জাপানে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য টোব মাকি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম ২০২৬-এর আবেদন শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে অধ্যয়ন করতে ইচ্ছুক মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তির সুযোগ।
জাপানের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য একাধিক বৃত্তি দিয়ে থাকে। এর মধ্যে টোব মাকি স্কলারশিপ অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি হিসেবে বিবেচিত। এটি মূলত মেধা, অধ্যবসায় এবং গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সহায়তার উদ্দেশে দেওয়া হয়। প্রতিবছর মোট ৬০টি বৃত্তি দেওয়া হলেও এর মধ্যে মাত্র পাঁচটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে। ফলে এটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক একটি সুযোগ।
সুযোগ-সুবিধা:
- স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক ৭০,০০০ ইয়েন (বার্ষিক ৮,৪০,০০০ ইয়েন)
- স্নাতক শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক ৬০,০০০ ইয়েন (বার্ষিক ৭,২০,০০০ ইয়েন)
- বৃত্তির মেয়াদ সাধারণত দুই বছর; তবে পিএইচডি পর্যায়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চার বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে
- বৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীর কাছে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের জুলাই মাসে দেওয়া হবে, যা এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করবে
উল্লেখ্য, কোনো শিক্ষার্থী বছরে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি মূল্যের অন্য কোনো বৃত্তি পেলে টোব মাকি বৃত্তির অর্থ অর্ধেক করা হতে পারে। তবে JASSO বৃত্তি বা টিউশন ফি মওকুফ এ বৃত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- অনলাইন আবেদনপত্র
- একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের স্ক্যান কপি
- আবাসিক সনদ (মাই নম্বর ছাড়া)
- জিপিএ সনদ (যদি ট্রান্সক্রিপ্টে উল্লেখ না থাকে)
- ভর্তি সনদ (২০২৬ সালের ১ এপ্রিলের পর প্রাপ্ত)
- ব্যক্তিগত বিবৃতি
- চিকিৎসা সনদ
- হালনাগাদ জীবনবৃত্তান্ত (সিভি/রিজিউম)
যোগ্যতার শর্তাবলি
- বৃত্তির মেয়াদকালে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি থাকতে হবে
- স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থী হতে হবে, অথবা স্নাতক পর্যায়ের ক্ষেত্রে তৃতীয় বর্ষ বা তদূর্ধ্বে অধ্যয়নরত হতে হবে
আবেদনের শেষ সময়: ৮ মে ২০২৬।










