Ajker Patrika

আটকের পরও ফিলিস্তিনের পক্ষে অবিচল হানা আইনবাইন্ডার

বিনোদন ডেস্ক
আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ০১
আটকের পরও ফিলিস্তিনের পক্ষে অবিচল হানা আইনবাইন্ডার
নেতানিয়াহুর ভাষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভে অভিনেত্রী হানা আইনবাইন্ডার । ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালে নিউইয়র্কে আটক হন অস্কারজয়ী বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সুসান সারান্ডন এবং ‘হ্যাকস’ সিরিজখ্যাত অভিনেত্রী হানা আইনবাইন্ডার। প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে কিছুটা দূরে ফার্স্ট অ্যাভিনিউতে ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে মানবাধিকার সংগঠন জিউইশ ভয়েস ফর পিস। ‘ইসরায়েলকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করো’, ‘বোমা নয়, মানুষের পেছনে অর্থ খরচ করো’ এবং ‘গণহত্যা থামাও’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে সড়কে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। সড়ক ছাড়ার নির্দেশ অমান্য করায় পুলিশ সুসান সারান্ডন, হানা আইনবাইন্ডারসহ শতাধিক বিক্ষোভকারীর হাত প্লাস্টিক জিপ টাই দিয়ে বেঁধে ভ্যানে তোলে।

পুলিশি হেফাজত থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দীর্ঘ বিবৃতি দেন অভিনেত্রী ও কমেডিয়ান হানা আইনবাইন্ডার। তিনি লেখেন, ‘নেতানিয়াহুর এই কলঙ্কিত নিউইয়র্ক সফরের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে আমার এবং আমার বন্ধুদের আটক হওয়ার দৃশ্য যদি কারও নজর কাড়ে, তবে তা যেন ফিলিস্তিন ও দক্ষিণ লেবাননের মানুষের ওপর ইসরায়েলের চালানো নারকীয় গণহত্যার দিকেই যায়। সেখানে বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, বসতবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং ঘুমন্ত মানুষের ওপর বোমা ফেলার মতো অপরাধ প্রতিদিন ঘটছে; অথচ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তা কার্যত কোনো গুরুত্ব পায় না।’

যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে হানা আরও লেখেন, ‘মার্কিন সরকারের ক্ষমতা রয়েছে এই হত্যাযজ্ঞ, লুটতরাজ আর ভূমি দখলের অবসান ঘটানোর। অথচ তা না করে তারা এই কসাইকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে। রক্তপাতের মূল কারিগর আমাদের শহরের বুকে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা মূলত রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক পার্টির রাজনৈতিক ব্যর্থতাকে তুলে ধরে। কারণ, তারা নেতানিয়াহুর মতো গণহত্যার মূল নকশাকারদের সুরক্ষা ও সহায়তা দিচ্ছে। আমাদের এই নাটকীয় গ্রেপ্তারকে মূল ঘটনা ভাবলে চলবে না। মূল খবর হলো এই গণহত্যা, যা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।’

এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নেতানিয়াহুর ভাষণ চলাকালে সভাকক্ষ থেকে একযোগে ওয়াকআউট করেন বহু দেশের প্রতিনিধি। নেতানিয়াহু তাঁর ভাষণে বিক্ষোভকারীদের আক্রমণ করে তাঁদের ‘ভণ্ড মানবাধিকারকর্মী’ বলে মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যের পর নিউইয়র্কের রাজপথে নেমে বিক্ষোভ মিছিল করেন হাজারো মানুষ।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত