নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস ও জিপিএ ফাইভ পাওয়ার দিক থেকে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে। এবার মেয়েদের পাসের হার ৮১.৮৮ শতাংশ এবং ছেলেদের ৭৮.৮৭ শতাংশ। গত বছর ছেলেদের পাসের হার ছিল ৮৭.১৬ শতাংশ আর মেয়েদের পাসের হার ছিল ৮৭.৭১ শতাংশ।
সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার এসএসসিতে মোট অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪১ হাজার ৪৫০ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ লাখ ৪১ হাজার ১৪০ জন। মোট ছেলে পরীক্ষার্থী ছিল ১০ লাখ ৯ হাজার ৮০৩ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৪০৪ জন। আর মেয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ১০ লাখ ৩১ হাজার ৬৪৭ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ৮ লাখ ৪৪ হাজার ৭৩৬ জন।
এবার এসএসসিতে জিপিএ ফাইভ পাওয়াদের মধ্যেও এগিয়ে মেয়েরা। জিপিএ ফাইভ পেয়েছে মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৮ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ৯৮ হাজার ৬১৪ জন আর ছাত্র ৮৪ হাজার ৯৬৪ জন।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, আন্তবোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকারসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা।
চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৮০ দশমিক ৯৪, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৪ দশমিক ৭০ আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
গত ৩০ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। শেষ হয় ২৮ মে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এবার ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস ও জিপিএ ফাইভ পাওয়ার দিক থেকে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে। এবার মেয়েদের পাসের হার ৮১.৮৮ শতাংশ এবং ছেলেদের ৭৮.৮৭ শতাংশ। গত বছর ছেলেদের পাসের হার ছিল ৮৭.১৬ শতাংশ আর মেয়েদের পাসের হার ছিল ৮৭.৭১ শতাংশ।
সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার এসএসসিতে মোট অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪১ হাজার ৪৫০ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ লাখ ৪১ হাজার ১৪০ জন। মোট ছেলে পরীক্ষার্থী ছিল ১০ লাখ ৯ হাজার ৮০৩ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৪০৪ জন। আর মেয়ে পরীক্ষার্থী ছিল ১০ লাখ ৩১ হাজার ৬৪৭ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ৮ লাখ ৪৪ হাজার ৭৩৬ জন।
এবার এসএসসিতে জিপিএ ফাইভ পাওয়াদের মধ্যেও এগিয়ে মেয়েরা। জিপিএ ফাইভ পেয়েছে মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৮ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ৯৮ হাজার ৬১৪ জন আর ছাত্র ৮৪ হাজার ৯৬৪ জন।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, আন্তবোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকারসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা।
চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৮০ দশমিক ৯৪, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৪ দশমিক ৭০ আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
গত ৩০ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। শেষ হয় ২৮ মে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এবার ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

গণনা মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে স্থগিত করা হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা। পরে উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনায় মেশিনেই ভোট গণনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ করা হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেলে ভোট শেষে শুরু হয় গণনা। আজ বুধবার ফলাফল জানা যেতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিনে ত্রুটির কারণে ভোট গণনা স্থগিত করা হয়েছে। এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত (রাত ৯টা ৩০ মিনিট) ভোট গণনা স্থগিত রয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। এ ছাড়া হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৭ শতাংশ।
১৪ ঘণ্টা আগে