
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে স্প্রিং-২০২১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য অনাড়ম্বরপূর্ণ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গত ১৮ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে এই অনুষ্ঠান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ছিল ছাত্রদের ব্যান্ডের পরিবেশনা এবং জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘হাইওয়ে’-এর বিশেষ কনসার্ট। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর সহিদ আখতার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা। অনুষ্ঠানটির কো-অর্ডিনেটর ছিলেন নাজলা ফাতমি, পরিচালক, অ্যাডমিশন এবং মনিরুল ইসলাম, উপপরিচালক, ওএসএ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বক্তৃতার মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানটি। এরপর, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ছাত্রদের ব্যান্ড মঞ্চে উঠে দর্শকদের মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশন করে।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল ‘হাইওয়ে’ ব্যান্ডের প্রত্যাশিত পরিবেশনা, যাদের সংগীত পরিবেশনায় পুরো দর্শককুল একেবারে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে, যা অনুষ্ঠানটির স্মরণীয় মুহূর্তে পরিণত হয়।
উপাচার্য প্রফেসর সহিদ আখতার হোসেন বক্তব্যে বিদায়ী ছাত্রদের সফলতা কামনা করে এক আবেগপূর্ণ ভাষণ দেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনা জানান। তিনি তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদত্ত অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল আনন্দঘন ও স্মৃতিকাতরতার মিশ্রণ। যেখানে ছাত্র, শিক্ষক এবং অতিথিরা একসঙ্গে বিদায়ী ছাত্রদের একাডেমিক যাত্রার সমাপ্তি উদ্যাপন করেন। পরিবেশনা এবং বক্তৃতাগুলি ছাত্রদের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটানো সময়ের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে স্প্রিং-২০২১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য অনাড়ম্বরপূর্ণ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গত ১৮ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে এই অনুষ্ঠান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ছিল ছাত্রদের ব্যান্ডের পরিবেশনা এবং জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘হাইওয়ে’-এর বিশেষ কনসার্ট। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর সহিদ আখতার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা। অনুষ্ঠানটির কো-অর্ডিনেটর ছিলেন নাজলা ফাতমি, পরিচালক, অ্যাডমিশন এবং মনিরুল ইসলাম, উপপরিচালক, ওএসএ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বক্তৃতার মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানটি। এরপর, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ছাত্রদের ব্যান্ড মঞ্চে উঠে দর্শকদের মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশন করে।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল ‘হাইওয়ে’ ব্যান্ডের প্রত্যাশিত পরিবেশনা, যাদের সংগীত পরিবেশনায় পুরো দর্শককুল একেবারে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে, যা অনুষ্ঠানটির স্মরণীয় মুহূর্তে পরিণত হয়।
উপাচার্য প্রফেসর সহিদ আখতার হোসেন বক্তব্যে বিদায়ী ছাত্রদের সফলতা কামনা করে এক আবেগপূর্ণ ভাষণ দেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনা জানান। তিনি তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদত্ত অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল আনন্দঘন ও স্মৃতিকাতরতার মিশ্রণ। যেখানে ছাত্র, শিক্ষক এবং অতিথিরা একসঙ্গে বিদায়ী ছাত্রদের একাডেমিক যাত্রার সমাপ্তি উদ্যাপন করেন। পরিবেশনা এবং বক্তৃতাগুলি ছাত্রদের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটানো সময়ের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

নগদবিহীন আর্থিক ব্যবস্থার প্রসার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) লিড ব্যাংক হিসেবে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরমা ট্যালেন্ট সেকশনে ‘বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হোয়াট ইফ’ (What If)। সিনেমাটির নির্মাতা তানহা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
৭ ঘণ্টা আগে
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
১০ ঘণ্টা আগে
একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
১৭ ঘণ্টা আগে