
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। তবে বর্তমানে কোনো শিক্ষক যদি নিজ জেলায় কর্মরত থাকেন, তাহলে তিনি বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। প্রথম যোগদানের পর চাকরির দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করা যাবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের তদারকিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক বদলির আবেদন নিষ্পত্তি করবেন। বদলির পুরো প্রক্রিয়া নির্ধারিত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। তবে পারস্পরিক বদলির ক্ষেত্রে লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ বদলি ও পদায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
আজ মঙ্গলবার জারি করা ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল-কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা, ২০২৬’ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
নীতিমালায় স্বাক্ষর করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন। নতুন নীতিমালা জারির ফলে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক বদলি-সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৪ বাতিল করেছে।
বদলির প্রক্রিয়া সম্পর্কে নীতিমালায় বলা হয়েছে, শূন্য পদের বিপরীতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বদলির আবেদন আহ্বান করবে। প্রতিবছর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
এতে বলা হয়, বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রথমে নিজ জেলায় শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় শূন্য পদের জন্য আবেদন করা যাবে। এ ছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলে বদলির আবেদন করার সুযোগ থাকছে। তবে এমপিও বন্ধ থাকা, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া বা ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষকেরা বদলির সুযোগ পাবেন না।
নীতিমালায় আরও বলা হয়, একজন শিক্ষক প্রথম বদলির পর নতুন কর্মস্থলে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুজন শিক্ষক বদলি হতে পারবেন। বদলির আবেদনে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা যাবে। তবে একই বিষয়ে একাধিক শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। একটি শূন্য পদের বিপরীতে একাধিক আবেদন জমা পড়লে জ্যেষ্ঠতা, নারী প্রার্থী ও দূরত্ব বিবেচনায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে সর্বশেষ এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী। বদলির আদেশ জারির পর ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে বদলি করা শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে। অবমুক্তির পর শিক্ষককে ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

১১ হাজার ৭১৩ জন প্রার্থী নিয়োগ সুপারিশ পেয়েছেন। ১৮ হাজার ৩৯৯ জন আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ইতিমধ্যে এমপিওভুক্ত ১ হাজার ২৭ জন বাদ গেছেন। কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ইতিমধ্যে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা সমপদে আবেদনের যোগ্য হবেন না। বাকি ১৭ হাজার ৩৭২ জন বৈধ প্রার্থী ছিলেন।
১০ মিনিট আগে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশিত হয়েছে। পরবর্তী ধাপ হিসেবে আজ থেকে শুরু হয়েছে মৌখিক পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য গাজীপুর, রাজশাহী, যশোরসহ মোট ১৩ জেলায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত হওয়ার আবেদন করেছে নন-এমপিও ৩ হাজার ৬১৫টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ)। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করতে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আজ বুধবার প্রথম সভায় বসতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধান (অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, উপাধ্যক্ষ, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট) নিয়োগে হবে পরীক্ষা। এ পরীক্ষার আয়োজন করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
১৫ ঘণ্টা আগে