Ajker Patrika

জকসুতে ২১ পদের ১৬টিতে শিবিরের জয়, কে কত ভোট পেলেন

সোহানুর রহমান, জবি
কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম (মাঝে), বায়ে জিএস প্রার্থী আবদুল আলীম আরিফ ও ডানে এজিএস প্রার্থী মাসুদ রানা। ছবি: সংগৃহীত
কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম (মাঝে), বায়ে জিএস প্রার্থী আবদুল আলীম আরিফ ও ডানে এজিএস প্রার্থী মাসুদ রানা। ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচনের ফলাফলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ২১ পদের মধ্যে ১৬টিতে জয়ী হয়েছে শিবির-সমর্থিত প্যানেল। নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে মো. রিয়াজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে আব্দুল আলিম আরিফ ও সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মাসুদ রানা জয় লাভ করেন। অন্যদিকে ছাত্রদল-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল তিনটি সম্পাদকীয় পদ, একটি সদস্যপদসহ মোট চারটি পদে জয় পেয়েছে। এ ছাড়া সদস্যপদে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট-সমর্থিত ‘মাওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ প্যানেল এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ প্যানেলের কোনো প্রার্থীই নির্বাচিত হতে পারেননি।

কে কোন পদে কত ভোট পেলেন?

সহসভাপতি

‎‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে এ কে এম রাকিব ৪ হাজার ৬৬৮, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট-সমর্থিত প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী গৌরব ভৌমিক ১০৮, ছাত্রশক্তি-সমর্থিত প্যানেল থেকে কিশোয়ার আনজুম সাম্য ১৪০ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রাকিব হাসান পেয়েছেন ২৫২ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭৫ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে খাদিজাতুল কুবরা ২ হাজার ২২৩, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে ইভান ১ হাজার ৭২৪, ছাত্রশক্তি থেকে ফয়সাল মুরাদ ৮৮১ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী উম্মে মাবুদা পেয়েছেন ১১২ ভোট।

‎সহসাধারণ সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ২০ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে বি এম আতিকুর রহমান তানজিল ৪ হাজার ২২, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে শামসুল আলম মারুফ ৪৭০, ছাত্রশক্তি থেকে শাহীন মিয়া ১ হাজার ৬০ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী তামজিদ ইমাম পেয়েছেন ১৩৮ ভোট।

‎মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে মো. নুর নবী পেয়েছেন ৫ হাজার ৪০০ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে অনিক কুমার দাস ৪ হাজার ৬৯৯, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে খিজির আল সিফাত ৩২৬ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী খায়রুল হাসান আকাশ পেয়েছেন ২৬৩। তবে ছাত্রশক্তি এ পদে কোনো প্রার্থী দেয়নি।

‎শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে নূর ইব্রাহীম খলিল পেয়েছেন ৫ হাজার ৫২৪ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে নুসরাত চৌধুরী জাফরিন ২ হাজার ৭১৬, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে মশিউর রহমান ৪০০, ছাত্রশক্তি থেকে নিদ্রা আক্তার ৩১৭ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহরিয়ার জুবায়ের পেয়েছেন ১ হাজার ১২৫।

‎বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে মোছা. সুখীমন খাতুন পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৮৬ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে মো. মাসফিকুল ইসলাম ৩ হাজার ১৭৬, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে রিয়াদ হোসেন ৫০৪, ছাত্রশক্তি থেকে মো. ইমরান হোসেন ৬৪৮ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ তানভীর পেয়েছেন ১ হাজার ২৮২ ভোট।

‎স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে নূর মোহাম্মদ পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৭০ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে আল শাহরিয়ার শাওন ২ হাজার ৯১৩, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে নু মং প্রূ মারমা ৯৭৭, ছাত্রশক্তি থেকে মো. তারেক ৯৪৫ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ওমর ফারুক ১ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়েছেন।

‎সমাজসেবা ও শিক্ষার্থীকল্যাণ সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৬ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে আনন বিন রহমান ২ হাজার ৭৩১, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট অমরিন জাহান অপি ৬৪৩, ছাত্রশক্তি থেকে ফেরদৌস শেখ ১ হাজার ৫৭৪ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জুবায়ের ইসলাম পেয়েছেন ৭৮৮ ভোট।

‎পরিবহন সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে তৌহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ১৩১ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে মো. মাহিদ হোসেন ৪ হাজার ২৩, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে মো. মাহিন ৪৮৫ এবং ছাত্রশক্তি থেকে মুশফিকুর রহমান পেয়েছেন ২ হাজার ৯৮০ ভোট।

‎পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে মো. সোহাগ আহমেদ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৯১ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে মো. রিয়াসাল রাকিব ৪ হাজার ৬৯৮, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে সায়্যিদা মুবাশ্বিরা ৭৭০ এবং ছাত্রশক্তি থেকে মো. আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮৬৯ ভোট।

‎আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে হাবিব মোহাম্মদ ফারুক পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৫৪ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে অর্ঘ্য শ্রেষ্ঠ দাস ২ হাজার ৮৭৩, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে আফিফা লেবীন মৌমি ৯১১, ছাত্রশক্তি থেকে মো. জিহাদ ৫৩৮ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাসুদ আহম্মেদ সানি পেয়েছেন ১ হাজার ৬৯১ ভোট।

‎ক্রীড়া সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে মো. জর্জিস আনোয়ার নাইম পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৬৩ ভোট, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে কামরুল হাসান নাফিছ ২ হাজার ৪৬৭, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে মুগ্ধ আনন ৪৭৩, ছাত্রশক্তি থেকে মো. ফেরদৌস হোসেন সোহান ১ হাজার ৪৯২ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তাসনিমুল হাসান পেয়েছেন ১ হাজার ৮০ ভোট।

‎সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক

‎ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে নাহিদ হাসান রাসেল ৩ হাজার ৩৭৭ ভোট পেয়েছেন, ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে তাকরিম আহমেদ ৫ হাজার ৩৮৫, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে সালমান সাদ ১৮৪, ছাত্রশক্তি থেকে রাতুল হাসান ২১৬ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল কবির পেয়েছেন ৭৬৮।

‎কার্যনির্বাহী সদস্য

এই পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে শান্তা আক্তার পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৪ ভোট, মো. মেহেদী হাসান ৩ হাজার ৩৪৮, ফাতেমা আক্তার অওরিন ৩ হাজার ৮৫১, সালেম হোসেন সিয়াম ২ হাজার ৫৯৩, মো. আরিফুর রহমান ২ হাজার ৫৪৩, আকিব হাসান ৩ হাজার ৫৮৮, মো. আব্দুল্লাহ আল ফারুক ২ হাজার ৯১৭ ভোট এবং ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে আজিজুল হাকিম আকাশ ১ হাজার ২৬৯ ভোট, মো. সাদমান আমিন ৩ হাজার ৩০৭, ইমরান হাসান ইমন ২ হাজার ৬৩৬, আরিফুল ইসলাম আরিফ ২ হাজার ৩৯৮, সুলতান মাহমুদ শুভ ১ হাজার ৯৫৮, মনিরুজ্জান মনির ২ হাজার ৬৩৪ এবং তৌহিদুল ইসলাম তামিম পেয়েছেন ১ হাজার ৩০৭ ভোট। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে রিতিকা পেয়েছেন ৯৪ ভোট, মোহাম্মদ তাজওয়ারুল ইসলাম ৮৫৭, সুমাইয়া আবেদীন রিতিকা ৯০৫, পল্লব কুমার বর্মণ ৫৪৭, শাহরিয়ার আদিব ৪৩২, সাগ্নিকা চক্রবর্তী ৮৮১ এবং আব্দুল্লাহ আল মুক্তাদির রোদ পেয়েছেন ১৮৪ ভোট। ছাত্রশক্তি থেকে মো. সজীব মৃধা পেয়েছেন ৭৫৮ ভোট, সিনহা ইসলাম অর্না ১ হাজার ৪৫৯, হাসান মাহমুদ সাকিব ১ হাজার ১৫০, জাবির খান ৯৩৫, কামরুল হাসান রিয়াজ ১ হাজার ৪৪২, মো. সাজ্জাদ হোসাইন ২ হাজার ৩০২ এবং কেয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৭৬ ভোট। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহিদ হাসান পেয়েছেন ৩ হাজার ১২৪ ভোট।

হল সংসদে ছাত্রীসংস্থা-সমর্থিত প্রার্থীদের জয়

‎জকসুর একমাত্র নারী শিক্ষার্থী হল সংসদে ভিপি, জিএস ও এজিএসে জয়ী ছাত্রীসংস্থার অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেল। ঘোষিত ফলাফলে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ৫৫০ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রীসংস্থা-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের মোছা. জান্নাতুল উম্মি তারিন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ফারজানা আক্তার রিমি ২৩৬ ভোট পেয়েছেন।

‎সাধারণ সম্পাদক পদে ছাত্রীসংস্থা-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের সুমাইয়া তাবাসসুম পেয়েছেন ৫৭১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের সাদিয়া সুলতানা নেলি ২৩৬ ভোট পেয়েছেন।

‎সহসাধারণ সম্পাদক পদে ছাত্রীসংস্থার রেদওয়ানা খাওলা ৫৪৫ ভোট পেয়েছেন এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের শেখ তাসলিমা জাহান মুন পেয়েছেন ৪০৪ ভোট।

‎হল সংসদে বিজয়ী হয়েছেন যাঁরা

সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে সাদিয়া আফরোজ পেয়েছেন ৪৩৩ ভোট, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ফাতেমা তুজ জোহরা (ইমু) ৩৪৬, পাঠাগার সম্পাদক ফাতেমাতুল জোহরা সামিয়া ৫৩৯, ক্রীড়া সম্পাদক সাবিকুননাহার ৬৩৫, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থীকল্যাণ সম্পাদক পদে ফারজানা আক্তার ৪০৮ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক খাদিজা খাতুন ৪৮৬ ভোট পেয়েছেন। কার্যনির্বাহী সদস্যপদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সাবরিনা আক্তার, নওশীন বিনতে আলম, মোছা. সায়মা খাতুন, লস্কর রুবাইয়াত জাহান। হল সংসদের ১৩টি পদের ১০টিতে ছাত্রীসংস্থা জয় লাভ করেছে। ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল দুটি এবং স্বতন্ত্র থেকে একটি পদে জয় লাভ করেছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত ফলপ্রসূভাবে প্রথম জকসু নির্বাচন সম্পন্ন করতে পেরেছি। কেন্দ্রীয় সংসদে প্রায় ৬৬ শতাংশ ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। যাঁরা বিজয়ী, তাঁদের অভিনন্দন। মিলেমিশে আমাদের জকসুর প্রথম সংসদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন সেই প্রত্যাশা।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসের প্রথম শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচিতদের অভিনন্দন এবং সবাইকে ধন্যবাদ। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে চাই।’

উল্লেখ্য, ৬ জানুয়ারি হওয়া নির্বাচনটি প্রাথমিকভাবে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত করে প্রশাসন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

যুক্তরাষ্ট্রে সড়কপথে জয়শঙ্করের ৪০০ মাইলের রুদ্ধশ্বাস যাত্রা, নেপথ্য কাহিনি

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: মূল নকশার বাইরে চারটি র‍্যাম্প নির্মাণের ভাবনা

ওয়াশিংটন সফরে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, যা আলোচনা হলো মার্কিনদের সঙ্গে

আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প

পাবনা ১ ও ২ আসনের নির্বাচন স্থগিত

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত