শিক্ষা ডেস্ক

বিসিএস পরীক্ষা দেশের একটি অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। এখানে একজন চাকরিপ্রার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা ও মানসিক দৃঢ়তার পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করা হয়। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা—প্রতিটি ধাপে প্রয়োজন ভিন্নধর্মী প্রস্তুতি ও গভীর মনোযোগ। সফল হতে হলে নিয়মিত অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস এবং সঠিক কৌশল অবলম্বন অপরিহার্য। ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় সফল হয়ে পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত নাভিদ তাসনিম তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বিসিএস প্রস্তুতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর অভিজ্ঞতালব্ধ কথাগুলো শুনেছেন শাহ বিলিয়া জুলফিকার।
ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই
না, এভাবেই পড়তে হবে, নির্দিষ্টসংখ্যক পৃষ্ঠা রচনা লিখতেই হবে, এমন কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নেই। কেউ এমন দাবি করলেও তা মানার প্রয়োজন নেই। লিখিত পরীক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গুণগত মানসম্পন্ন লেখা। এই মান ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। নিজের প্রস্তুতিতে পূর্ণ স্বাধীনতা রাখুন, প্রয়োজনে এক্সপেরিমেন্ট করুন, নিজের উপযোগী পদ্ধতি নিজেই তৈরি করুন।
লাখো মানুষ পরীক্ষা দিচ্ছে, আমি কি পারব?
প্রথমেই নিজেকে বিশ্বাস করুন, অবশ্যই পারবেন। যাঁরা সফল হচ্ছেন, তাঁরাও মানুষ; আপনিও মানুষ। সবাই সমৃদ্ধ পরিবার থেকে আসেনি। এমনকি আপনার চেয়েও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে থাকা অনেকে ধীরে ধীরে ক্যাডার হতে পেরেছেন। ত্মবিশ্বাসের অভাবে বসে বসে সম্ভাবনার হিসাব কষবেন না। জীবন কোনো গাণিতিক প্রোবাবিলিটি দিয়ে চলে না। মনে রাখবেন, সবকিছু সৃষ্টিকর্তার হাতে। নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে প্রস্তুতি নিন।
শর্ট সাজেশনের ফাঁদে পড়বেন না
প্রথমবার সময় নিয়ে সব বিষয় পড়ুন। অন্তত একটি পূর্ণাঙ্গ রিডিং দিন। গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো চিহ্নিত করুন। প্রতিটি অধ্যায় শেষে বিগত বছরের প্রশ্নপত্র দেখুন—কোন অংশ থেকে বেশি প্রশ্ন আসে, সে সম্পর্কে ধারণা নিন। দ্বিতীয়বার পড়ার সময় ওই অংশগুলো আরও গভীরভাবে অধ্যয়ন করুন।

‘কমন’ খুঁজতে গিয়ে কমনসেন্স হারাবেন না
একটি বই কয়েকবার পড়ুন। নিত্যনতুন বই কেনার প্রবণতা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ‘লাস্টবার অনেক কমন এসেছে’—এ ভাবনা থেকে দূরে থাকুন। একটি বই ভালোভাবে বারবার পড়াই সবচেয়ে কার্যকর। প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির সময় আমি ২ থেকে ৩ বছরের পুরোনো বই দিয়েই একাধিক বিসিএস দিয়েছি, কোনো সমস্যা হয়নি। বইয়ে পেনসিল দিয়ে দাগ দিন—যতবার দাগ দেবেন, পড়া তত দীর্ঘদিন মনে থাকবে।
আলোচনা করুন, বোঝানোর চেষ্টা করুন
সমমনা একটি গ্রুপ থাকলে ভালো। মেসে থাকলে রুমমেটের সঙ্গে আলোচনা করুন। নিজেকে ধরে নিন, আপনি যা পড়েছেন, সেটি কাউকে লেকচার দিচ্ছেন। কাউকে বোঝানোর চেষ্টা করলে নিজের পড়াও স্পষ্ট হয়। বাস্তব উদাহরণ ব্যবহার করুন। সহজভাবে বোঝাতে না পারলে ধরে নিন, বিষয়টি আপনি এখনো পুরোপুরি বোঝেননি। বিষয় ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত গুগল বা চ্যাটজিপিটির সাহায্য নিন। পাশাপাশি শর্ট নোট তৈরি করুন, পরবর্তী সময়ে সেগুলোই রিভিউ করুন।
নিজের পড়াশোনার দায়িত্ব নিজেকে নিতে হবে
দুই দিন পড়ে তিন দিন বিরতি নয়। বরং অল্প অল্প করে নিয়মিত পড়ুন। এক দিনে সব শেষ করার চাপ নেবেন না। মনোযোগ দিয়ে দিনে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পড়াই যথেষ্ট। বেশি পড়ার চেয়ে পড়া মনে রাখার কৌশল গুরুত্বপূর্ণ। আমি পড়ার সময় বই বা খাতায় শর্ট নোট করতাম, পরে শুধু সেগুলো রিভিউ করতাম। দিনের শেষে ঘুমানোর আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন—আজ কী শিখলাম?
মোবাইল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ রাখুন
সবকিছু করা যাবে, যদি পড়াশোনার প্রতি নিজের প্রতিশ্রুতি অটুট থাকে। আমিও পড়ার ফাঁকে গান শুনতাম, রিলস দেখতাম—তবে কিছুক্ষণ পর আবার পড়ায় ফিরে আসতাম। এগুলো পূর্ণ অবসর নয়, কেবল স্বল্পবিরতি। পড়ার মাঝে ১৫-২০ মিনিটের ঘুম নেওয়ার অভ্যাসও ছিল, যা মনে রাখতে সহায়তা করত।
হতাশ হবেন না
আমারও হতাশা এসেছে, সবারই আসে। প্রস্তুতির সময়ে নানা কারণে হতাশা সৃষ্টি হয়, এটিই স্বাভাবিক। প্রতিদিন পড়া সমান হবে না; কোনো দিন ভালো যাবে, কোনো দিন খারাপ, আবার কোনো দিন নাও পড়তে পারেন। তবে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া চলবে না। গ্যাপ হলে আবার শুরু করুন। বিসিএস ক্র্যাক করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো নাছোড়বান্দা মনোভাব—হাল ছাড়বেন না।
বিশেষ পরামর্শ
পড়াশোনা মূলত নিজের সঙ্গে নিজের একটি দায়িত্বপূর্ণ চুক্তি। পড়লেও কেউ বাহবা দেবে না, না পড়লেও কেউ বাধ্য করবে না। দায়িত্ববোধ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি—সবই নিজের কাছে। রিওয়ার্ডও আপনারই। আপনি নিজের ভবিষ্যৎ নিজের হাতেই গড়ে তুলছেন—এ কথা সব সময় মনে রাখুন। সাময়িক সুখের জন্য ভবিষ্যৎকে দূরে ঠেলে নিজের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না।
বিসিএস পরীক্ষা দেশের একটি অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। এখানে একজন চাকরিপ্রার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা ও মানসিক দৃঢ়তার পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করা হয়। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা—প্রতিটি ধাপে প্রয়োজন ভিন্নধর্মী প্রস্তুতি ও গভীর মনোযোগ। সফল হতে হলে নিয়মিত অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস এবং সঠিক কৌশল অবলম্বন অপরিহার্য। ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় সফল হয়ে পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত নাভিদ তাসনিম তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বিসিএস প্রস্তুতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর অভিজ্ঞতালব্ধ কথাগুলো শুনেছেন শাহ বিলিয়া জুলফিকার।
ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই
না, এভাবেই পড়তে হবে, নির্দিষ্টসংখ্যক পৃষ্ঠা রচনা লিখতেই হবে, এমন কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নেই। কেউ এমন দাবি করলেও তা মানার প্রয়োজন নেই। লিখিত পরীক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গুণগত মানসম্পন্ন লেখা। এই মান ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। নিজের প্রস্তুতিতে পূর্ণ স্বাধীনতা রাখুন, প্রয়োজনে এক্সপেরিমেন্ট করুন, নিজের উপযোগী পদ্ধতি নিজেই তৈরি করুন।
লাখো মানুষ পরীক্ষা দিচ্ছে, আমি কি পারব?
প্রথমেই নিজেকে বিশ্বাস করুন, অবশ্যই পারবেন। যাঁরা সফল হচ্ছেন, তাঁরাও মানুষ; আপনিও মানুষ। সবাই সমৃদ্ধ পরিবার থেকে আসেনি। এমনকি আপনার চেয়েও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে থাকা অনেকে ধীরে ধীরে ক্যাডার হতে পেরেছেন। ত্মবিশ্বাসের অভাবে বসে বসে সম্ভাবনার হিসাব কষবেন না। জীবন কোনো গাণিতিক প্রোবাবিলিটি দিয়ে চলে না। মনে রাখবেন, সবকিছু সৃষ্টিকর্তার হাতে। নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে প্রস্তুতি নিন।
শর্ট সাজেশনের ফাঁদে পড়বেন না
প্রথমবার সময় নিয়ে সব বিষয় পড়ুন। অন্তত একটি পূর্ণাঙ্গ রিডিং দিন। গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো চিহ্নিত করুন। প্রতিটি অধ্যায় শেষে বিগত বছরের প্রশ্নপত্র দেখুন—কোন অংশ থেকে বেশি প্রশ্ন আসে, সে সম্পর্কে ধারণা নিন। দ্বিতীয়বার পড়ার সময় ওই অংশগুলো আরও গভীরভাবে অধ্যয়ন করুন।

‘কমন’ খুঁজতে গিয়ে কমনসেন্স হারাবেন না
একটি বই কয়েকবার পড়ুন। নিত্যনতুন বই কেনার প্রবণতা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ‘লাস্টবার অনেক কমন এসেছে’—এ ভাবনা থেকে দূরে থাকুন। একটি বই ভালোভাবে বারবার পড়াই সবচেয়ে কার্যকর। প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির সময় আমি ২ থেকে ৩ বছরের পুরোনো বই দিয়েই একাধিক বিসিএস দিয়েছি, কোনো সমস্যা হয়নি। বইয়ে পেনসিল দিয়ে দাগ দিন—যতবার দাগ দেবেন, পড়া তত দীর্ঘদিন মনে থাকবে।
আলোচনা করুন, বোঝানোর চেষ্টা করুন
সমমনা একটি গ্রুপ থাকলে ভালো। মেসে থাকলে রুমমেটের সঙ্গে আলোচনা করুন। নিজেকে ধরে নিন, আপনি যা পড়েছেন, সেটি কাউকে লেকচার দিচ্ছেন। কাউকে বোঝানোর চেষ্টা করলে নিজের পড়াও স্পষ্ট হয়। বাস্তব উদাহরণ ব্যবহার করুন। সহজভাবে বোঝাতে না পারলে ধরে নিন, বিষয়টি আপনি এখনো পুরোপুরি বোঝেননি। বিষয় ক্লিয়ার না হওয়া পর্যন্ত গুগল বা চ্যাটজিপিটির সাহায্য নিন। পাশাপাশি শর্ট নোট তৈরি করুন, পরবর্তী সময়ে সেগুলোই রিভিউ করুন।
নিজের পড়াশোনার দায়িত্ব নিজেকে নিতে হবে
দুই দিন পড়ে তিন দিন বিরতি নয়। বরং অল্প অল্প করে নিয়মিত পড়ুন। এক দিনে সব শেষ করার চাপ নেবেন না। মনোযোগ দিয়ে দিনে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পড়াই যথেষ্ট। বেশি পড়ার চেয়ে পড়া মনে রাখার কৌশল গুরুত্বপূর্ণ। আমি পড়ার সময় বই বা খাতায় শর্ট নোট করতাম, পরে শুধু সেগুলো রিভিউ করতাম। দিনের শেষে ঘুমানোর আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন—আজ কী শিখলাম?
মোবাইল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ রাখুন
সবকিছু করা যাবে, যদি পড়াশোনার প্রতি নিজের প্রতিশ্রুতি অটুট থাকে। আমিও পড়ার ফাঁকে গান শুনতাম, রিলস দেখতাম—তবে কিছুক্ষণ পর আবার পড়ায় ফিরে আসতাম। এগুলো পূর্ণ অবসর নয়, কেবল স্বল্পবিরতি। পড়ার মাঝে ১৫-২০ মিনিটের ঘুম নেওয়ার অভ্যাসও ছিল, যা মনে রাখতে সহায়তা করত।
হতাশ হবেন না
আমারও হতাশা এসেছে, সবারই আসে। প্রস্তুতির সময়ে নানা কারণে হতাশা সৃষ্টি হয়, এটিই স্বাভাবিক। প্রতিদিন পড়া সমান হবে না; কোনো দিন ভালো যাবে, কোনো দিন খারাপ, আবার কোনো দিন নাও পড়তে পারেন। তবে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া চলবে না। গ্যাপ হলে আবার শুরু করুন। বিসিএস ক্র্যাক করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো নাছোড়বান্দা মনোভাব—হাল ছাড়বেন না।
বিশেষ পরামর্শ
পড়াশোনা মূলত নিজের সঙ্গে নিজের একটি দায়িত্বপূর্ণ চুক্তি। পড়লেও কেউ বাহবা দেবে না, না পড়লেও কেউ বাধ্য করবে না। দায়িত্ববোধ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি—সবই নিজের কাছে। রিওয়ার্ডও আপনারই। আপনি নিজের ভবিষ্যৎ নিজের হাতেই গড়ে তুলছেন—এ কথা সব সময় মনে রাখুন। সাময়িক সুখের জন্য ভবিষ্যৎকে দূরে ঠেলে নিজের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না।

চীনের হেনান ইউনিভার্সিটিতে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তির আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দেশটির সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত চায়নিজ গভর্নমেন্ট স্কলারশিপের (সিএসএস) আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই...
১৭ ঘণ্টা আগে
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৬তম সমাবর্তন। অনুষ্ঠানে মোট ৩ হাজার ৩২২ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হয়, যার মধ্যে ২ হাজার ৬৪৬ জন স্নাতক এবং ৬৭৬ জন স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী।
১ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচনের ফলাফলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ২১ পদের মধ্যে ১৬টিতে জয়ী হয়েছে শিবির-সমর্থিত প্যানেল
২ দিন আগে
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) এবং প্রাইম ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি ক্যাম্পাসে ‘গার্ডিয়ান ইনস্যুরেন্স ক্লেইম চেক হ্যান্ডওভার সিরিমনি’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিমা সুবিধার এক অনন্য মাইলফলক...
২ দিন আগে