সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের দাবিতে ফের বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেছেন প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টা থেকে প্রশাসন ভবন-১-এর সামনে কর্মসূচি পালন করেন এবং আজই চেম্বার আদালতে শুনানি ও ২১ জানুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘হাইকোর্ট না শাকসু, শাকসু শাকসু’; ‘শাকসু নিয়ে টালবাহানা, মানি না মানব না’; ‘হাদি ভাই শিখিয়ে গেছে, লড়াই করে বাঁচতে হবে’; ‘সাস্টিয়ানদের ডিসিশন, কালকে হবে নির্বাচন’; ‘আমাদের ডিসিশন, মানতে হবে প্রশাসন’; ‘শাকসু আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’; ‘শাকসু চাই শাকসু দাও, নয়তো গদি ছাইড়া দাও’ এসব বলে স্লোগান দেন।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘আজকের মধ্যেই ২১ তারিখে শাকসু নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা আসতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের কারণে ২২ তারিখ থেকে শাকসু আয়োজনের সুযোগ নেই। তাই আজকে যদি চেম্বার শুনানি না হয়, তাহলে এর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হবে। ২১ তারিখ নির্বাচন না হলে সাস্টিয়ানরা বসে থাকবে না। কোনো কারণে যদি শাকসু না হয়, এর ভয়াবহতা এ ক্যাম্পাস ছাড়াও জাতীয় অঙ্গনেও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি।’
এ বিষয়ে শাকসু নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চেম্বার জজ আদালতে আপিল করা হয়েছে। আমরা শুনানির জন্য অপেক্ষায় আছি। চেম্বার জজ আদালত নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দিলে, তখন একটা ফাইনাল জায়গায় আমরা যেতে পারি। এখন ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন আজকে শুনানি করার জন্য। নির্বাচনের পক্ষে রায় এলে নির্বাচন হবে আর না এলে চার সপ্তাহ পরে হবে। আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো সমস্যা নেই। যেকোনো সময় আমরা নির্বাচন দিতে পারব। এখন শুধু রায়ের জন্য অপেক্ষা।’
উল্লেখ্য, সবকিছু ঠিক থাকলে দীর্ঘ ২৮ বছর পরে আজ শাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় এই নির্বাচন বারবার পিছিয়ে যায়। পরে গতকাল সোমবার হাইকোর্টের আদেশে নির্বাচন স্থগিত হলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। তাঁরা সোমবার প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দুপুর ১২টা থেকে প্রায় ১৩ ঘণ্টা ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রোভিসিসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে রাত ১টায় তাঁদেরকে বিভিন্ন শর্তে মুক্ত করে দেন।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের দাবিতে ফের বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেছেন প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টা থেকে প্রশাসন ভবন-১-এর সামনে কর্মসূচি পালন করেন এবং আজই চেম্বার আদালতে শুনানি ও ২১ জানুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘হাইকোর্ট না শাকসু, শাকসু শাকসু’; ‘শাকসু নিয়ে টালবাহানা, মানি না মানব না’; ‘হাদি ভাই শিখিয়ে গেছে, লড়াই করে বাঁচতে হবে’; ‘সাস্টিয়ানদের ডিসিশন, কালকে হবে নির্বাচন’; ‘আমাদের ডিসিশন, মানতে হবে প্রশাসন’; ‘শাকসু আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’; ‘শাকসু চাই শাকসু দাও, নয়তো গদি ছাইড়া দাও’ এসব বলে স্লোগান দেন।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘আজকের মধ্যেই ২১ তারিখে শাকসু নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা আসতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের কারণে ২২ তারিখ থেকে শাকসু আয়োজনের সুযোগ নেই। তাই আজকে যদি চেম্বার শুনানি না হয়, তাহলে এর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হবে। ২১ তারিখ নির্বাচন না হলে সাস্টিয়ানরা বসে থাকবে না। কোনো কারণে যদি শাকসু না হয়, এর ভয়াবহতা এ ক্যাম্পাস ছাড়াও জাতীয় অঙ্গনেও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি।’
এ বিষয়ে শাকসু নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চেম্বার জজ আদালতে আপিল করা হয়েছে। আমরা শুনানির জন্য অপেক্ষায় আছি। চেম্বার জজ আদালত নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দিলে, তখন একটা ফাইনাল জায়গায় আমরা যেতে পারি। এখন ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন আজকে শুনানি করার জন্য। নির্বাচনের পক্ষে রায় এলে নির্বাচন হবে আর না এলে চার সপ্তাহ পরে হবে। আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো সমস্যা নেই। যেকোনো সময় আমরা নির্বাচন দিতে পারব। এখন শুধু রায়ের জন্য অপেক্ষা।’
উল্লেখ্য, সবকিছু ঠিক থাকলে দীর্ঘ ২৮ বছর পরে আজ শাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় এই নির্বাচন বারবার পিছিয়ে যায়। পরে গতকাল সোমবার হাইকোর্টের আদেশে নির্বাচন স্থগিত হলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। তাঁরা সোমবার প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দুপুর ১২টা থেকে প্রায় ১৩ ঘণ্টা ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রোভিসিসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে রাত ১টায় তাঁদেরকে বিভিন্ন শর্তে মুক্ত করে দেন।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও তাঁদের...
১৭ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১৩ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৪ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৪ দিন আগে