নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট ও শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী গাজিকালুর টিলায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম বুলবুল আহমেদ (২২)। তিনি লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। নরসিংদী জেলা সদরের চিনিশপুর নন্দীপাড়ার মৃত ওহাব আলীর ছেলে তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান (রহ.) হলের শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
ওসমানী হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ওই শিক্ষার্থীর হাতে ও বুকে আঘাত রয়েছে। বুকে বড় আঘাত পেয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়।
বুলবুলের সহপাঠী অমিত ভৌমিক বলেন, ‘সন্ধ্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজী কালুর টিলায় তাঁকে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইকারীরা। হাসপাতালে আনা হলে সেখানে মারা যায় বুলবুল।’
এ বিষয়ে শাবির সহকারী প্রক্টর আবু হেনা পহিল আজকের বলেন, ‘বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাতে ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় তাঁকে কয়েকজন শিক্ষার্থী উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে নিয়ে যান। সেখানেই তার পালস ছিল না। পরে তাঁকে এমএজি ওসমানি মেডিকেলে কলেজে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিকেলে শিক্ষার্থীরা ওই টিলায় ঘুরতে যান জানান সহকারী প্রক্টর পহিল। তবে কে বা কারা ছুরিকাঘাত করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।’
এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনার অনুমতি নিয়েছি। মাত্র ঘটনাটি ঘটল, কাজ করতেছি। আমরা সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে বিষয়টি দেখতেছি। আশা করি শিগগিরই হত্যাকারীকে খুঁজে বের করতে পারব।’

দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী গাজিকালুর টিলায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম বুলবুল আহমেদ (২২)। তিনি লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। নরসিংদী জেলা সদরের চিনিশপুর নন্দীপাড়ার মৃত ওহাব আলীর ছেলে তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান (রহ.) হলের শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
ওসমানী হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ওই শিক্ষার্থীর হাতে ও বুকে আঘাত রয়েছে। বুকে বড় আঘাত পেয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়।
বুলবুলের সহপাঠী অমিত ভৌমিক বলেন, ‘সন্ধ্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজী কালুর টিলায় তাঁকে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইকারীরা। হাসপাতালে আনা হলে সেখানে মারা যায় বুলবুল।’
এ বিষয়ে শাবির সহকারী প্রক্টর আবু হেনা পহিল আজকের বলেন, ‘বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাতে ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় তাঁকে কয়েকজন শিক্ষার্থী উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে নিয়ে যান। সেখানেই তার পালস ছিল না। পরে তাঁকে এমএজি ওসমানি মেডিকেলে কলেজে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিকেলে শিক্ষার্থীরা ওই টিলায় ঘুরতে যান জানান সহকারী প্রক্টর পহিল। তবে কে বা কারা ছুরিকাঘাত করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।’
এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনার অনুমতি নিয়েছি। মাত্র ঘটনাটি ঘটল, কাজ করতেছি। আমরা সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে বিষয়টি দেখতেছি। আশা করি শিগগিরই হত্যাকারীকে খুঁজে বের করতে পারব।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫