মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

দৃকের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী। সেখানে প্রবেশ করতেই হাতের ডানে প্রিন্ট করে রাখা এক বিশাল ছবি। এর বিষয়, পুলিশের ব্যারিকেডে ছাত্র-জনতা। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ঘটনার একটুকরো ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল কাজী আরিফুজ্জামান রোজেলের হাতে।
এ পর্যন্ত দেশ-বিদেশে ৩০টির বেশি প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন রোজেল। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করার পর এখন কাউন্টার ফটো, আ সেন্টার ফর ভিজ্যুয়াল আর্টে দুই বছরের জন্য প্রফেশনাল ফটোগ্রাফির ওপর ডিপ্লোমা করছেন তিনি। পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেই থাকেন।
শখের কার্টুন আঁকা ছেড়ে ফটোগ্রাফি করতে শুরু করেন রোজেল। একসময় মোবাইল ফোন দিয়ে ছবি তুললেও ধীরে ধীরে তিনি ফটোগ্রাফির জন্য সংগ্রহ করেছেন ক্যামেরাসহ অন্যান্য অ্যাকসেসরিজ। রোজেল মূলত লাইফস্টাইল ও কনসেপচুয়াল ফটোগ্রাফি করেন। এ জন্য দেশের ৩০টি জেলা এবং ভারতের ১৩টি রাজ্যে গেছেন ছবি তুলতে।

মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার এক আশ্চর্য গুণ আছে রোজেলের। তবু কিছু জায়গায় ছবি তুলতে গিয়ে বাধার মুখোমুখি হতে হয়। এখন অবশ্য এসব বিষয়ে বেশ দক্ষতা অর্জন করেছেন তিনি। নিজের ছবি তোলার দক্ষতা শাণিয়ে নিতে আলোকচিত্র বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার দিকে ঝুঁকেছেন। করেছেন বিভিন্ন কোর্স। এখন করছেন ফটোগ্রাফির ওপর প্রফেশনাল ডিপ্লোমা; পাশাপাশি করছেন নিজের বিভিন্ন প্রকল্প। এখন সে রকম চারটি প্রকল্প চলমান রয়েছে তাঁর। এর দুটি প্রকল্পের অর্থায়ন করছে একটি বেসরকারি সংস্থা। পাশাপাশি সোলেন্ট ফটো এজেন্সিতে কন্ট্রিবিউটর হিসেবে কাজ করছেন। এ ছাড়া তিনি নিজের আলোকচিত্র বিক্রিও করেন।

ছবি তোলার আগে নির্দিষ্ট জায়গাটির খোঁজখবর করতে সেখানে একাধিক দিন যাতায়াত করেন রোজেল। সেখানকার পরিবেশ ও মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বিভিন্ন বিষয় বোঝার চেষ্টা করেন। তারপর ছবি তোলেন।

রোজেল দেশ-বিদেশ থেকে ৫০টির বেশি পুরস্কার পেয়েছেন। এগুলোর মধ্যে ১৫৮টি দেশের ফটোগ্রাফারদের অংশগ্রহণে ওয়াটার ক্যাটাগরিতে সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড প্রধান। এ পুরস্কার তাঁকে দেশ-বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি এনে দিয়েছে।
পুরো জীবন ছবি তুলে কাটাতে চান রোজেল। এখন পর্যন্ত এটাই তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

দৃকের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী। সেখানে প্রবেশ করতেই হাতের ডানে প্রিন্ট করে রাখা এক বিশাল ছবি। এর বিষয়, পুলিশের ব্যারিকেডে ছাত্র-জনতা। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ঘটনার একটুকরো ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল কাজী আরিফুজ্জামান রোজেলের হাতে।
এ পর্যন্ত দেশ-বিদেশে ৩০টির বেশি প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন রোজেল। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করার পর এখন কাউন্টার ফটো, আ সেন্টার ফর ভিজ্যুয়াল আর্টে দুই বছরের জন্য প্রফেশনাল ফটোগ্রাফির ওপর ডিপ্লোমা করছেন তিনি। পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেই থাকেন।
শখের কার্টুন আঁকা ছেড়ে ফটোগ্রাফি করতে শুরু করেন রোজেল। একসময় মোবাইল ফোন দিয়ে ছবি তুললেও ধীরে ধীরে তিনি ফটোগ্রাফির জন্য সংগ্রহ করেছেন ক্যামেরাসহ অন্যান্য অ্যাকসেসরিজ। রোজেল মূলত লাইফস্টাইল ও কনসেপচুয়াল ফটোগ্রাফি করেন। এ জন্য দেশের ৩০টি জেলা এবং ভারতের ১৩টি রাজ্যে গেছেন ছবি তুলতে।

মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার এক আশ্চর্য গুণ আছে রোজেলের। তবু কিছু জায়গায় ছবি তুলতে গিয়ে বাধার মুখোমুখি হতে হয়। এখন অবশ্য এসব বিষয়ে বেশ দক্ষতা অর্জন করেছেন তিনি। নিজের ছবি তোলার দক্ষতা শাণিয়ে নিতে আলোকচিত্র বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার দিকে ঝুঁকেছেন। করেছেন বিভিন্ন কোর্স। এখন করছেন ফটোগ্রাফির ওপর প্রফেশনাল ডিপ্লোমা; পাশাপাশি করছেন নিজের বিভিন্ন প্রকল্প। এখন সে রকম চারটি প্রকল্প চলমান রয়েছে তাঁর। এর দুটি প্রকল্পের অর্থায়ন করছে একটি বেসরকারি সংস্থা। পাশাপাশি সোলেন্ট ফটো এজেন্সিতে কন্ট্রিবিউটর হিসেবে কাজ করছেন। এ ছাড়া তিনি নিজের আলোকচিত্র বিক্রিও করেন।

ছবি তোলার আগে নির্দিষ্ট জায়গাটির খোঁজখবর করতে সেখানে একাধিক দিন যাতায়াত করেন রোজেল। সেখানকার পরিবেশ ও মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বিভিন্ন বিষয় বোঝার চেষ্টা করেন। তারপর ছবি তোলেন।

রোজেল দেশ-বিদেশ থেকে ৫০টির বেশি পুরস্কার পেয়েছেন। এগুলোর মধ্যে ১৫৮টি দেশের ফটোগ্রাফারদের অংশগ্রহণে ওয়াটার ক্যাটাগরিতে সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড প্রধান। এ পুরস্কার তাঁকে দেশ-বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি এনে দিয়েছে।
পুরো জীবন ছবি তুলে কাটাতে চান রোজেল। এখন পর্যন্ত এটাই তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৬তম সমাবর্তন। অনুষ্ঠানে মোট ৩ হাজার ৩২২ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হয়, যার মধ্যে ২ হাজার ৬৪৬ জন স্নাতক এবং ৬৭৬ জন স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী।
৩০ মিনিট আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচনের ফলাফলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ২১ পদের মধ্যে ১৬টিতে জয়ী হয়েছে শিবির-সমর্থিত প্যানেল
১ দিন আগে
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) এবং প্রাইম ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি ক্যাম্পাসে ‘গার্ডিয়ান ইনস্যুরেন্স ক্লেইম চেক হ্যান্ডওভার সিরিমনি’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিমা সুবিধার এক অনন্য মাইলফলক...
১ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব। আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
১ দিন আগে