আহনাফ তাহমিদ, জবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ২০২২ সালের ৩ জানুয়ারি রফিক ভবনের নিচতলায় কেন্দ্রীয় মেডিকেল সেন্টারের পাশে তিনটি কক্ষে চালু করা হয়েছিল কাউন্সেলিং সেন্টার। তবে এত বছরেও সেন্টারটিতে কোনো বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বন্ধ আছে সেন্টারটির বাজেটও। ফলে কোনো রকমে চলছে সেন্টারের কার্যক্রম।
জানা যায়, শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক নিয়ে হতাশা, অবসাদগ্রস্ততা, পরীক্ষা-ভীতি দূর করতে কাউন্সেলিং সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। গত দুই বছরে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে মানসিক সেবা দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ না থাকায় মনোবিজ্ঞান বিভাগের ইন্টার্ন শিক্ষার্থীদের দিয়ে কেবল প্রাথমিক সেবা দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কাউন্সেলিং সেন্টারে দুজন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব সিন্ডিকেটে পাস হয়েছে। এরপর ইউজিসির অনুমোদনের জন্য নথি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দপ্তরে জমা দেন সেন্টারের আহ্বায়ক। কিন্তু সেই নথি রেজিস্ট্রারের দপ্তরে চাপা পড়ে আছে।
সূত্রমতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে কাউন্সেলিং সেন্টারটি চালু হওয়ার পর থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় খরচের খাত থেকে প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা করে বরাদ্দ পেত। কিন্তু গত বছরের নভেম্বর থেকে এ বরাদ্দও বন্ধ আছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কাউন্সেলিং সেন্টারটির যা যা সমস্যা আছে সব শুনেছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও গ্রহণ করব।’
সম্প্রতি সেন্টারে গিয়ে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টায় পর্যন্ত কোনো কাউন্সেলিং সেবাদাতার দেখা মেলেনি। শুধু একজন অফিস কর্মচারী বসে ছিলেন।
কাউন্সেলিং সেন্টারের তথ্যমতে, গত দুই বছরে যেসব শিক্ষার্থী সেবা নিতে এসেছেন, তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশ হতাশায়, ২৩ শতাংশ মানসিক অবসাদে, ১৮ শতাংশ প্রেমঘটিত সমস্যায় ভুগছিলেন।
সেন্টারের আহ্বায়ক অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ বলেন, প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে হতাশা, পরীক্ষা-ভীতি, বন্ধুদের দ্বারা বুলিংয়ের শিকার হয়ে সেবা নিতে আসে বেশি। অনেক দিন এসব কষ্ট জমে জমে কিছু শিক্ষার্থী আত্মহত্যার সিদ্ধান্তের দিকে ঝুঁকে যায়।
ইন্টার্ন কাউন্সিলর মাহাফুজ বলেন, ‘সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে নানা ধরনের মানসিক সমস্যার লক্ষণ পেয়েছি। সমস্যার ধরন চিহ্নিত করে একাধিক সেশনে কাউন্সেলিং দেওয়া হয়। আবার কাউকে আমরা উন্নত কাউন্সেলিংয়ের জন্যও রেফার করে থাকি।’
সেবাগ্রহীতা ফারিয়া আফরিন বলেন, ‘আমি সেবা নিতে গিয়েছিলাম। একজন নারী ইন্টার্ন আমাকে সেবা দিয়েছিলেন। দুটি সেশন দেওয়ার কথা ছিল। প্রথম সেশন ভালো গিয়েছিল; কিন্তু পরের সেশনের জন্য আর কল করেনি।’
বিশেষজ্ঞ নিয়োগের বিষয়ে অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ বলেন, দুজন বিশেষজ্ঞ নিয়োগের প্রস্তাব সিন্ডিকেটে পাস হয়েছে। কিন্তু ফাইলটা রেজিস্ট্রার দপ্তরেই আটকা। উপাচার্যের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘উপাচার্য মহোদয় আমাদের সময় দিয়েছেন। তিনি বাজেট পুনরায় চালু করার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।’
রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি তো নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। ফাইলটির খোঁজ নিচ্ছি।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ২০২২ সালের ৩ জানুয়ারি রফিক ভবনের নিচতলায় কেন্দ্রীয় মেডিকেল সেন্টারের পাশে তিনটি কক্ষে চালু করা হয়েছিল কাউন্সেলিং সেন্টার। তবে এত বছরেও সেন্টারটিতে কোনো বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বন্ধ আছে সেন্টারটির বাজেটও। ফলে কোনো রকমে চলছে সেন্টারের কার্যক্রম।
জানা যায়, শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক নিয়ে হতাশা, অবসাদগ্রস্ততা, পরীক্ষা-ভীতি দূর করতে কাউন্সেলিং সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। গত দুই বছরে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে মানসিক সেবা দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ না থাকায় মনোবিজ্ঞান বিভাগের ইন্টার্ন শিক্ষার্থীদের দিয়ে কেবল প্রাথমিক সেবা দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, কাউন্সেলিং সেন্টারে দুজন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব সিন্ডিকেটে পাস হয়েছে। এরপর ইউজিসির অনুমোদনের জন্য নথি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দপ্তরে জমা দেন সেন্টারের আহ্বায়ক। কিন্তু সেই নথি রেজিস্ট্রারের দপ্তরে চাপা পড়ে আছে।
সূত্রমতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে কাউন্সেলিং সেন্টারটি চালু হওয়ার পর থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় খরচের খাত থেকে প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা করে বরাদ্দ পেত। কিন্তু গত বছরের নভেম্বর থেকে এ বরাদ্দও বন্ধ আছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কাউন্সেলিং সেন্টারটির যা যা সমস্যা আছে সব শুনেছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও গ্রহণ করব।’
সম্প্রতি সেন্টারে গিয়ে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টায় পর্যন্ত কোনো কাউন্সেলিং সেবাদাতার দেখা মেলেনি। শুধু একজন অফিস কর্মচারী বসে ছিলেন।
কাউন্সেলিং সেন্টারের তথ্যমতে, গত দুই বছরে যেসব শিক্ষার্থী সেবা নিতে এসেছেন, তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশ হতাশায়, ২৩ শতাংশ মানসিক অবসাদে, ১৮ শতাংশ প্রেমঘটিত সমস্যায় ভুগছিলেন।
সেন্টারের আহ্বায়ক অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ বলেন, প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে হতাশা, পরীক্ষা-ভীতি, বন্ধুদের দ্বারা বুলিংয়ের শিকার হয়ে সেবা নিতে আসে বেশি। অনেক দিন এসব কষ্ট জমে জমে কিছু শিক্ষার্থী আত্মহত্যার সিদ্ধান্তের দিকে ঝুঁকে যায়।
ইন্টার্ন কাউন্সিলর মাহাফুজ বলেন, ‘সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে নানা ধরনের মানসিক সমস্যার লক্ষণ পেয়েছি। সমস্যার ধরন চিহ্নিত করে একাধিক সেশনে কাউন্সেলিং দেওয়া হয়। আবার কাউকে আমরা উন্নত কাউন্সেলিংয়ের জন্যও রেফার করে থাকি।’
সেবাগ্রহীতা ফারিয়া আফরিন বলেন, ‘আমি সেবা নিতে গিয়েছিলাম। একজন নারী ইন্টার্ন আমাকে সেবা দিয়েছিলেন। দুটি সেশন দেওয়ার কথা ছিল। প্রথম সেশন ভালো গিয়েছিল; কিন্তু পরের সেশনের জন্য আর কল করেনি।’
বিশেষজ্ঞ নিয়োগের বিষয়ে অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ বলেন, দুজন বিশেষজ্ঞ নিয়োগের প্রস্তাব সিন্ডিকেটে পাস হয়েছে। কিন্তু ফাইলটা রেজিস্ট্রার দপ্তরেই আটকা। উপাচার্যের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘উপাচার্য মহোদয় আমাদের সময় দিয়েছেন। তিনি বাজেট পুনরায় চালু করার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।’
রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি তো নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। ফাইলটির খোঁজ নিচ্ছি।’

পড়ার টেবিলে বসে আছে রাফি। ১০ মিনিট পর দেখা যায় সে বই রেখে মোবাইলে স্ক্রল করছে। আবার দীর্ঘশ্বাস ফেলে বইয়ের দিকে তাকাচ্ছে। আসলে তার পড়ায় মন বসছে না। ‘পড়তে মন চাইছে না’—এ কথাটি আজকাল শিক্ষার্থীদের মুখে প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ‘মন চাইছে না’ কি আসলে মস্তিষ্কের কাজ, নাকি এর পেছনে রয়েছে...
৪ ঘণ্টা আগে
সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার স্বপ্ন দেখা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ২০২৬ সালের বৃত্তির জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
মহাকাশ সব সময়ই সবার কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে মানুষ গিয়ে গবেষণা করে নতুন কিছু আবিষ্কার করছে। পৃথিবীর জীবনকেও আরও উন্নত করতে সাহায্য করছে এই গবেষণা। সম্প্রতি চীনের শেনচৌ-২১ মিশন এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত ‘আইএইউপি’ এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন-২০২৬-এ আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
২ দিন আগে