
তামিল অভিনেতা কমল হাসান ‘উলগানায়াগান’ বা ‘লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বা বিশ্বনেতা–এর মতো খেতাবে সম্বোধিত হতে চান না। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছেন অভিনেতা। তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টের দীর্ঘ এক পোস্টে ইংরেজি ও তামিল ভাষায় এর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন।
অভিনেতা পোস্টে উল্লেখ করেন, যদিও তিনি এই ধরনের উপাধির পেছনের ভালোবাসা ও সম্মানকে গভীরভাবে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে নেন, তবে তাঁর বিশ্বাস, একজন শিল্পীকে কখনই তাঁর শিল্পের চেয়ে বড় করে দেখা উচিত নয়।
ওই পোস্টে অভিনেতা উল্লেখ করেন, তিনি সিনেমার ছাত্র হিসেবে ক্রমাগত শেখার ও উন্নতি করার চেষ্টা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, সিনেমা একটি যৌথ সৃজনশীলতা যা অগণিত শিল্পী, কারিগরি শিল্পী এবং দর্শকদের অবদানে গঠিত।
কমল হাসান তাঁর পছন্দের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি চান তাঁকে শুধু কমল হাসান বা কেএইচ নামে ডাকা হোক। তাঁর ভক্ত, মিডিয়া, সহকর্মী এবং রাজনৈতিক অনুসারীদের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন, তাঁরা যেন অভিনেতার এই ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন।

প্রবীণ এই অভিনেতা স্পষ্ট করেছেন, এই সিদ্ধান্ত কাজে আরও মনোযোগী থাকার চেষ্টা। বছরের পর বছর ধরে তাঁকে অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা দেওয়ার জন্য ভক্তদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
পোস্টে এ-ও বলেছেন, ‘উলগানায়াগান’সহ অন্যান্য ভালোবাসার খেতাবের জন্য সব সময় গভীর কৃতজ্ঞতা অনুভব করেছি। জনসাধারণ এবং সম্মানিত সহকর্মী ও ভক্তদের দেওয়া এই ধরনের প্রশংসা সব সময় আমাকে বিনয়ী করেছে। তাঁদের ভালোবাসা আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছে।’
অভিনেতা আরও যুক্ত করেন, সিনেমা শিল্প কোনো একক ব্যক্তির ঊর্ধ্বে, আমি কেবল এই শিল্পের একজন ছাত্র। সব সময় নিজেকে মেলে ধরতে, আরও শিখতে এবং নিজের বিকাশ ঘটাতে চাই। সিনেমা অন্যান্য সৃজনশীল কাজের মতোই। অগণিত শিল্পী, কারিগরি শিল্পী এবং দর্শকদের সহযোগিতার মধ্য দিয়ে মানবতার বৈচিত্র্যময়, সমৃদ্ধ এবং ক্রমবর্ধমান গল্পের সত্যিকারের প্রতিফলনই হলো সিনেমা।

অভিনেতা পোস্টে বলেন, ‘এটি আমার বিশ্বাস যে, শিল্পীকে কখনো শিল্পের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত নয়। আমি নিজের অসম্পূর্ণতা ও উন্নতির জন্য আমার কর্তব্য সম্পর্কে সব সময় সচেতন থাকতে চাই, সে জন্য অনেক চিন্তা–ভাবনা করার পর সব ধরনের উপাধি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ সর্বসাধারণের মধ্যে একজন হয়ে থাকার আকাঙ্ক্ষা কথা বলেছেন কমল হাসান।
এর আগে অভিনেতা অজিত কুমারও ভক্তদের ‘থালা’ (কর্তা) উপাধির পরিবর্তে তাঁকে শুধু ‘একে’ অথবা অজিত কুমার বলে সম্বোধন করার অনুরোধ করেছেন।
মণি রত্নম পরিচালিত ‘থাগ লাইফ’ সিনেমায় দেখা যাবে কমল হাসানকে। এ ছাড়া পরিচালক অন্বরিভু এবং এইচ বিনোদের সঙ্গেও কাজ করার কথা রয়েছে তাঁর।

তামিল অভিনেতা কমল হাসান ‘উলগানায়াগান’ বা ‘লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বা বিশ্বনেতা–এর মতো খেতাবে সম্বোধিত হতে চান না। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছেন অভিনেতা। তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টের দীর্ঘ এক পোস্টে ইংরেজি ও তামিল ভাষায় এর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন।
অভিনেতা পোস্টে উল্লেখ করেন, যদিও তিনি এই ধরনের উপাধির পেছনের ভালোবাসা ও সম্মানকে গভীরভাবে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে নেন, তবে তাঁর বিশ্বাস, একজন শিল্পীকে কখনই তাঁর শিল্পের চেয়ে বড় করে দেখা উচিত নয়।
ওই পোস্টে অভিনেতা উল্লেখ করেন, তিনি সিনেমার ছাত্র হিসেবে ক্রমাগত শেখার ও উন্নতি করার চেষ্টা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, সিনেমা একটি যৌথ সৃজনশীলতা যা অগণিত শিল্পী, কারিগরি শিল্পী এবং দর্শকদের অবদানে গঠিত।
কমল হাসান তাঁর পছন্দের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি চান তাঁকে শুধু কমল হাসান বা কেএইচ নামে ডাকা হোক। তাঁর ভক্ত, মিডিয়া, সহকর্মী এবং রাজনৈতিক অনুসারীদের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন, তাঁরা যেন অভিনেতার এই ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন।

প্রবীণ এই অভিনেতা স্পষ্ট করেছেন, এই সিদ্ধান্ত কাজে আরও মনোযোগী থাকার চেষ্টা। বছরের পর বছর ধরে তাঁকে অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা দেওয়ার জন্য ভক্তদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
পোস্টে এ-ও বলেছেন, ‘উলগানায়াগান’সহ অন্যান্য ভালোবাসার খেতাবের জন্য সব সময় গভীর কৃতজ্ঞতা অনুভব করেছি। জনসাধারণ এবং সম্মানিত সহকর্মী ও ভক্তদের দেওয়া এই ধরনের প্রশংসা সব সময় আমাকে বিনয়ী করেছে। তাঁদের ভালোবাসা আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছে।’
অভিনেতা আরও যুক্ত করেন, সিনেমা শিল্প কোনো একক ব্যক্তির ঊর্ধ্বে, আমি কেবল এই শিল্পের একজন ছাত্র। সব সময় নিজেকে মেলে ধরতে, আরও শিখতে এবং নিজের বিকাশ ঘটাতে চাই। সিনেমা অন্যান্য সৃজনশীল কাজের মতোই। অগণিত শিল্পী, কারিগরি শিল্পী এবং দর্শকদের সহযোগিতার মধ্য দিয়ে মানবতার বৈচিত্র্যময়, সমৃদ্ধ এবং ক্রমবর্ধমান গল্পের সত্যিকারের প্রতিফলনই হলো সিনেমা।

অভিনেতা পোস্টে বলেন, ‘এটি আমার বিশ্বাস যে, শিল্পীকে কখনো শিল্পের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত নয়। আমি নিজের অসম্পূর্ণতা ও উন্নতির জন্য আমার কর্তব্য সম্পর্কে সব সময় সচেতন থাকতে চাই, সে জন্য অনেক চিন্তা–ভাবনা করার পর সব ধরনের উপাধি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ সর্বসাধারণের মধ্যে একজন হয়ে থাকার আকাঙ্ক্ষা কথা বলেছেন কমল হাসান।
এর আগে অভিনেতা অজিত কুমারও ভক্তদের ‘থালা’ (কর্তা) উপাধির পরিবর্তে তাঁকে শুধু ‘একে’ অথবা অজিত কুমার বলে সম্বোধন করার অনুরোধ করেছেন।
মণি রত্নম পরিচালিত ‘থাগ লাইফ’ সিনেমায় দেখা যাবে কমল হাসানকে। এ ছাড়া পরিচালক অন্বরিভু এবং এইচ বিনোদের সঙ্গেও কাজ করার কথা রয়েছে তাঁর।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৩২ মিনিট আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৪০ মিনিট আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১ ঘণ্টা আগে