
পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে শেষ হলো ১১তম ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ ও সম্পাদনার মাধ্যমে ওপেন ডোর, শর্ট ফিল্ম, ভার্টিক্যাল ফিল্ম এবং এক মিনিটের সিনেমা নির্মাতাদের ‘এই একাদশ এই মিলনমেলা’ বসেছিল ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব) ক্যাম্পাসে।
এ বছর ২৮টি দেশ থেকে মোট ১১৭টি চলচ্চিত্র জমা পড়ে, যার মধ্যে ২৭টি চলচ্চিত্র অফিশিয়ালি নির্বাচিত হয়। চারটি ক্যাটাগরি থেকে চারটি চলচ্চিত্র বিজয়ী হিসেবে পুরস্কার লাভ করে। ওপেন ডোর ক্যাটাগরিতে ইরানের সাইদ মোলতাজির ‘মেসেজ’, ভার্টিক্যাল ফিল্ম ক্যাটাগরিতে যুক্তরাষ্ট্রের এম সি জনেটের ‘লিম্বাস’, শর্ট ফিল্ম ক্যাটাগরিতে যুক্তরাষ্ট্রের আবির ভাস্করের ‘ওয়ান্ডারিং মাইন্ডস’ এবং ইউএনএইচসিআর মোবাইল ফিল্ম মেকিং ওয়ার্কশপ থেকে ‘দ্য স্টেটলেস’কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
২৩ ফেব্রুয়ারি সীমান্ত সম্ভারের স্টার সিনেপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত সমাপনী আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। তিনি বলেন, ‘এই উৎসবের অংশ হতে পেরে আমি দারুণ আনন্দিত। ডিআইএমএফএফ ১১ বছর ধরে দারুণভাবে এগিয়ে চলেছে এবং এখন এটি একটি সুপরিচিত উৎসব। আমি আশা করি, ভবিষ্যতে এটি আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।’
পুরস্কার বিতরণ শেষে এই বছরের নির্বাচিত ১৩টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনী শেষে উৎসবের বিচারক নির্মাতা তানিম রহমান অংশু চলচ্চিত্রগুলোর বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, ‘শুধু মোবাইল ফোন ব্যবহার করে কোনো উন্নত আলোকসজ্জা বা প্রযুক্তিগত সহায়তা ছাড়াই এত চমৎকার চলচ্চিত্র তৈরি করা সত্যিই বিস্ময়কর।’

এবার ঈদ উপলক্ষে তৈরি দুটি গানে পাওয়া গেছে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের কোলাবোরেশন। একটি গানে বাংলাদেশের বেলাল খানের সুরে গেয়েছেন নচিকেতা চক্রবর্তী। আরেকটি গানে কলকাতার আকাশ সেনের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডের ডলবি থিয়েটারে ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের (অস্কার) জমকালো আসরে সম্মানিত হলেন চলচ্চিত্র জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্ররা। এবারের আসরে সেরা ছবির পুরস্কার জিতেছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা অভিনয়ের শীর্ষ সম্মাননা জিতেছেন ‘হ্যামনেট’-এর জেসি বাকলি এবং ‘সিনার্স’-এর মাইকেল বি জর্ডান।
৭ ঘণ্টা আগে
ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার সিনেমার নেপথ্যের মানুষটি পল থমাস অ্যান্ডারসন। গত বছরের পুরোটা সময় জুড়ে যাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বাস, উত্তেজনা, উন্মাদনা ছিল চলচ্চিত্র দুনিয়ায়। ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদারের মতো একটি ‘অন্যরকম’ সিনেমা বানিয়ে যিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে যারা সোনালি ট্রফিটি হাতে তুলতে পারেননি, তাঁদেরও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে না। বরং মনোনীত প্রত্যেক তারকার জন্য অপেক্ষা করছে ৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার সমমূল্যের এক অবিশ্বাস্য ‘গিফট ব্যাগ’, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ টাকার সমান। এভরিওয়ান উইনস (সবাই জয়ী) শিরোনামের..
৮ ঘণ্টা আগে