
নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী মালিহা তাবাসসুম (ছদ্মনাম)। প্রতিদিন স্কুল ছুটির পরই তাকে ছুটতে হয় বেইলি রোডের একটি কোচিং সেন্টারে। শুধু সে নয়, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের বেশির ভাগ স্কুলশিক্ষার্থীই ছুটছে কোচিং সেন্টারে।
শুধু স্কুলশিক্ষার্থী নয়, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির অপেক্ষায় থাকা শিশুদের নিয়েও অভিভাবকেরা ছুটছেন কোচিং সেন্টারে। বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুধু নয়; এসএসসি, এইচএসসি, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা এমনকি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও কোচিংনির্ভরতা। রাজধানী থেকে জেলা শহর, উপজেলা, গ্রাম পর্যন্ত বিস্তার ঘটেছে রমরমা এই কোচিং-বাণিজ্যের। আনাচকানাচে গড়ে ওঠা এসব কোচিং সেন্টারে সকাল থেকে রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত ব্যাচে ব্যাচে চলছে কোচিংয়ের নামে ক্লাস।
কোচিং-বাণিজ্য ঠেকাতে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো কাজে আসেনি। ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়েছে কোচিং সেন্টার।
শিক্ষাবিদেরা বলছেন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ঘাটতি, পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা, অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং অভিভাবকদের ভালো ফলের প্রত্যাশা—সব মিলিয়ে কোচিংনির্ভরতা বাড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একশ্রেণির শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে পড়ানোর চেয়ে আর্থিক লাভের জন্য কোচিং করানোর প্রবণতা। এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টারে পুরো দিন কাটানো ক্লান্ত শিক্ষার্থীদের নিজেদের শেখার সময়ে টান পড়ছে। সন্তানের শিক্ষার পেছনে বাড়তি খরচ হচ্ছে অভিভাবকদের।
জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল গত ৩১ জুলাই আজকের পত্রিকাকে বলেন, কোচিং-বাণিজ্যের বিস্তার ঠেকাতে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করার বিষয়ে। পাশাপাশি কোচিং বন্ধে যে নীতিমালা রয়েছে, তা বাস্তবায়নেও জোর দেওয়া হবে।
বেইলি রোডের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিপরীত পাশের একটি গলিতে ৩১ জুলাই কথা হয় সরকারি চাকরিজীবী মোহাম্মদ মামুনের সঙ্গে। তাঁর দুই সন্তান ওই বিদ্যালয়ে পড়ে—একজন তৃতীয় শ্রেণিতে, অন্যজন পঞ্চম শ্রেণিতে।
মামুন বলেন, ছোট মেয়েকে এক শিক্ষকের কাছে কোচিং করাতে হয়। এ ছাড়া ‘প্যারাডাইস’ নামে একটি কোচিং সেন্টারে পড়াতে মাসে দিতে হয় দুই হাজার টাকা। বড় মেয়েকে শ্রেণিকক্ষের বাইরে বাধ্যতামূলক কোচিংয়ের পাশাপাশি পাঁচটি বিষয়ে পাঁচজন শিক্ষকের কাছে পড়তে হয়। প্রতিটি বিষয়ে দিতে হয় এক হাজার টাকা।
ওই স্কুলে এমন কোচিং ও শিক্ষকদের কাছে মেয়েকে পড়ানোর কথা জানালেন আরও কয়েকজন অভিভাবক।
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্ষেত্রেও অবস্থা অনেকটা একই। এই দুই প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষক ও অভিভাবকের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের একাংশ প্রাইভেট পড়ানো ও কোচিংয়ে যুক্ত। কোথাও স্কুলের নামেই অতিরিক্ত ক্লাস, কোথাও ব্যাচ, আবার কোথাও আলাদা কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়ানো হচ্ছে।
জানতে চাইলে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বলেন, কোচিং বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কেউ নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে তা নজরে এলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাচে শিক্ষার্থীদের পড়ানো হচ্ছে। কোনো কোনো কোচিং সেন্টারে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্যও আলাদা ব্যাচ রয়েছে।
কোচিং-নির্ভরতার বিষয়ে বেশ কয়েকজন অভিভাবক বলেন, সন্তানকে কোচিংয়ে না পাঠালে অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। শ্রেণিকক্ষের পড়া বুঝতে সমস্যা হলে কিংবা পরীক্ষায় ভালো ফলের জন্যও কোচিংয়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
কয়েক বছর ধরে চলা সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বাতিল করে আবার ভর্তি পরীক্ষা চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। লটারি পদ্ধতির কারণে এত দিন স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বড় অংশকে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয়নি। তবে লটারি বাতিলে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানাজানির পর স্কুলে ভর্তিতে কোচিংয়ের বাজার তৈরি হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন কোচিং সেন্টার নামী স্কুলে ভর্তি, ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলের নিশ্চয়তা এবং বিশেষ প্রস্তুতির প্রচারণায় নেমেছে। কোনো কোনো কোচিং সেন্টারে নির্দিষ্ট স্কুলের নাম ব্যবহার করে আলাদা ব্যাচও খোলা হয়েছে। আবার কোনো কোনো কোচিং সেন্টারে একাধিক স্কুলের জন্য পৃথক প্রস্তুতির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এগুলো শিক্ষার্থীও পেয়েছে।
অভিভাবকদের একটি অংশ বলছেন, ভর্তি পরীক্ষা কেমন হবে বা কী ধরনের প্রশ্ন আসবে—এ বিষয়ে স্পষ্টতা না থাকায় তাঁরা ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। সন্তানকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রাখতে কোচিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
এদিকে আগামী বছরও স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি বহাল রাখা যায় কি না, সে বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গতকাল সোমবার তিনি আজকের পত্রিকাকে জানান, ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্তে শিশুদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টির আশঙ্কায় লটারি বহাল রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে। চলতি মাসেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে গতকাল রাতে বলেন, ভর্তিতে পরীক্ষার বদলে লটারি বহাল রাখা যায় কি না বা কোন কোন শ্রেণিতে লটারি বহাল রাখা যায়, সে বিষয়ে ভর্তি কমিটিকে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
কোচিং-বাণিজ্যের বড় একটি অংশের সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজের কিছু শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পড়ান। কেউ নিজেই কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন, আবার কেউ বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে গিয়ে পড়ান।
শিক্ষাবিদেরা মনে করেন, কোনো শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের চেয়ে কোচিংকে বেশি গুরুত্ব দিলে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীরা। কারণ, বাড়তি কোচিং ফি বহন করা এসব পরিবারের জন্য কঠিন।
কোচিং-বাণিজ্য বন্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১২ সালের আগস্টে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং-বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা’ জারি করে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার কোনো শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং বা প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারেও পড়াতে পারবেন না তাঁরা।
তবে নীতিমালায় অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে নিজ বাসায় পড়ানোর সুযোগ রাখা হয়। আর প্রতিষ্ঠানের ভেতরে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া যাবে সরকার-নির্ধারিত টাকার বিনিময়ে। তবে এ ধরনের অতিরিক্ত ক্লাস করতে শিক্ষার্থীকে বাধ্য করা যাবে না।
শিক্ষা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাগুলোর মোর্চা গণসাক্ষরতা অভিযানের উদ্যোগে করা ‘বাংলাদেশে বিদ্যালয় শিক্ষা: মহামারি উত্তর টেকসই পুনরুত্থান’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে শিক্ষার ব্যয় বাড়ছে। এই ব্যয়বৃদ্ধির বড় কারণ হলো কোচিং-প্রাইভেট এবং নোট গাইড।
গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থীকে একাধিক বিষয়ে কোচিং করাতে গিয়ে অভিভাবকদের মাসে কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বিষয়সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ব্যয়ও বাড়ে।
চাকরির পরীক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও প্রকৌশলে ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোচিং-বাণিজ্য আরও বড়। দেশজুড়ে এসব পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কোচিং সেন্টারের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে অনলাইন প্ল্যাটফর্মও। এসব কোচিংয়ের খরচও বেশি।
শিক্ষাবিদদের মতে, শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত শিক্ষা না পাওয়া, অসুস্থ প্রতিযোগিতা, ভালো ফলের অনৈতিক প্রলোভন ইত্যাদি কোচিং-বাণিজ্য বাড়ার অন্যতম কারণ। এর সঙ্গে রয়েছে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর আধিক্য, শিক্ষকের স্বল্পতা, পাঠদানের মানের ঘাটতি এবং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগতভাবে শেখার সুযোগের অভাব।
জানতে চাইলে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিরেটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেন, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষক। শিখন ঘাটতি শ্রেণিকক্ষেই পূরণ করা গেলে কোচিংয়ের প্রয়োজন হবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, অভিভাবকদের ভালো ফলের প্রতি অতিরিক্ত প্রত্যাশা, শিক্ষাক্রমের নির্দেশিত ক্লাস না হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে শিক্ষার্থীদের প্রতি অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া বাইরে অনুশীলনের সুযোগের কারণে শিক্ষার্থীরা কোচিংমুখী হচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, কোচিং-বাণিজ্যের বিস্তার ঠেকাতে সরকার নানা উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা, শিক্ষকদের কোচিং-বাণিজ্য থেকে দূরে রাখা এবং শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ কমানোর মাধ্যমে কোচিংনির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কোচিং সেন্টারগুলোকে একটি নীতিমালার আওতায় আনার কথাও ভাবা হচ্ছে।
জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, স্কুল যদি অনুমোদন নিয়ে করতে হয়, তাহলে কোচিং সেন্টারও অনুমোদন নিয়ে চালু করতে হবে। এ বিষয়ে সুনিদিষ্ট নীতিমালা তৈরি করা হবে।
জানতে চাইলে কোচিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুব আরেফিন বলেন, ‘কোচিং নীতিমালা করার উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। তবে এ বিষয়ে যেন অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হয়, তাহলে নীতিমালা কার্যকর হবে।’

আজ সোমবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের পত্রিকাকে বলেন, স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারিপদ্ধতি বহাল রাখা যায় কি না, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ৫০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের আগামী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা। দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ভকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করবে প্রত্যাশা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।
১৫ ঘণ্টা আগে
ছাত্রী হলের রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত চলমান সান্ধ্য আইন অবিলম্বে বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সব নারী শিক্ষার্থীর ২৪ ঘণ্টা অবাধ যাতায়াত ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে অনাবাসিকসহ সব ছাত্রীকে যেকোনো ছাত্রী হলে প্রবেশের সুযোগ এবং যথাযথ অনুমতি নিয়ে রাত্রিযাপনের
১৬ ঘণ্টা আগে
চলতি শিক্ষাবর্ষেও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আগের মতোই কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর এবং পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
২০ ঘণ্টা আগে