সোহানুর রহমান, জবি

প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ করা হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেলে ভোট শেষে শুরু হয় গণনা। আজ বুধবার ফলাফল জানা যেতে পারে।
ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ভোট গণনা শুরু হয়। তবে কিছুক্ষণ পরই ওএমআর মেশিনে কারিগরি সমস্যার কথা জানায় নির্বাচন কমিশন। ফলে নির্ধারিত সময়ে ভোট গণনা শুরু হলেও ত্রুটির কারণে আবার বন্ধ হয়ে যায়।
নির্বাচন কমিশনার কানিজ ফাতেমা কাকলি বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ শেষ করেছি। ভোট গণনাও শুরু হয়েছে। এটাও শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে শেষ হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ৩৮টি বিভাগ, ১টি হলসহ ৩৯ কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার প্রায় ৬৫ শতাংশ। এ ছাড়া হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৭ শতাংশ। ভোট গ্রহণ শেষে ভোট গণনার জন্য ব্যালট বাক্সগুলো কেন্দ্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে নেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ভোট গণনা এলইডি মনিটরের মাধ্যমে দেখানোর আয়োজন করা হয়েছে। এ জন্য বাহাদুর শাহ পার্কের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে, বাংলাবাজারের দিকে দ্বিতীয় গেটে এবং শহীদ সাজিদ ভবনের নিচে এলইডি মনিটর বসানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর ২১ বছরে এটাই প্রথম শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদে ১৬ হাজার ৬৪৯ জন ভোটার। এ ছাড়া ২১ পদের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন ১৯০ জন। তবে বিভিন্ন সময়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন ৬ স্বতন্ত্র প্রার্থী।
কেন্দ্রীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চারটি প্যানেল। ছাত্রদল-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, ছাত্রশক্তি-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ এবং বামপন্থী মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেল। প্যানেল ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রয়েছেন।
প্যানেলগুলোর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যালট নম্বরের টোকেন নিয়ে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশের অভিযোগ তোলে ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান। ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব বলেন, একটি নির্দিষ্ট প্যানেল ব্যালট নম্বরের টোকেন নিয়ে বুথে প্রবেশ করলেও শুরুতে তাঁদের প্যানেলকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। প্রমাণ দেখানোর পর কমিশন সবার জন্য অনুমতি দিলেও শুরুতে তাঁদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে বলে দাবি করেন।
এর ১৫ মিনিট পর সংবাদ সম্মেলনে পাল্টা অভিযোগ জানান ছাত্রশিবির-সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ভোট শুরুর পর ছাত্রদলের কর্মীরা মেইন গেটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং ভোটার স্লিপ বিতরণে বাধা দেন। বিভিন্ন কেন্দ্রে ছাত্রদলের পোলিং এজেন্টরা ভোটারদের প্রভাবিত করেছেন এবং নারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিবির-সমর্থিত স্লিপ জোর করে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
বেলা ১১টার দিকে নির্বাচনে অনিয়ম, পোলিং এজেন্টরা নিজ নিজ বুথ থেকে ভোটার স্লিপ বিতরণের অভিযোগ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রশক্তি-সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেল। সংবাদ সম্মেলনে জিএস প্রার্থী মো. ফয়সাল মুরাদ বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভেতরে দুটি বলয় সক্রিয় থেকে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরকে আলাদাভাবে সুবিধা দিচ্ছে, ফলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
এই প্যানেলের ভিপি প্রার্থী কিশোয়ার আনজুম সাম্য অভিযোগ করেন, ছাত্রদল জোর খাটিয়ে পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দিয়েছে এবং আচরণবিধি লঙ্ঘন করে স্লিপ বা তাবিজ বিতরণ করেছে।
শিক্ষক সমিতি ও ইউটিএলের সংবাদ সম্মেলন
এদিকে শিক্ষকদের দুটি সংগঠন শিক্ষক সমিতি ও ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছে। ইউটিএলের সংবাদ সম্মেলনে ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন অভিযোগ করেন, ব্যালট নম্বর ও প্রার্থীদের নামযুক্ত ভোটার স্লিপ নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে হয়নি। এটা আচরণবিধি লঙ্ঘন। এর চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ডের তথ্য তারা কোথায় পেল? এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা সংকটে পড়বে।
শিক্ষক সমিতির সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, নির্বাচনে যে প্যানেল বা প্রার্থী বিজয়ী হবেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাঁকেই গ্রহণ করবেন। সারা দিন বিভিন্ন মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলেছে। তবে শিক্ষক সমিতি সবাইকে সমান চোখে দেখে। যিনি জিতে আসবেন, তিনিই সবার প্রতিনিধি।

প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ করা হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেলে ভোট শেষে শুরু হয় গণনা। আজ বুধবার ফলাফল জানা যেতে পারে।
ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ভোট গণনা শুরু হয়। তবে কিছুক্ষণ পরই ওএমআর মেশিনে কারিগরি সমস্যার কথা জানায় নির্বাচন কমিশন। ফলে নির্ধারিত সময়ে ভোট গণনা শুরু হলেও ত্রুটির কারণে আবার বন্ধ হয়ে যায়।
নির্বাচন কমিশনার কানিজ ফাতেমা কাকলি বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ শেষ করেছি। ভোট গণনাও শুরু হয়েছে। এটাও শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে শেষ হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ৩৮টি বিভাগ, ১টি হলসহ ৩৯ কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার প্রায় ৬৫ শতাংশ। এ ছাড়া হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৭ শতাংশ। ভোট গ্রহণ শেষে ভোট গণনার জন্য ব্যালট বাক্সগুলো কেন্দ্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে নেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ভোট গণনা এলইডি মনিটরের মাধ্যমে দেখানোর আয়োজন করা হয়েছে। এ জন্য বাহাদুর শাহ পার্কের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে, বাংলাবাজারের দিকে দ্বিতীয় গেটে এবং শহীদ সাজিদ ভবনের নিচে এলইডি মনিটর বসানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর ২১ বছরে এটাই প্রথম শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদে ১৬ হাজার ৬৪৯ জন ভোটার। এ ছাড়া ২১ পদের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন ১৯০ জন। তবে বিভিন্ন সময়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন ৬ স্বতন্ত্র প্রার্থী।
কেন্দ্রীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চারটি প্যানেল। ছাত্রদল-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, ছাত্রশক্তি-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ এবং বামপন্থী মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেল। প্যানেল ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রয়েছেন।
প্যানেলগুলোর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যালট নম্বরের টোকেন নিয়ে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশের অভিযোগ তোলে ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান। ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব বলেন, একটি নির্দিষ্ট প্যানেল ব্যালট নম্বরের টোকেন নিয়ে বুথে প্রবেশ করলেও শুরুতে তাঁদের প্যানেলকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। প্রমাণ দেখানোর পর কমিশন সবার জন্য অনুমতি দিলেও শুরুতে তাঁদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে বলে দাবি করেন।
এর ১৫ মিনিট পর সংবাদ সম্মেলনে পাল্টা অভিযোগ জানান ছাত্রশিবির-সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ভোট শুরুর পর ছাত্রদলের কর্মীরা মেইন গেটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং ভোটার স্লিপ বিতরণে বাধা দেন। বিভিন্ন কেন্দ্রে ছাত্রদলের পোলিং এজেন্টরা ভোটারদের প্রভাবিত করেছেন এবং নারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিবির-সমর্থিত স্লিপ জোর করে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
বেলা ১১টার দিকে নির্বাচনে অনিয়ম, পোলিং এজেন্টরা নিজ নিজ বুথ থেকে ভোটার স্লিপ বিতরণের অভিযোগ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রশক্তি-সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেল। সংবাদ সম্মেলনে জিএস প্রার্থী মো. ফয়সাল মুরাদ বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভেতরে দুটি বলয় সক্রিয় থেকে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরকে আলাদাভাবে সুবিধা দিচ্ছে, ফলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
এই প্যানেলের ভিপি প্রার্থী কিশোয়ার আনজুম সাম্য অভিযোগ করেন, ছাত্রদল জোর খাটিয়ে পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দিয়েছে এবং আচরণবিধি লঙ্ঘন করে স্লিপ বা তাবিজ বিতরণ করেছে।
শিক্ষক সমিতি ও ইউটিএলের সংবাদ সম্মেলন
এদিকে শিক্ষকদের দুটি সংগঠন শিক্ষক সমিতি ও ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছে। ইউটিএলের সংবাদ সম্মেলনে ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন অভিযোগ করেন, ব্যালট নম্বর ও প্রার্থীদের নামযুক্ত ভোটার স্লিপ নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে হয়নি। এটা আচরণবিধি লঙ্ঘন। এর চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ডের তথ্য তারা কোথায় পেল? এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা সংকটে পড়বে।
শিক্ষক সমিতির সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, নির্বাচনে যে প্যানেল বা প্রার্থী বিজয়ী হবেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাঁকেই গ্রহণ করবেন। সারা দিন বিভিন্ন মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলেছে। তবে শিক্ষক সমিতি সবাইকে সমান চোখে দেখে। যিনি জিতে আসবেন, তিনিই সবার প্রতিনিধি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি, জিএস, এজিএস প্রার্থীরা স্ব-স্ব পদে জয়লাভ করেছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার...
২ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৮টির ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ৯টা পর্যন্ত প্রকাশিত সর্বশেষ ফলাফল অনুযায়ী শীর্ষ তিন পদেই এগিয়ে রয়েছে ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল।
৫ ঘণ্টা আগে
জানতে চাইলে মোরশেদ আলী বলেন, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে নতুন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিও সুবিধা পাবে। কতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে, সে সিদ্ধান্ত সরকারের। সরকার আর্থিক সক্ষমতা অনুযায়ী ও নীতিমালার আলোকে এমপিওভুক্তির জন্য নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করবে।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগে পরিচালক পদে নিয়োগে পেয়েছেন অধ্যাপক ড. মীর জাহীদা নাজনীন। তিনি এর আগে ‘ঢাকা শহর সন্নিকটবর্তী এলাকার ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের’ পরিচালক ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে