নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অন্য ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। এ ছাড়া ৯ স্বতন্ত্র প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
গতকাল শনিবার রিটার্নি কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে এ তথ্য জানা যায়।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির শরীফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও এবি পার্টির আব্দুর রহমান; রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলনের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল হক ও নাগরিক ঐক্যের সামছুল আলম।
রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন; রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির ডি এম ডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতের আব্দুল বারী; রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম ও জামায়াতের মনজুর রহমান এবং রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ, জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হক ও ইসলামী আন্দোলনের আব্দুস সালাম সুরুজ।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন রাজশাহী-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মীর মো. শাহাজান, রাজশাহী-২ আসনে এলডিপির মো. ওয়াহেদুজ্জামান, রাজশাহী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের ফজলুর রহমান, আমজনতার দলের সাঈদ পারভেজ, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে জাতীয় পার্টির ফজলুল হক, ইসলামী আন্দোলনের তাজুল ইসলাম খান, রাজশাহী-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলনের রুহুল আমিন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) আলতাফ হোসেন মোল্লা এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন।
এদিকে জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে ৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাঁদের মধ্যে একজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন দুটি আসনে।
আট স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে সমর্থক হিসেবে জমা দেওয়া নির্বাচনী এলাকার এক শতাংশ ভোটারের তালিকায় গরমিল থাকায় এবং অন্যজন ঋণখেলাপি।
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাঁর জমা দেওয়া এক শতাংশ ভোটারের তালিকায় গরমিল রয়েছে। সমর্থনকারী ১০ জন ভোটারকে খোঁজা হয়েছে।
এর মধ্যে ছয়জনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তারেকের আয়-ব্যয়ের নথিতেও স্বাক্ষর ছিল না। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদের সমর্থনকারীদের মধ্যে দুজন মৃত ভোটার পাওয়া গেছে আর চারজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমেদের সমর্থনকারীদের তালিকায় গরমিল পাওয়া গেছে। জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা শাহাবুদ্দিন রাজশাহী-২ ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তাঁর সমর্থনকারীদের তালিকায়ও পাওয়া গেছে মৃত ভোটার। আয়করও দেননি তিনি। তাই তাঁরও মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
রাজশাহী-৩ আসনের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহনপুর উপজেলা কৃষক লীগের নেত্রী হাবিবা বেগম এক শতাংশ ভোটারের তালিকাই দিতে পারেননি। স্বাক্ষর ছিল না মনোনয়নপত্রে।
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী লন্ডনপ্রবাসী জিয়া পরিষদের নেতা রেজাউল করিম হলফনামায় স্বাক্ষরই দেননি। এ ছাড়া তাঁর এক শতাংশ ভোটারের তালিকায়ও মৃত ব্যক্তি পাওয়া গেছে। ৯ বছর ধরে বিদেশে আছেন—এমন ব্যক্তিরও স্বাক্ষর রয়েছে।
ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী সমর্থক আইনজীবী রায়হান কাওসারেরও এক শতাংশ ভোটার তালিকায় গরমিল পাওয়া গেছে। এই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা ইসফা খায়রুল হক শিমুলেরও ভোটার তালিকায় গরমিলের পাশাপাশি অন্যান্য ত্রুটি পাওয়া গেছে। তাঁরও মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজশাহী-৫ আসনের বিএনপি নেতা জুলফার নাঈম মোস্তফার ভোটার তালিকা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও তিনি ঋণখেলাপি হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার বলেন, একজন প্রার্থীর ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে জটিলতার কারণে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ কিংবা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। যাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁরা এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। স্মারকলিপি আকারে সেদিন তাঁদের সাত সেট নথি জমা দিতে হবে।

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অন্য ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। এ ছাড়া ৯ স্বতন্ত্র প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
গতকাল শনিবার রিটার্নি কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে এ তথ্য জানা যায়।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির শরীফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও এবি পার্টির আব্দুর রহমান; রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলনের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল হক ও নাগরিক ঐক্যের সামছুল আলম।
রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন; রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির ডি এম ডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতের আব্দুল বারী; রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম ও জামায়াতের মনজুর রহমান এবং রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ, জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হক ও ইসলামী আন্দোলনের আব্দুস সালাম সুরুজ।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন রাজশাহী-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মীর মো. শাহাজান, রাজশাহী-২ আসনে এলডিপির মো. ওয়াহেদুজ্জামান, রাজশাহী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের ফজলুর রহমান, আমজনতার দলের সাঈদ পারভেজ, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে জাতীয় পার্টির ফজলুল হক, ইসলামী আন্দোলনের তাজুল ইসলাম খান, রাজশাহী-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলনের রুহুল আমিন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) আলতাফ হোসেন মোল্লা এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন।
এদিকে জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে ৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাঁদের মধ্যে একজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন দুটি আসনে।
আট স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে সমর্থক হিসেবে জমা দেওয়া নির্বাচনী এলাকার এক শতাংশ ভোটারের তালিকায় গরমিল থাকায় এবং অন্যজন ঋণখেলাপি।
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাঁর জমা দেওয়া এক শতাংশ ভোটারের তালিকায় গরমিল রয়েছে। সমর্থনকারী ১০ জন ভোটারকে খোঁজা হয়েছে।
এর মধ্যে ছয়জনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তারেকের আয়-ব্যয়ের নথিতেও স্বাক্ষর ছিল না। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদের সমর্থনকারীদের মধ্যে দুজন মৃত ভোটার পাওয়া গেছে আর চারজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমেদের সমর্থনকারীদের তালিকায় গরমিল পাওয়া গেছে। জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা শাহাবুদ্দিন রাজশাহী-২ ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তাঁর সমর্থনকারীদের তালিকায়ও পাওয়া গেছে মৃত ভোটার। আয়করও দেননি তিনি। তাই তাঁরও মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
রাজশাহী-৩ আসনের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহনপুর উপজেলা কৃষক লীগের নেত্রী হাবিবা বেগম এক শতাংশ ভোটারের তালিকাই দিতে পারেননি। স্বাক্ষর ছিল না মনোনয়নপত্রে।
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী লন্ডনপ্রবাসী জিয়া পরিষদের নেতা রেজাউল করিম হলফনামায় স্বাক্ষরই দেননি। এ ছাড়া তাঁর এক শতাংশ ভোটারের তালিকায়ও মৃত ব্যক্তি পাওয়া গেছে। ৯ বছর ধরে বিদেশে আছেন—এমন ব্যক্তিরও স্বাক্ষর রয়েছে।
ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী সমর্থক আইনজীবী রায়হান কাওসারেরও এক শতাংশ ভোটার তালিকায় গরমিল পাওয়া গেছে। এই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা ইসফা খায়রুল হক শিমুলেরও ভোটার তালিকায় গরমিলের পাশাপাশি অন্যান্য ত্রুটি পাওয়া গেছে। তাঁরও মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজশাহী-৫ আসনের বিএনপি নেতা জুলফার নাঈম মোস্তফার ভোটার তালিকা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও তিনি ঋণখেলাপি হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার বলেন, একজন প্রার্থীর ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে জটিলতার কারণে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ কিংবা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। যাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁরা এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। স্মারকলিপি আকারে সেদিন তাঁদের সাত সেট নথি জমা দিতে হবে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৪ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২৩ দিন আগে