জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে রাজধানীর গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’ উদ্বোধন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে আড়ম্বরপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আজ মঙ্গলবার সাবেক শিক্ষাসচিব মো. নজরুল ইসলাম এই কর্নার উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে মো. নজরুল ইসলাম খান বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু রাজনৈতিক নেতা নয়, তিনি একজন ভালো শিক্ষক ও লেখকও বটে। সুতরাং প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে হবে।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে স্থাপিত এই কর্নার নতুন প্রজন্মকে জাতির পিতা সম্পর্কে জানতে আরও বেশি আগ্রহী করে তুলবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বলেন, গ্রন্থাগারে শুধু বই নয়, এখানে জীবন্ত মানুষের বিচরণ থাকে। এখানে যেমন দেশীয় লেখকদের পাওয়া যায়, তেমনি বিশ্বের বড় বড় লেখকদের সংস্পর্শও পাওয়া যায়।
উপাচার্য বলেন, তরুণ প্রজন্মকে পড়ালেখার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানতে হবে, তাহলেই তাঁর দর্শনের আলোকে উন্নত বাংলাদেশ গড়া সহজ হবে।
উপাচার্য নব স্থাপিত বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের বই সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি করা হবে আশ্বাস দেন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আজাদ, ফ্যাকাল্টি অব ল’ এবং আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব, ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তারেক আজিজ, ডিসটিংগুইজড প্রফেসর ও টেক্সটাইল বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নিতাই চন্দ্র সূত্রধর, ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান মো. আশিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে আন্তবিভাগীয় প্রতিযোগিতা ‘টেক্সটাইটান্স’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
বছর যায়, বছর আসে। সময়ের অবিরাম প্রবাহে মানুষের জীবনে জমা হয় অসংখ্য স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা। পুরোনোকে বিদায় এবং নতুনকে বরণে যখন সবাই ব্যস্ত, তখন দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠকবন্ধু শাখাগুলোও বসে থাকেনি।
১০ ঘণ্টা আগে
বৈশাখের ছোঁয়ায় নতুন রূপে সেজেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অপরূপ ছায়াঘেরা সবুজ ক্যাম্পাসে দাঁড়িয়ে থাকা পুরোনো গাছগুলো যেন চারদিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে নবজীবনের এক বার্তা। কোথাও রক্তরাঙা ফুলে ছেয়ে গেছে ডালপালা, আবার কোথাও ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে আম ও লিচুগাছ।
১০ ঘণ্টা আগে
ম্রো জনগোষ্ঠীর কোনো মেয়ে এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি যেমন একটি বড় অপূর্ণতা ছিল, তেমনি ম্রো জনগোষ্ঠীর মেয়েদের জন্যও ছিল এক অপ্রাপ্তি। সেই অপ্রাপ্তি পূরণ করলেন য়াপাও ম্রো।
১১ ঘণ্টা আগে