কুবি প্রতিনিধি

ইউনিট ভেদে ৪ থেকে ১৩ বার মেধা তালিকা প্রকাশ করা হলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের এখনো ১৪ শতাংশ আসন ফাঁকা রয়েছে। আজ সোমবার কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভা শেষে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরুর সময় মোট ১ হাজার ৪০টি আসনের মধ্যে ৮৪টি ফাঁকা ছিল। তবে ভর্তি বাতিলসহ নানা কারণে এ, বি ও সি ইউনিটের বিভিন্ন বিভাগ মিলিয়ে বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৩ আসনে। এর মধ্যে ‘বি’ ইউনিটে সর্বোচ্চ ১০২ এবং এ ও সি ইউনিটে যথাক্রমে ৩০ ও ১১টি আসন ফাঁকা রয়েছে।
এদিকে শূন্য আসন পূরণে আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত ভর্তি চালু রাখার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে তারপরও আসন ফাঁকা থাকলে নতুন করে সভা ডেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকের ভর্তি পরীক্ষার সভায় আমরা আগামী ২৩ মার্চ থেকে ফাঁকা আসনগুলোতে শিক্ষার্থীদের ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ ক্ষেত্রে যাদের ভাইভা হয়েছে তাদের বিষয় দেওয়া হবে এবং বাকিদের ভাইভার ব্যবস্থা করা হবে। ৩০ মার্চের মধ্যে ফাঁকা আসন পূরণের ব্যবস্থা করা হবে। যদি তারপরও না হয়, তাহলে ৩০ তারিখ আবার সভা ডেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ইউনিট ভেদে ৪ থেকে ১৩ বার মেধা তালিকা প্রকাশ করা হলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের এখনো ১৪ শতাংশ আসন ফাঁকা রয়েছে। আজ সোমবার কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভা শেষে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরুর সময় মোট ১ হাজার ৪০টি আসনের মধ্যে ৮৪টি ফাঁকা ছিল। তবে ভর্তি বাতিলসহ নানা কারণে এ, বি ও সি ইউনিটের বিভিন্ন বিভাগ মিলিয়ে বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৩ আসনে। এর মধ্যে ‘বি’ ইউনিটে সর্বোচ্চ ১০২ এবং এ ও সি ইউনিটে যথাক্রমে ৩০ ও ১১টি আসন ফাঁকা রয়েছে।
এদিকে শূন্য আসন পূরণে আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত ভর্তি চালু রাখার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে তারপরও আসন ফাঁকা থাকলে নতুন করে সভা ডেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকের ভর্তি পরীক্ষার সভায় আমরা আগামী ২৩ মার্চ থেকে ফাঁকা আসনগুলোতে শিক্ষার্থীদের ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ ক্ষেত্রে যাদের ভাইভা হয়েছে তাদের বিষয় দেওয়া হবে এবং বাকিদের ভাইভার ব্যবস্থা করা হবে। ৩০ মার্চের মধ্যে ফাঁকা আসন পূরণের ব্যবস্থা করা হবে। যদি তারপরও না হয়, তাহলে ৩০ তারিখ আবার সভা ডেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

৬ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নতুন নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের...
১ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে চার দফা দাবি জানিয়েছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা চার প্যানেলেসহ স্বতন্ত্র পদপ্রার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে উপাচার্য বরাবর সম্মিলিতভাবে এ দাবি জানান তাঁরা।
৩ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এই ভোট গ্রহণ সাত দিন পেছানো হলো।
৩ দিন আগে
রোববার বাংলা, সোমবার ইংরেজি, মঙ্গলবার গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবারের বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৫ জানুয়ারি।
৩ দিন আগে