প্রতিনিধি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আটকে থাকা বিভিন্ন বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভাগগুলো সশরীরে নিতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমি কাউন্সিলে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যে সকল শিক্ষার্থীরা আবাসিক সুবিধা না নিয়ে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক বিভাগসমূহ শুধুমাত্র তাঁদের পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে।
আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আতাউর রহমান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
রেজিস্ট্রার বলেন, করোনার কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চললেও পরীক্ষা স্থগিত ছিল। ছাত্রছাত্রীদের জীবন থেকে অনেকগুলো সময় চলে গেছে। তাই মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিবেচনায় ইবি প্রশাসন সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে।
রেজিস্ট্রার আরও বলেন, আগামী ১২ সেপ্টেম্বরের পর থেকে বিভাগীয় পরীক্ষাসমূহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভাগগুলো সশরীরে নিতে পারবে। যেসব বিভাগ প্রস্তুত থাকায় তারা চাইলে ১২ সেপ্টেম্বরের পর থেকে পরীক্ষা শুরু করতে পারবে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভাগগুলো পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। বিভাগুলো পরীক্ষার সকল নিয়ম-বিধি মেনে পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের ব্যবস্থা করবে। যেসব বিভাগের টার্মিনাল পরীক্ষাসমূহ শেষ হয়ে গেছে সেসব বিভাগ চাইলে অন্যান্য ব্যাচের পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। একই দিনে কোন বিভাগ একটি ব্যাচের বেশি পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে না।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুস সালাম বলেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থী যেকোনো উপায়ে পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষাজীবনের ইতি টানতে চায়। তাই প্রশাসন অনলাইন ও অফলাইন দুইভাবেই পরীক্ষা নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। বিভাগ চাইলে যেকোনো উপায়ে পরীক্ষা কার্যক্রম চালাতে পারবে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আটকে থাকা বিভিন্ন বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভাগগুলো সশরীরে নিতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমি কাউন্সিলে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যে সকল শিক্ষার্থীরা আবাসিক সুবিধা না নিয়ে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক বিভাগসমূহ শুধুমাত্র তাঁদের পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে।
আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আতাউর রহমান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
রেজিস্ট্রার বলেন, করোনার কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চললেও পরীক্ষা স্থগিত ছিল। ছাত্রছাত্রীদের জীবন থেকে অনেকগুলো সময় চলে গেছে। তাই মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিবেচনায় ইবি প্রশাসন সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে।
রেজিস্ট্রার আরও বলেন, আগামী ১২ সেপ্টেম্বরের পর থেকে বিভাগীয় পরীক্ষাসমূহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভাগগুলো সশরীরে নিতে পারবে। যেসব বিভাগ প্রস্তুত থাকায় তারা চাইলে ১২ সেপ্টেম্বরের পর থেকে পরীক্ষা শুরু করতে পারবে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভাগগুলো পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। বিভাগুলো পরীক্ষার সকল নিয়ম-বিধি মেনে পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের ব্যবস্থা করবে। যেসব বিভাগের টার্মিনাল পরীক্ষাসমূহ শেষ হয়ে গেছে সেসব বিভাগ চাইলে অন্যান্য ব্যাচের পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। একই দিনে কোন বিভাগ একটি ব্যাচের বেশি পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে না।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুস সালাম বলেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থী যেকোনো উপায়ে পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষাজীবনের ইতি টানতে চায়। তাই প্রশাসন অনলাইন ও অফলাইন দুইভাবেই পরীক্ষা নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। বিভাগ চাইলে যেকোনো উপায়ে পরীক্ষা কার্যক্রম চালাতে পারবে।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) আজকের পত্রিকা পাঠকবন্ধু শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
২৪ মিনিট আগে
বিসিইউর একটি প্রতিনিধিদল এআইইউবি পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন অধ্যাপক ড. জাভিদ বাট, ড. মুহাম্মদ আদনান ও ড. মো. আশিকুল আলম খান। পরিদর্শনকালে এআইইউবি এবং বিসিইউর কর্মকর্তারা কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল প্রকল্পের উদ্দেশ্য, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম...
৩০ মিনিট আগে
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে চলছে ‘অ্যাডমিশন ফেয়ার স্প্রিং ২০২৬’। পাঁচটি অনুষদের অধীনে ১৪টি বিভাগে ২৯টি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি নিচ্ছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি। অ্যাডমিশন ফেয়ার স্প্রিং ২০২৬ শুভ উদ্বোধন করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য...
৩ ঘণ্টা আগে
পড়ার টেবিলে বসে আছে রাফি। ১০ মিনিট পর দেখা যায় সে বই রেখে মোবাইলে স্ক্রল করছে। আবার দীর্ঘশ্বাস ফেলে বইয়ের দিকে তাকাচ্ছে। আসলে তার পড়ায় মন বসছে না। ‘পড়তে মন চাইছে না’—এ কথাটি আজকাল শিক্ষার্থীদের মুখে প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ‘মন চাইছে না’ কি আসলে মস্তিষ্কের কাজ, নাকি এর পেছনে রয়েছে...
১১ ঘণ্টা আগে