বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধান (অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, উপাধ্যক্ষ, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট) নিয়োগে হবে পরীক্ষা। এ পরীক্ষার আয়োজন করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। পরীক্ষার পূর্ণমান হবে ১০০। এর মধ্যে ৮০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা ও ৮ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা ও ১২ নম্বর থাকবে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার ওপর।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন।
পরিপত্র অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বছরে একবার শূণ্যপদের চাহিদা এনটিআরসিএতে পাঠাবে। এরপর নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান সম্পর্কিত বিস্তারিত সময়সূচি ও অন্যান্য তথ্য দিয়ে এনটিআরসিএ বিজ্ঞপ্তি জারি করবে। এসব পদে নিয়োগ পেতে প্রার্থীদের তিন এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।
আরও বলা হয়, সরকার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি পরীক্ষা কমিটি গঠন করবে। প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেবে এনটিআরসিএ। এর বিষয়বস্তুও এনটিআরসিএ নির্ধারণ করবে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর হবে ৪০ শতাংশ। পদভিত্তিক শূণ্যপদের তিন গুন প্রার্থীর সমন্বয়ে লিখিত পরীক্ষা প্রার্থীদের উত্তীর্ণ করা হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ও এনটিআরসিএর প্রতিনিধির সমন্বয়ে বোর্ড গঠন করে নেওয়া হবে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা। এ পরীক্ষারও পাস নম্বর হবে ৪০ শতাংশ। মৌখিক পরীক্ষা উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে থেকে লিখিত, মৌখিক পরীক্ষা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে পদভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশ করা হবে।
নিয়োগ সুপারিশ যেভাবে
এরপর উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে নির্ধারিত শূণ্যপদের বিপরীতে এনটিআরসিএ অনলাইনে পছন্দক্রমের আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে। একজন প্রার্থী পাঁচটি শূন্যপদের বিপরীতে পছন্দ দিতে পারবেন। কোনো প্রার্থী এর বাইরের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে ইচ্ছুক হলে অনলাইন আবেদনে সে সুযোগও পাবেন। এরপর এনটিআরসিএ প্রার্থীর পছন্দ ও মেধার ভিত্তিতে শূন্যপদের বিপরীতে একজন প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশের জন্য নির্বাচন করবে। তবে কোনো প্রার্থী ফৌজদারি মামলায় আদালত থেকে দণ্ডিত হলে বা বিভাগীয় মামলায় দণ্ডিত হলে আবেদনের জন্য অযোগ্য বলে গণ্য হবেন।

১১ হাজার ৭১৩ জন প্রার্থী নিয়োগ সুপারিশ পেয়েছেন। ১৮ হাজার ৩৯৯ জন আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ইতিমধ্যে এমপিওভুক্ত ১ হাজার ২৭ জন বাদ গেছেন। কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ইতিমধ্যে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা সমপদে আবেদনের যোগ্য হবেন না। বাকি ১৭ হাজার ৩৭২ জন বৈধ প্রার্থী ছিলেন।
৬ মিনিট আগে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশিত হয়েছে। পরবর্তী ধাপ হিসেবে আজ থেকে শুরু হয়েছে মৌখিক পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য গাজীপুর, রাজশাহী, যশোরসহ মোট ১৩ জেলায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত হওয়ার আবেদন করেছে নন-এমপিও ৩ হাজার ৬১৫টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ)। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করতে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আজ বুধবার প্রথম সভায় বসতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। তবে বর্তমানে কোনো শিক্ষক যদি নিজ জেলায় কর্মরত থাকেন, তাহলে তিনি বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। প্রথম যোগদানের পর চাকরির দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করা যাবে।
১৬ ঘণ্টা আগে