
জার্মানির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব গটিঙ্গেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে পূর্ণ অর্থায়িত ডাড বৃত্তির আবেদন গ্রহণ করছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের যোগ্য শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
জার্মান একাডেমিক এক্সচেঞ্জ সার্ভিস ডাডের সহযোগিতায় পরিচালিত এই বৃত্তির লক্ষ্য হলো বিশ্বজুড়ে মেধাবী ও গবেষণামুখী শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করা। বিশেষ করে যাঁরা আন্তর্জাতিক গবেষণা, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক সহযোগিতায় অবদান রাখতে আগ্রহী, তাঁদের জন্য এটি একটি অনন্য সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আধুনিক গবেষণাগার, উচ্চমানের একাডেমিক পরিবেশ এবং জার্মান শিক্ষাব্যবস্থার উৎকর্ষ এই প্রোগ্রামকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির আওতায় পাবেন একাধিক আর্থিক ও একাডেমিক সুবিধা—
আবেদনকারীদের নিম্নোক্ত কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে—
আবেদন করতে হলে প্রার্থীদের অবশ্যই—
আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। প্রথমে ডিএএডি বৃত্তির নির্ধারিত ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর ইউনিভার্সিটি অব গটিঙ্গেনের অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় সব নথি আপলোড করতে হবে। যাচাই শেষে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর প্রার্থীদের ই-মেইলের মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লৎসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। বৈঠকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতার বিভিন্ন সম
৫ ঘণ্টা আগে
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের হতাশ না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৩ সালের থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিষয়ের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের চতুর্থ (নতুন ও পুরাতন) সেমিস্টার পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১৩ আগস্ট থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত।
৯ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাস করেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। সর্বশেষ ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এবার অকৃতকার্য হয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী।
১৯ ঘণ্টা আগে