শিক্ষা ডেস্ক

তুরস্ক সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত তুর্কিয়ে বুরসলারি স্কলারশিপের আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই স্কলারশিপের আওতায় বিশ্বের যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তুরস্ক সরকার স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভিত্তিক এই স্কলারশিপে আবেদন করতে পারবেন।
বৃত্তিটিতে আবেদন করতে কোনো ফি লাগবে না। তুর্কিয়ে বুরসলারি একটি সম্পূর্ণ অর্থায়িত সরকারি স্কলারশিপ, যা ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কার্যকর থাকবে। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা ও গবেষণার সুযোগ একসঙ্গে থাকায় দেশটিতে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য এই স্কলারশিপ একটি বড় সুযোগ। বৃত্তিটির আওতায় প্রায় সব ধরনের একাডেমিক বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
সুযোগ-সুবিধা
বৃত্তিটির আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রায় সব ধরনের জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে নির্ধারিত মাসিক ভাতা পাবেন। স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা মাসে ৮০০ তুর্কি লিরা, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ১ হাজার ১০০ এবং পিএইচডি পর্যায়ে ১ হাজার ৬০০ তুর্কি লিরা ভাতা পাবেন। পড়াশোনা শেষে দেশে ফেরার জন্য একবারের রিটার্ন বিমান টিকিট দেওয়া হবে।
আবেদনের যোগ্যতা
বুরসলারি বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীদের নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনকারীর বয়স ২১ বছরের কম হতে হবে এবং পূর্ববর্তী পরীক্ষায় ন্যূনতম ৭০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আবেদনকারীর বয়স ৩০ বছরের নিচে হতে হবে। একই সঙ্গে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ একাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে। অন্যদিকে ডক্টরাল পর্যায়ে আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ৩৫ বছরের কম।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
প্রার্থীদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য একটি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা বৈধ পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। সাম্প্রতিক তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আপলোড করা ছবিটি অবশ্যই পরিষ্কার ও স্পষ্ট হতে হবে। অস্পষ্ট বা পরিচয় বোঝা যায় না, এমন ছবি থাকলে আবেদনের মূল্যায়নে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। যেসব প্রার্থীর কোনো আন্তর্জাতিক সনদ নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার ফলাফল জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে ডিপ্লোমা বা সাময়িক গ্র্যাজুয়েশন সনদ জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী পড়াশোনার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট জমা দিতে হবে। অনলাইন স্ক্রিনশট বা অননুমোদিত ট্রান্সক্রিপ্ট গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক ভাষা পরীক্ষার ফলাফল এবং ভাষা দক্ষতার সনদ সংযুক্ত করতে হবে।
স্কলারশিপের মেয়াদ
স্নাতক পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য ১ বছর তুর্কি ভাষা কোর্সের পাশাপাশি মূল প্রোগ্রামে ৪-৬ বছর পর্যন্ত স্কলারশিপ-সুবিধা দেওয়া হবে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ১ বছর তুর্কি ভাষা কোর্সসহ মোট ২ বছর স্কলারশিপের আওতায় পড়াশোনা করতে পারবেন। অন্যদিকে, পিএইচডি পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য ১ বছর তুর্কি ভাষা কোর্সের সঙ্গে ৪ বছর পর্যন্ত স্কলারশিপ-সুবিধা বহাল থাকবে।
অধ্যয়নের ক্ষেত্রগুলো
বৃত্তিটির আওতায় উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাকাউন্টিং, কৃষি অর্থনীতি ও কৃষিবিজ্ঞান, শিল্প ইতিহাস, প্রত্নতত্ত্ব, স্থাপত্য, অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং, জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিদ্যা, বায়োকেমিস্ট্রি, জীববিজ্ঞান, বায়োমেডিকেল ও বায়োটেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনা, কেমিক্যাল ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, আইন, ডেন্টিস্ট্রি, ডিজাইন, অর্থনীতি ও ইকোনমেট্রিকস, শিক্ষাবিজ্ঞান, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, পরিবেশবিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং, ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিং ইত্যাদি।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা লিংকে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।

তুরস্ক সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত তুর্কিয়ে বুরসলারি স্কলারশিপের আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই স্কলারশিপের আওতায় বিশ্বের যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তুরস্ক সরকার স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভিত্তিক এই স্কলারশিপে আবেদন করতে পারবেন।
বৃত্তিটিতে আবেদন করতে কোনো ফি লাগবে না। তুর্কিয়ে বুরসলারি একটি সম্পূর্ণ অর্থায়িত সরকারি স্কলারশিপ, যা ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কার্যকর থাকবে। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা ও গবেষণার সুযোগ একসঙ্গে থাকায় দেশটিতে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য এই স্কলারশিপ একটি বড় সুযোগ। বৃত্তিটির আওতায় প্রায় সব ধরনের একাডেমিক বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
সুযোগ-সুবিধা
বৃত্তিটির আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রায় সব ধরনের জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে নির্ধারিত মাসিক ভাতা পাবেন। স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা মাসে ৮০০ তুর্কি লিরা, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ১ হাজার ১০০ এবং পিএইচডি পর্যায়ে ১ হাজার ৬০০ তুর্কি লিরা ভাতা পাবেন। পড়াশোনা শেষে দেশে ফেরার জন্য একবারের রিটার্ন বিমান টিকিট দেওয়া হবে।
আবেদনের যোগ্যতা
বুরসলারি বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীদের নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। স্নাতক পর্যায়ে আবেদনকারীর বয়স ২১ বছরের কম হতে হবে এবং পূর্ববর্তী পরীক্ষায় ন্যূনতম ৭০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আবেদনকারীর বয়স ৩০ বছরের নিচে হতে হবে। একই সঙ্গে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ একাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে। অন্যদিকে ডক্টরাল পর্যায়ে আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ৩৫ বছরের কম।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
প্রার্থীদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য একটি বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা বৈধ পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। সাম্প্রতিক তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আপলোড করা ছবিটি অবশ্যই পরিষ্কার ও স্পষ্ট হতে হবে। অস্পষ্ট বা পরিচয় বোঝা যায় না, এমন ছবি থাকলে আবেদনের মূল্যায়নে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। যেসব প্রার্থীর কোনো আন্তর্জাতিক সনদ নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার ফলাফল জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে ডিপ্লোমা বা সাময়িক গ্র্যাজুয়েশন সনদ জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী পড়াশোনার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট জমা দিতে হবে। অনলাইন স্ক্রিনশট বা অননুমোদিত ট্রান্সক্রিপ্ট গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক ভাষা পরীক্ষার ফলাফল এবং ভাষা দক্ষতার সনদ সংযুক্ত করতে হবে।
স্কলারশিপের মেয়াদ
স্নাতক পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য ১ বছর তুর্কি ভাষা কোর্সের পাশাপাশি মূল প্রোগ্রামে ৪-৬ বছর পর্যন্ত স্কলারশিপ-সুবিধা দেওয়া হবে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ১ বছর তুর্কি ভাষা কোর্সসহ মোট ২ বছর স্কলারশিপের আওতায় পড়াশোনা করতে পারবেন। অন্যদিকে, পিএইচডি পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য ১ বছর তুর্কি ভাষা কোর্সের সঙ্গে ৪ বছর পর্যন্ত স্কলারশিপ-সুবিধা বহাল থাকবে।
অধ্যয়নের ক্ষেত্রগুলো
বৃত্তিটির আওতায় উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাকাউন্টিং, কৃষি অর্থনীতি ও কৃষিবিজ্ঞান, শিল্প ইতিহাস, প্রত্নতত্ত্ব, স্থাপত্য, অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং, জ্যোতির্বিজ্ঞান ও পদার্থবিদ্যা, বায়োকেমিস্ট্রি, জীববিজ্ঞান, বায়োমেডিকেল ও বায়োটেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনা, কেমিক্যাল ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, আইন, ডেন্টিস্ট্রি, ডিজাইন, অর্থনীতি ও ইকোনমেট্রিকস, শিক্ষাবিজ্ঞান, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, পরিবেশবিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং, ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিং ইত্যাদি।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা লিংকে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের জন্য ঘোষিত বিশেষ বৃত্তির তালিকা চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে জানুয়ারি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের লিখিত (এমসিকিউ টাইপ) পরীক্ষার ফল চলতি মাসেই প্রকাশ করা হতে পারে। আজ রোববার আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।
১২ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ডি-ইউনিটের (সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ) স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সানজিদা ফারহানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও ইনস্টিটিউটগুলোতে প্রযুক্তি ইউনিটের অধীনে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষা গ্রহণের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে