
বিশ্বজুড়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন, উদ্ভাবনী শিক্ষাপদ্ধতি এবং সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রাখা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি দিতে ঘোষিত ‘বিশ্বসেরা স্কুলের পুরস্কার ২০২৬’-এর সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে মনোনীত সেরা স্কুলগুলোর মধ্য থেকে পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে বেছে নিতে শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষের ভোট বা ‘পাবলিক ভোটিং’ কার্যক্রম।
লন্ডনভিত্তিক বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘টিফোর এডুকেশন’ এই পুরস্কারের আয়োজন করে থাকে। এবারের আয়োজনে মোট আড়াই লাখ মার্কিন ডলারের পুরস্কার তহবিল রয়েছে, যা পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরির বিজয়ী স্কুলগুলোর মধ্যে সমানভাগে (প্রতিটি ৫০ হাজার ডলার করে) বণ্টন করা হবে।
টিফোর এডুকেশনের অফিশিয়াল পোর্টালে ইতিমধ্যে ‘কমিউনিটি চয়েস অ্যাওয়ার্ড’-এর জন্য উন্মুক্ত ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষ সরাসরি অনলাইনে তাদের প্রিয় স্কুলটিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে অবদান রাখতে পারবেন। আগামী নভেম্বর মাসে চূড়ান্ত বিজয়ী স্কুলগুলোর নাম ঘোষণার আগে এই পাবলিক ভোটিংয়ের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
টিফোর এডুকেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিকাশ পোতা মনোনীত স্কুলগুলোর প্রশংসা করে বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন, ক্রমবর্ধমান বৈষম্য এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার এই অনিশ্চিত সময়ে তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথ দেখাতে এই অনুকরণীয় স্কুলগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের শ্রেণিকক্ষে প্রতিদিন যে শিক্ষণ পদ্ধতি অনুশীলন করা হয়, তা থেকে বিশ্বজুড়ে অন্যান্য স্কুল এবং নীতিনির্ধারকদের অনেক কিছু শেখার আছে।’
বিশ্বসেরা স্কুলের পুরস্কারটি মূলত পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের ভিত্তিতে দেওয়া হয়:
১. সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তা: শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে যেসব স্কুল অসাধারণ উদ্যোগ নিয়েছে।
২. প্রতিকূলতা জয়: চরম সামাজিক, অর্থনৈতিক বা ভৌগোলিক প্রতিকূলতার মধ্যেও শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখা স্কুল।
৩. উদ্ভাবন: প্রথাগত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে প্রযুক্তি বা আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞানের অনন্য ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান।
৪. পরিবেশগত কার্যক্রম: জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও পরিবেশ সুরক্ষায় শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা স্কুল।
৫. সামাজিক সহযোগিতা: স্থানীয় সমাজ ও পরিবারের সঙ্গে নিবিড় অংশীদারত্ব গড়ে তোলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
চলতি ২০২৬ সালের সংক্ষিপ্ত তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার স্কুলগুলো দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশ ভারত এবার ইতিহাস গড়ে সর্বোচ্চ ৭টি স্কুল নিয়ে বিশ্বসেরা স্কুলের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আধিপত্য বিস্তার করেছে।
উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে পুনের ‘পিসিএমসি ছত্রপতি শাহুজি মহারাজ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল’ এবং জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগে অবস্থিত ‘আর্মি গুডউইল স্কুল উজুর’ শীর্ষ ১০-এ স্থান পেয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক সহযোগিতা এবং পরিবেশ বিভাগে বেঙ্গালুরু, লক্ষ্ণৌ ও নয়ডার একাধিক স্কুল জায়গা করে নিয়েছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত ‘টিএনএস বিকনহাউস’ সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তা ক্যাটাগরিতে এবং সিন্ধুর ‘গভর্নমেন্ট গার্লস লোয়ার সেকেন্ডারি স্কুল’ সামাজিক সহযোগিতা ক্যাটাগরিতে শীর্ষ ১০-এ জায়গা পেয়েছে।
যদিও বাংলাদেশের কোনো স্কুল এবার চূড়ান্ত শীর্ষ ১০-এর তালিকায় পৌঁছাতে পারেনি, তবে এশিয়া ও আফ্রিকার অন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর পিছিয়ে পড়া স্কুলগুলোর সফলতার গল্প বাংলাদেশের নীতিনির্ধারক ও শিক্ষাবিদদের জন্য দারুণ উদাহরণ হতে পারে।
বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে ভোটাররা applications.worldsbestschool.org/public-vote-26 লিংকে প্রবেশ করে ক্যাটাগরি অনুযায়ী তাঁদের পছন্দের স্কুলটি নির্বাচন করতে পারবেন। ভোটারদের নিজেদের নাম ও ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নিবন্ধন করার পর এই ভোট সাবমিট করতে হবে। আগামী নভেম্বর মাসে বিশেষজ্ঞ জুরি প্যানেলের চূড়ান্ত মূল্যায়ন এবং এই জনমত জরিপের যৌথ ফলাফলের ভিত্তিতে বিশ্বসেরা পাঁচ স্কুলের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে যাওয়া সাবেক এক নারী শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেওয়া এবং এ ঘটনায় হল সংসদের দায়িত্বশীল পদে থাকা কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী,
৫ মিনিট আগে
মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এর জাতীয় পর্যায়ের প্রদর্শনী আগামীকাল সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। একই অনুষ্ঠানে দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে...
১১ মিনিট আগে
২ জুলাই থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা। শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে এই পরীক্ষাকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই একধরনের উদ্বেগ, চাপ ও প্রত্যাশা কাজ করে। তবে মনে রাখতে হবে, সঠিক প্রস্তুতি ও ইতিবাচক মানসিকতা থাকলে এই পথচলাকে অনেক
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ১৫ হাজার ৮৪৪টি অনুমোদিত শিক্ষক পদের বিপরীতে বর্তমানে আট হাজার ৪৮৬টি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক। এরইমধ্যে দুই হাজার ২০৪টি শূন্য পদে নিয়োগের সুপারিশ চেয়ে সরকারি কর্মকমিশনে (পিএসসি) রিকুইজিশন পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে