সরকারি বাঙলা কলেজ রোভার স্কাউটস ফোরামের উদ্যোগে ২৪ এপ্রিল ‘পুনর্মিলনী ও আনন্দ আয়োজন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজ ক্যাম্পাসে সকাল ১০টায় নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজনে সরকারি বাঙলা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে চলতি সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের প্রাক্তন রোভাররা অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর সহযাত্রীদের সঙ্গে পুনর্মিলনীতে ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন ও প্রাণবন্ত পরিবেশ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নিবন্ধন শেষে একে একে অনুষ্ঠিত হয় স্মৃতিচারণা, দলীয় ছবি তোলা, খেলাধুলা, মধ্যাহ্নভোজ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, র্যাফল ড্র এবং পুরস্কার বিতরণ পর্ব। দিনজুড়ে ছিল উৎসবমুখর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ।
স্মৃতিচারণা পর্বে প্রাক্তন রোভাররা তাঁদের কলেজজীবনের বিভিন্ন স্মৃতিতে ফিরে যান। স্কাউটিং জীবনের দলগত কাজ, ক্যাম্পিংয়ের অভিজ্ঞতা এবং স্মরণীয় মুহূর্তগুলো নিয়ে আলোচনা করেন অনেকে। আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন পুরোনো দিনের স্মৃতি স্মরণে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি বাঙলা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের প্রাক্তন সম্পাদক অধ্যাপক মো. আব্দুল হালিম, অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন শামীম, অধ্যাপক শামিনা হক এবং সরকারি বাঙলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আবুল কাশেমের সুযোগ্য সন্তান মাহমুদ বিন কাশেম।
প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ ও রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি অধ্যাপক মো. কামাল হাসান। তিনি তাঁর বক্তব্যে প্রাক্তন রোভারদের নিয়ে একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই সংগঠন তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আধুনিক শিক্ষা ও সামাজিক নেতৃত্ব বিকাশে স্কাউটিংয়ের ভূমিকা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রাক্তন সিনিয়র রোভারমেট মো. রিপন মিয়া এবং সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন জ্যেষ্ঠ রোভারমেট মোহাম্মদ মিন্টু মিয়া।
শেষ পর্বে সরকারি বাঙলা কলেজ রোভার স্কাউটস ফোরামের ২০২৬-২৮ মেয়াদের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হন আবুল বাশার, সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম, সম্পাদক মোহাম্মদ মিন্টু মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক মো. রিপন মিয়া এবং কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ আলমগীর। নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান মো. জুয়েল, রাশেদুল বাকের, সাইফুল ইসলাম আলম, হাসিন বেগম, নাসরিন, সিকদার, মাহিন, সীমান্ত, আমিরুল ও রুবেল মিয়া।
নতুন কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এ সময় উপস্থিত সদস্যরা ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল এবং সংগঠিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ভর্তি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা-সমন্বয়হীনতার কারণে দেশের শিক্ষার্থীদের এক বছরে সম্মিলিতভাবে প্রায় ‘৪০ লাখ বছর’ সময় অপচয় হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
২১ মিনিট আগে
উন্নত বিশ্বের কোনো দেশে গিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রথমে যে বাস্তবতার মুখোমুখি হন, সেটি হলো অর্থনৈতিক চাপ। বাসাভাড়া, খাবার, যাতায়াত, বই, মোবাইল বিল, স্বাস্থ্যবিমা—সবকিছুর খরচ তুলনামূলক বেশি। দেশে বসে করা বাজেট পরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল থাকে না। মাসের শেষে ব্যাংক হিসাবের টাকা কমে যাওয়ার...
৪০ মিনিট আগে
পড়াশোনায় ভালো ফল অর্জনের জন্য শুধু বেশি সময় ব্যয় করাই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সঠিক পদ্ধতি, পরিকল্পনা এবং নিয়মিত পড়াশোনার অভ্যাস গড়ে তোলা। মনোযোগ ধরে রাখা, সময় ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত অনুশীলন এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা—এসব মিলেই শেখার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করে তোলে। আজকের আলোচনা এসব নিয়েই।
২ ঘণ্টা আগে
ভাইভা বোর্ড মূলত একজন প্রার্থীর জ্ঞানের গভীরতার চেয়ে তাঁর নেতৃত্বদানের সক্ষমতা এবং চাপের মুখে ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষমতা যাচাই করে। তাই বোর্ডে প্রবেশের মুহূর্ত থেকে প্রস্থান পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপ হওয়া উচিত সুচিন্তিত ও মার্জিত।
২ ঘণ্টা আগে