
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে মদ্যপান করে চিৎকার-চেঁচামেচি ও মাতলামির অভিযোগে নুকালী বহুপার্শ্বিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রুহুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বেতন-ভাতার সরকারি অংশ (এমপিও) পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
আজ শনিবার মাউশির সহকারী পরিচালক এস এম মোসলেম উদ্দিন স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার, যখন বিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন মদ্যপ অবস্থায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চিৎকার-চেঁচামেচি ও বিশৃঙ্খল আচরণ করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর একই দিন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় তাঁর কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) পাঠায়।
শনিবার মাউশির অফিস আদেশে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষকের আপত্তিকর, অনৈতিক ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড শিক্ষক সমাজের মর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলশিক্ষকদের চাকরির শর্ত বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অসদাচরণের শামিল।
আদেশে আরও বলা হয়, ওই বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিনকে তাৎক্ষণিক সমায়িক বরখাস্ত ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এমপিও স্থগিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
এ দিকে অধিদপ্তরের এ নির্দেশনা আমলে নিয়ে প্রধান শিক্ষক মো. রুহুল আমিনকে চাকরি থেকে সমায়িক বরখাস্ত করেছে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রশিদকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় চূড়ান্ত ব্যবধান অনেক সময় তৈরি করে লিখিত অংশ। তাই এটিকে কখনোই শেষ মুহূর্তের জন্য ফেলে রাখা উচিত নয়। মূল বিষয় পড়ার সময় লিখিত প্রশ্নের উত্তর লেখার অভ্যাস করতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর জানা আর সেটি পরীক্ষার খাতায় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা—দুটি আলাদা দক্ষতা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার খাজনাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের পদ পাঁচটি। তবে কর্মরত দুজন। তাঁদের একজন আবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে একজন শিক্ষককে পাঠদানের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে
স্থায়ী বসতভিটা বা নিজস্ব আবাসন না থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র আটকে থাকা মিশন আচার্যের নিয়োগের জট খুলেছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের হস্তক্ষেপের পর তাঁকে নিয়োগপত্র দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে...
১৫ ঘণ্টা আগে
মিফতাহুল জান্নাত সায়মা চট্টগ্রামের নন্দনকানন এলাকার মেয়ে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। বোন বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার এবং ভাই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ছেন। বাবা ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী। তাঁর মা-বাবার নিজেদের পড়াশোনার সুযোগ ছিল সীমিত। কিন্তু সন্তানদের শিক্ষার প্রশ্নে মা-বাবা ছিলেন সব সময় দৃঢ়।
১ দিন আগে