নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারী সদরের সোনারায় ইউনিয়নের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বোমা তৈরির বিভিন্ন রাসায়নিক সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র্যাব। এ ছাড়া একটি আইইডি-সদৃশ বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার শেষে সেটি নিষ্ক্রিয় করে র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট।
আজ শনিবার সকালে ওই ইউনিয়নের পুঁটিহারী গ্রামের মাঝাপাড়ার একটি বাড়িতে এই অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বাড়িটির মালিক শরিফুল ইসলাম ওরফে শরিফ।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খন্দকার আল মঈন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে সোনারায় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে ওহিদুল ইসলাম, ওয়াহেদ আলী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জাহিদুল ইসলাম ও নুরুল আমিনকে আটক করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে, শরিফুল ইসলাম শরিফের বাড়িতে বোমা তৈরি করা হতো। এ ছাড়া ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার কথাও স্বীকার করেন তাঁরা।
র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযানের খবর পেয়ে বাড়ির মালিক শরিফ উদ্দিন আগেই পালিয়ে যান। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্ত্রী মিনা খাতুন ও তার শাশুড়ি খোদেজা বেগমকে আটক করে রংপুর র্যাব ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছে।’

স্থানীয়রা জানান, র্যাবের হাতে আটক হওয়া পাঁচজনই স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ছাত্র ও সহপাঠী ছিলেন। এদের মধ্যে বাড়ির মালিক শরিফুল ইসলাম ২০২০ সালে চকলে কাজীরহাট ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে ফাজিল পাস করেন। দুই সন্তানের জনক শরিফুল বর্তমানে রাজমিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এ ছাড়া আটক নুর আমিন তেলিপাড়া জামে মসজিতের ইমাম এবং ওই মসজিতের পাশেই সহোদর জাহিদুল ইসলাম ও ওহিদুল ইসলামের বাড়ি।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সোনারায় এলাকার খড়খড়িয়া নদীর তীরে একটি বাড়িতে জঙ্গিরা অবস্থান করছে এমন সংবাদে ভোর থেকে র্যাবের সদস্যরা বাড়িটির আশপাশ ঘিরে ফেলে। সকাল ৯টার দিকে রংপুর থেকে র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল কে এম আজাদ এবং র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
সকাল ১০টার দিকে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল কে এম আজাদের নেতৃত্বে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘ওয়াহেদ আলীর নেতৃত্বে এই বাড়িতে বোমা তৈরির কাজ করা হতো বলে আমরা জেনেছি। রংপুর অঞ্চলে তিনি এই কাজ করতেন।’

নীলফামারী সদরের সোনারায় ইউনিয়নের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বোমা তৈরির বিভিন্ন রাসায়নিক সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র্যাব। এ ছাড়া একটি আইইডি-সদৃশ বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার শেষে সেটি নিষ্ক্রিয় করে র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট।
আজ শনিবার সকালে ওই ইউনিয়নের পুঁটিহারী গ্রামের মাঝাপাড়ার একটি বাড়িতে এই অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বাড়িটির মালিক শরিফুল ইসলাম ওরফে শরিফ।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খন্দকার আল মঈন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে সোনারায় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে ওহিদুল ইসলাম, ওয়াহেদ আলী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জাহিদুল ইসলাম ও নুরুল আমিনকে আটক করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে, শরিফুল ইসলাম শরিফের বাড়িতে বোমা তৈরি করা হতো। এ ছাড়া ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার কথাও স্বীকার করেন তাঁরা।
র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযানের খবর পেয়ে বাড়ির মালিক শরিফ উদ্দিন আগেই পালিয়ে যান। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্ত্রী মিনা খাতুন ও তার শাশুড়ি খোদেজা বেগমকে আটক করে রংপুর র্যাব ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছে।’

স্থানীয়রা জানান, র্যাবের হাতে আটক হওয়া পাঁচজনই স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ছাত্র ও সহপাঠী ছিলেন। এদের মধ্যে বাড়ির মালিক শরিফুল ইসলাম ২০২০ সালে চকলে কাজীরহাট ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে ফাজিল পাস করেন। দুই সন্তানের জনক শরিফুল বর্তমানে রাজমিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এ ছাড়া আটক নুর আমিন তেলিপাড়া জামে মসজিতের ইমাম এবং ওই মসজিতের পাশেই সহোদর জাহিদুল ইসলাম ও ওহিদুল ইসলামের বাড়ি।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সোনারায় এলাকার খড়খড়িয়া নদীর তীরে একটি বাড়িতে জঙ্গিরা অবস্থান করছে এমন সংবাদে ভোর থেকে র্যাবের সদস্যরা বাড়িটির আশপাশ ঘিরে ফেলে। সকাল ৯টার দিকে রংপুর থেকে র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল কে এম আজাদ এবং র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
সকাল ১০টার দিকে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল কে এম আজাদের নেতৃত্বে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘ওয়াহেদ আলীর নেতৃত্বে এই বাড়িতে বোমা তৈরির কাজ করা হতো বলে আমরা জেনেছি। রংপুর অঞ্চলে তিনি এই কাজ করতেন।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে