেখানে সিনেমাকেন্দ্রিক নানা আয়োজন চলে। সৌদির সবচেয়ে বড় আয়োজন রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এ উৎসবের পঞ্চম আসর। আজ শেষ হবে এই আয়োজন। শেষ হওয়ার আগেই গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষণা করা হয়েছে...
২১ ঘণ্টা আগেবিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও নজরকাড়া উপস্থিতি রয়েছে অভিনেত্রী জয়া আহসান ও রুনা খানের। বিভিন্ন ফটোশুটের ছবি নিজেদের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন তাঁরা। এসব ছবি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্যও দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্প্রতি দুই অভিনেত্রীর ফটোশুট নিয়ে সমালোচনা করলেন আরেক অভিনেত্রী ফারজানা চুমকি।
কয়েক দিন আগে মনজু আহমেদের একটি ইউটিউব অনুষ্ঠানে অতিথি হয়েছিলেন চুমকি। সেখানে জয়া ও রুনার ফটোশুট নিয়ে ফারজানা চুমকি বলেন, জয়া আহসান ও রুনা খানের কিছু ফটোশুট দেখলে মনে হয় এগুলো তাঁরা না করলেও পারতেন। এরপর চুমকির সেই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কেউ কেউ তাঁর সঙ্গে একমত পোষণ করলেও অনেকে করছেন সমালোচনা। সহকর্মীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করা ঠিক হয়নি বলে মত দিয়েছেন তাঁরা।
যেভাবে ঘটনা শুরু
১৯৯৯ সালে লাক্স আনন্দধারা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছিলেন ফারজানা চুমকি। এরপর নিয়মিত ফটোশুট করতেন তিনি। প্রায় এক যুগের বেশি হয়েছে, ফটোশুটে সময় দেননি তিনি। অনুষ্ঠানে চুমকি জানান, ওজন বেড়ে যাওয়ায় ফটোশুট করা হয়নি তাঁর। তবে নতুন করে আবার ফটোশুটে সময় দিতে চান তিনি। সেই সময় উপস্থাপক জানতে চান, রুনা খান ওজন কমিয়ে ফটোশুট করছেন, তাহলে তিনি কেন পারেননি? জবাবে ফারজানা চুমকি বলেন, ‘রুনা খান অনেক ডেডিকেটেড ছিল। অনেক চেষ্টার পর ও পেরেছে। আমার হয়তো ওই চেষ্টাটা ছিল না। রুনা খানের টার্গেট ছিল সে শুকাবে, ফটোশুট করবে, হট হট ফটোশুট করছে। আমার মাথায় এই চিন্তাটাই নেই। এ ছাড়া আমার বয়স হয়েছে, ছেলে বড় হয়েছে।’
তিনিও রুনা খানের মতো হট ফটোশুট করবেন কি না, জানতে চাইলে চুমকি জানান, এমনটা করলে তিনি অনেক আগেই সিনেমায় অভিনয় করতেন। চুমকি বলেন, ‘ফটোসুন্দরী হওয়ার পর অনেক সিনেমার অফার এসেছে। কিন্তু ওই সময় সিনেমার অবস্থা একটু দুস্থ ছিল বা ভালগার টাইপের। প্রথমত, আমাকে বাসা থেকে দেয়নি, আমারও মনে হয়েছে ওই ধরনের কাজ আমি করতে পারব না।’
রুনা খানকে নিয়ে জেলাস কি না, জানতে চাইলে চুমকি বলেন, ‘রুনার সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। ও ওর জায়গা থেকে কাজ করছে। জেলাস হব কেন? তবে মাঝে মাঝে কিছু ফটোশুট দেখে মনে হয় দরকার কী? না করলেও পারত। রুনা অনেক ভালো অভিনেত্রী। ওর এভাবে ফটোশুট না করলেও হতো।’
এর পরেই জয়া আহসানের ফটোশুট নিয়ে মন্তব্য করেন চুমকি। তিনি বলেন, ‘জয়া আপার কিছু হট ছবি মনে হয় অসম্ভব ভালো। আবার কিছু ছবি দেখলে মনে হয় ভালো লাগছে না। কারণ, জয়া আপাকে আমি শুরুতে যখন দেখেছি, একটি সেফটিপিন যাতে সরে গিয়ে পেট না দেখা যায়—এতটা সচেতন থাকতেন। ওভাবে দেখে অভ্যস্ত।
এ জন্য হঠাৎ করে আমাদের ধাক্কা লাগে। আর কিছু না।’
চুমকির বক্তব্য
সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার বিষয়টি নজর এড়ায়নি চুমকির। তাই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ফেসবুকে চুমকি লেখেন, ‘আমি কাউকে নিয়ে এভাবে কথা বলি নাই। জয়া আপা আমার ভীষণ পছন্দের একজন অভিনেত্রী। রুনা আমার ছোট বোনের মতো। ওর অভিনয়ের ভক্ত আমি। কাউকে আমি ছোট করে কথা বলি নাই। আপনারা কেন এই ভাবে লিখেন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’

অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও নজরকাড়া উপস্থিতি রয়েছে অভিনেত্রী জয়া আহসান ও রুনা খানের। বিভিন্ন ফটোশুটের ছবি নিজেদের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন তাঁরা। এসব ছবি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্যও দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্প্রতি দুই অভিনেত্রীর ফটোশুট নিয়ে সমালোচনা করলেন আরেক অভিনেত্রী ফারজানা চুমকি।
কয়েক দিন আগে মনজু আহমেদের একটি ইউটিউব অনুষ্ঠানে অতিথি হয়েছিলেন চুমকি। সেখানে জয়া ও রুনার ফটোশুট নিয়ে ফারজানা চুমকি বলেন, জয়া আহসান ও রুনা খানের কিছু ফটোশুট দেখলে মনে হয় এগুলো তাঁরা না করলেও পারতেন। এরপর চুমকির সেই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কেউ কেউ তাঁর সঙ্গে একমত পোষণ করলেও অনেকে করছেন সমালোচনা। সহকর্মীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করা ঠিক হয়নি বলে মত দিয়েছেন তাঁরা।
যেভাবে ঘটনা শুরু
১৯৯৯ সালে লাক্স আনন্দধারা ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছিলেন ফারজানা চুমকি। এরপর নিয়মিত ফটোশুট করতেন তিনি। প্রায় এক যুগের বেশি হয়েছে, ফটোশুটে সময় দেননি তিনি। অনুষ্ঠানে চুমকি জানান, ওজন বেড়ে যাওয়ায় ফটোশুট করা হয়নি তাঁর। তবে নতুন করে আবার ফটোশুটে সময় দিতে চান তিনি। সেই সময় উপস্থাপক জানতে চান, রুনা খান ওজন কমিয়ে ফটোশুট করছেন, তাহলে তিনি কেন পারেননি? জবাবে ফারজানা চুমকি বলেন, ‘রুনা খান অনেক ডেডিকেটেড ছিল। অনেক চেষ্টার পর ও পেরেছে। আমার হয়তো ওই চেষ্টাটা ছিল না। রুনা খানের টার্গেট ছিল সে শুকাবে, ফটোশুট করবে, হট হট ফটোশুট করছে। আমার মাথায় এই চিন্তাটাই নেই। এ ছাড়া আমার বয়স হয়েছে, ছেলে বড় হয়েছে।’
তিনিও রুনা খানের মতো হট ফটোশুট করবেন কি না, জানতে চাইলে চুমকি জানান, এমনটা করলে তিনি অনেক আগেই সিনেমায় অভিনয় করতেন। চুমকি বলেন, ‘ফটোসুন্দরী হওয়ার পর অনেক সিনেমার অফার এসেছে। কিন্তু ওই সময় সিনেমার অবস্থা একটু দুস্থ ছিল বা ভালগার টাইপের। প্রথমত, আমাকে বাসা থেকে দেয়নি, আমারও মনে হয়েছে ওই ধরনের কাজ আমি করতে পারব না।’
রুনা খানকে নিয়ে জেলাস কি না, জানতে চাইলে চুমকি বলেন, ‘রুনার সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। ও ওর জায়গা থেকে কাজ করছে। জেলাস হব কেন? তবে মাঝে মাঝে কিছু ফটোশুট দেখে মনে হয় দরকার কী? না করলেও পারত। রুনা অনেক ভালো অভিনেত্রী। ওর এভাবে ফটোশুট না করলেও হতো।’
এর পরেই জয়া আহসানের ফটোশুট নিয়ে মন্তব্য করেন চুমকি। তিনি বলেন, ‘জয়া আপার কিছু হট ছবি মনে হয় অসম্ভব ভালো। আবার কিছু ছবি দেখলে মনে হয় ভালো লাগছে না। কারণ, জয়া আপাকে আমি শুরুতে যখন দেখেছি, একটি সেফটিপিন যাতে সরে গিয়ে পেট না দেখা যায়—এতটা সচেতন থাকতেন। ওভাবে দেখে অভ্যস্ত।
এ জন্য হঠাৎ করে আমাদের ধাক্কা লাগে। আর কিছু না।’
চুমকির বক্তব্য
সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার বিষয়টি নজর এড়ায়নি চুমকির। তাই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ফেসবুকে চুমকি লেখেন, ‘আমি কাউকে নিয়ে এভাবে কথা বলি নাই। জয়া আপা আমার ভীষণ পছন্দের একজন অভিনেত্রী। রুনা আমার ছোট বোনের মতো। ওর অভিনয়ের ভক্ত আমি। কাউকে আমি ছোট করে কথা বলি নাই। আপনারা কেন এই ভাবে লিখেন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’

ভক্ত-প্রিয়জনদের কান্নায় ভাসিয়ে চলে গেলেন অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান। দুই সপ্তাহ আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অবস্থার অবনতি ঘটলে বাড়ি থেকে হাসপাতালের বিছানা, সিসিইউ, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট...কোনোভাবেই রাখা গেল না তাঁকে।
০৫ জানুয়ারি ২০২৫
বলিউডের রণবীর সিং অভিনীত নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর’ ভারতের ব্যাপক ব্যবসা করছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ২০০ কোটি রুপি আয় করেছে। তবে ছবিটি মধ্যপ্রাচ্যে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে। ‘পাকিস্তান-বিরোধী থিম’-এর অভিযোগ এনে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছবিটির মুক্তি আটকে দেওয়া হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালীন ‘ইউরোভিশন সং সং কনটেস্টে’ ইসরায়েলের অব্যাহত অংশগ্রহণের প্রতিবাদে ট্রফি ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন ২০২৪ সালের ইউরোভিশন বিজয়ী নেমো। গত বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন সুইজারল্যান্ডের এই শিল্পী।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব সিনেমার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে সৌদি আরব। সারা বছর সেখানে সিনেমাকেন্দ্রিক নানা আয়োজন চলে। সৌদির সবচেয়ে বড় আয়োজন রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এ উৎসবের পঞ্চম আসর। আজ শেষ হবে এই আয়োজন। শেষ হওয়ার আগেই গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষণা করা হয়েছে...
২১ ঘণ্টা আগেবিনোদন ডেস্ক

বিশ্ব সিনেমার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে সৌদি আরব। সারা বছর সেখানে সিনেমাকেন্দ্রিক নানা আয়োজন চলে। সৌদির সবচেয়ে বড় আয়োজন রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এ উৎসবের পঞ্চম আসর। আজ শেষ হবে এই আয়োজন। শেষ হওয়ার আগেই গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষণা করা হয়েছে এবারের উৎসবে বিজয়ীদের নাম। এবার রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান ‘গোল্ডেন ইউসর’ জিতে নিয়েছে রোহিঙ্গা ভাষার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘লস্ট ল্যান্ড’। ক্রেস্টের পাশাপাশি পুরস্কার হিসেবে এই সিনেমাটি পেয়েছে ১ লাখ ডলার প্রাইজমানি।
‘ইউনান’ সিনেমার জন্য সেরা নির্মাতা নির্বাচিত হয়েছেন সিরিয়ার নির্মাতা আমির ফখের এলদিন। এই সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন জর্জ খাব্বাজ। সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন সিও সু-বিন, তিনি সেরা হয়েছেন ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অব লাভ’ সিনেমার জন্য।
লস্ট ল্যান্ড সিনেমার গল্প লেখা হয়েছে মিয়ানমারে পালিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া দুই শিশুকে ঘিরে। ৯ বছর বয়সী সামিরা চার বছর বয়সী ভাই শফিকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় থাকা চাচাদের কাছে পৌঁছানোর উদ্দশে যাত্রা শুরু করে। তাদের এই দুঃসহ যাত্রাপথের গল্প নিয়ে সিনেমা। এ বছর ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের হরাইজনস বিভাগে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারে বিশেষ জুরি পুরস্কার পেয়েছিল লস্ট ল্যান্ড।
পুরস্কার ঘোষণা অনুষ্ঠানের শুরুতে অ্যান্থনি হপকিন্স, ইদ্রিস এলবা, ড্যারেন অ্যারোনোফস্কি এবং সৌদি নির্মাতা আহদ কামেলকে সম্মাননা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনি ডেপ, সালমান খান, শাইলিন উডলির মতো তারকারা।
এবার রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জুরি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ছিলেন অস্কারজয়ী হলিউড নির্মাতা শন বেকার। তাঁর সঙ্গে জুরি বোর্ডে ছিলেন রিজ আহমেদ, নাওমি হ্যারিস, ওলগা কুরিলেঙ্কো ও নাদিন লাবাকি। পুরস্কার দেওয়ার সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জুরি বোর্ডের সদস্যরা।
নির্বাচিত সেরাদের তালিকা
সিনেমা
লস্ট ল্যান্ড (আকিও ফুজিমোতো)
জুরি পুরস্কার
হিজরা (শাহাদ আমিন)
পরিচালক
আমির ফখের এলদিন (ইউনান)
চিত্রনাট্য
সিরিল অ্যারিস ও বেন ফাকিহ (আ স্যাড অ্যান্ড বিউটিফুল ওয়ার্ল্ড)
অভিনেতা
জর্জ খাব্বাজ (ইউনান)
অভিনেত্রী
সিও সু-বিন (দ্য ওয়ার্ল্ড অব লাভ)
সেরা তথ্যচিত্র
ইন-আই ইন মোশন (জুলিয়েট বিনোচে)
সৌদি চলচ্চিত্র
হিজরা (শাহাদ আমিন)
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
কোয়োটস (সাইদ জাঘা)

বিশ্ব সিনেমার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে সৌদি আরব। সারা বছর সেখানে সিনেমাকেন্দ্রিক নানা আয়োজন চলে। সৌদির সবচেয়ে বড় আয়োজন রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এ উৎসবের পঞ্চম আসর। আজ শেষ হবে এই আয়োজন। শেষ হওয়ার আগেই গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষণা করা হয়েছে এবারের উৎসবে বিজয়ীদের নাম। এবার রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান ‘গোল্ডেন ইউসর’ জিতে নিয়েছে রোহিঙ্গা ভাষার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘লস্ট ল্যান্ড’। ক্রেস্টের পাশাপাশি পুরস্কার হিসেবে এই সিনেমাটি পেয়েছে ১ লাখ ডলার প্রাইজমানি।
‘ইউনান’ সিনেমার জন্য সেরা নির্মাতা নির্বাচিত হয়েছেন সিরিয়ার নির্মাতা আমির ফখের এলদিন। এই সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন জর্জ খাব্বাজ। সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন সিও সু-বিন, তিনি সেরা হয়েছেন ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অব লাভ’ সিনেমার জন্য।
লস্ট ল্যান্ড সিনেমার গল্প লেখা হয়েছে মিয়ানমারে পালিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া দুই শিশুকে ঘিরে। ৯ বছর বয়সী সামিরা চার বছর বয়সী ভাই শফিকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় থাকা চাচাদের কাছে পৌঁছানোর উদ্দশে যাত্রা শুরু করে। তাদের এই দুঃসহ যাত্রাপথের গল্প নিয়ে সিনেমা। এ বছর ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের হরাইজনস বিভাগে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারে বিশেষ জুরি পুরস্কার পেয়েছিল লস্ট ল্যান্ড।
পুরস্কার ঘোষণা অনুষ্ঠানের শুরুতে অ্যান্থনি হপকিন্স, ইদ্রিস এলবা, ড্যারেন অ্যারোনোফস্কি এবং সৌদি নির্মাতা আহদ কামেলকে সম্মাননা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনি ডেপ, সালমান খান, শাইলিন উডলির মতো তারকারা।
এবার রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জুরি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ছিলেন অস্কারজয়ী হলিউড নির্মাতা শন বেকার। তাঁর সঙ্গে জুরি বোর্ডে ছিলেন রিজ আহমেদ, নাওমি হ্যারিস, ওলগা কুরিলেঙ্কো ও নাদিন লাবাকি। পুরস্কার দেওয়ার সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জুরি বোর্ডের সদস্যরা।
নির্বাচিত সেরাদের তালিকা
সিনেমা
লস্ট ল্যান্ড (আকিও ফুজিমোতো)
জুরি পুরস্কার
হিজরা (শাহাদ আমিন)
পরিচালক
আমির ফখের এলদিন (ইউনান)
চিত্রনাট্য
সিরিল অ্যারিস ও বেন ফাকিহ (আ স্যাড অ্যান্ড বিউটিফুল ওয়ার্ল্ড)
অভিনেতা
জর্জ খাব্বাজ (ইউনান)
অভিনেত্রী
সিও সু-বিন (দ্য ওয়ার্ল্ড অব লাভ)
সেরা তথ্যচিত্র
ইন-আই ইন মোশন (জুলিয়েট বিনোচে)
সৌদি চলচ্চিত্র
হিজরা (শাহাদ আমিন)
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
কোয়োটস (সাইদ জাঘা)

ভক্ত-প্রিয়জনদের কান্নায় ভাসিয়ে চলে গেলেন অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান। দুই সপ্তাহ আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অবস্থার অবনতি ঘটলে বাড়ি থেকে হাসপাতালের বিছানা, সিসিইউ, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট...কোনোভাবেই রাখা গেল না তাঁকে।
০৫ জানুয়ারি ২০২৫
বলিউডের রণবীর সিং অভিনীত নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর’ ভারতের ব্যাপক ব্যবসা করছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ২০০ কোটি রুপি আয় করেছে। তবে ছবিটি মধ্যপ্রাচ্যে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে। ‘পাকিস্তান-বিরোধী থিম’-এর অভিযোগ এনে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছবিটির মুক্তি আটকে দেওয়া হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালীন ‘ইউরোভিশন সং সং কনটেস্টে’ ইসরায়েলের অব্যাহত অংশগ্রহণের প্রতিবাদে ট্রফি ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন ২০২৪ সালের ইউরোভিশন বিজয়ী নেমো। গত বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন সুইজারল্যান্ডের এই শিল্পী।
১৫ ঘণ্টা আগে
অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও নজরকাড়া উপস্থিতি রয়েছে অভিনেত্রী জয়া আহসান ও রুনা খানের। বিভিন্ন ফটোশুটের ছবি নিজেদের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন তাঁরা। এসব ছবি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্যও দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্প্রতি দুই অভিনেত্রীর ফটোশুট নিয়ে সমালোচনা করলেন আরেক অভিনেত্রী...
২১ ঘণ্টা আগে