বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময় গানে-কবিতায় সরব থাকেন সংগীতশিল্পী ফারজানা ওয়াহিদ সায়ান। রাজপথেও থাকেন সামনের সারিতে। জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানেও সোচ্চার ছিলেন তিনি। সে সময় আলোচিত হয়েছিল তাঁর ‘ভয় বাংলায়’ গানটি। ছাত্র-জনতার পক্ষে নেমেছিলেন রাস্তায়। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে এবার তিনি গানে গানে বাঁধলেন জুলাইয়ের গল্প। ১৫ জুলাই ফারজানা ওয়াহিদ সায়ানের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়েছে ‘আমি জুলাই-এর গল্প বলবো বন্ধু’ শিরোনামের গান। কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন সায়ান। সংগীতায়োজন করেছেন শফিকুজ্জামান শাওন। গানের অ্যানিমেশন ভিডিও বানিয়েছেন সুরঞ্জিত কুমার রক্ষিত।
নতুন এই গান নিয়ে ফারজানা ওয়াহিদ সায়ান বলেন, ‘২০২৪-এর জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া ৩৬ দিনের এক অপূর্ব, অসামান্য, অপরূপ ও ভয়ংকর রক্তঝরা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের ঘাড়ে অশুভ দৈত্যের মতো চেপে বসা এক স্বৈরশক্তির পতন ঘটে। এই লড়াই ছিল স্বৈর-দুঃশাসনের বিরুদ্ধে। এই মাটিতে প্রায় দেড় দশক ধরে বিচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকা হাজারো লড়াই-সংগ্রাম শেষে একতাবদ্ধ জনতার এক অভূতপূর্ব বিজয়, এবং ক্ষমতালোভী শাসকগোষ্ঠীর নির্মম পরাজয় নিরস্ত্র জনতার কাছে।’
আমি জুলাই-এর গল্প বলবো বন্ধু গানটি সায়ান নিবেদন করেছেন প্রতিরোধে বিশ্বাস করা সব সংগ্রামী মানুষকে। সায়ান বলেন, ‘এই গান মানুষের বিজয়ের সেই জুলাইয়ের গল্প। এই গান উৎসর্গ করি পৃথিবীর সব মাটিতে আন্দোলন-সংগ্রামরত সব লড়াকু প্রাণকে, যারা আস্থা রাখে মানুষের প্রতিরোধের শক্তিতে। যারা নিপীড়ক ও যেকোনো শক্তির দাম্ভিক দমনপ্রবণতার বিপরীতে প্রাণ দিতে হলেও কোনোমতেই এই বিশ্বাস থেকে নড়ে না যে, একদিন মানুষের জয় হবে। আমি মাটি ও মানুষের শক্তিতে বিশ্বাস করি। এই গান নিবেদন করি প্রতিরোধে বিশ্বাস করা সব মানুষকে, যারা আগামী দিনের লড়াই লড়বে তুমুল উদ্যমে।’

অন্যায়ের বিরুদ্ধে সব সময় গানে-কবিতায় সরব থাকেন সংগীতশিল্পী ফারজানা ওয়াহিদ সায়ান। রাজপথেও থাকেন সামনের সারিতে। জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানেও সোচ্চার ছিলেন তিনি। সে সময় আলোচিত হয়েছিল তাঁর ‘ভয় বাংলায়’ গানটি। ছাত্র-জনতার পক্ষে নেমেছিলেন রাস্তায়। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে এবার তিনি গানে গানে বাঁধলেন জুলাইয়ের গল্প। ১৫ জুলাই ফারজানা ওয়াহিদ সায়ানের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়েছে ‘আমি জুলাই-এর গল্প বলবো বন্ধু’ শিরোনামের গান। কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন সায়ান। সংগীতায়োজন করেছেন শফিকুজ্জামান শাওন। গানের অ্যানিমেশন ভিডিও বানিয়েছেন সুরঞ্জিত কুমার রক্ষিত।
নতুন এই গান নিয়ে ফারজানা ওয়াহিদ সায়ান বলেন, ‘২০২৪-এর জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া ৩৬ দিনের এক অপূর্ব, অসামান্য, অপরূপ ও ভয়ংকর রক্তঝরা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের ঘাড়ে অশুভ দৈত্যের মতো চেপে বসা এক স্বৈরশক্তির পতন ঘটে। এই লড়াই ছিল স্বৈর-দুঃশাসনের বিরুদ্ধে। এই মাটিতে প্রায় দেড় দশক ধরে বিচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকা হাজারো লড়াই-সংগ্রাম শেষে একতাবদ্ধ জনতার এক অভূতপূর্ব বিজয়, এবং ক্ষমতালোভী শাসকগোষ্ঠীর নির্মম পরাজয় নিরস্ত্র জনতার কাছে।’
আমি জুলাই-এর গল্প বলবো বন্ধু গানটি সায়ান নিবেদন করেছেন প্রতিরোধে বিশ্বাস করা সব সংগ্রামী মানুষকে। সায়ান বলেন, ‘এই গান মানুষের বিজয়ের সেই জুলাইয়ের গল্প। এই গান উৎসর্গ করি পৃথিবীর সব মাটিতে আন্দোলন-সংগ্রামরত সব লড়াকু প্রাণকে, যারা আস্থা রাখে মানুষের প্রতিরোধের শক্তিতে। যারা নিপীড়ক ও যেকোনো শক্তির দাম্ভিক দমনপ্রবণতার বিপরীতে প্রাণ দিতে হলেও কোনোমতেই এই বিশ্বাস থেকে নড়ে না যে, একদিন মানুষের জয় হবে। আমি মাটি ও মানুষের শক্তিতে বিশ্বাস করি। এই গান নিবেদন করি প্রতিরোধে বিশ্বাস করা সব মানুষকে, যারা আগামী দিনের লড়াই লড়বে তুমুল উদ্যমে।’

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১২ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৩ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১৩ ঘণ্টা আগে