প্রতিনিধি (বগুড়া) শেরপুর

বগুড়ার শেরপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে শেরপুর থানা–পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম মো. সোহাগ (২৫)। তিনি সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা গ্রামের মজনু আকন্দের ছেলে। গতকাল শনিবার রাতে তাঁকে শেরপুর উপজেলার শুভগাছা গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ধর্ষণ মামলায় বলা হয়, মো. সোহাগ শেরপুরের বোয়ালমারী এলাকায় মাটির কাটার কাজ করতেন। তিনি বাদীর বাড়িতে মেশিনের মবিল ও তেল রাখতেন। সেই সূত্রে ওই কিশোরীর সঙ্গে তাঁর পরিচয়। গত শুক্রবার রাতে মেয়েটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হলে আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নিয়ে থাকা সোহাগ তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। এরপর মেয়েটিকে ফসলের খেতে ধর্ষণ করে রাস্তার পাশে রেখে যান। বাড়ির লোকজন মেয়েটিকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে বাড়িতে ও চারপাশে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। এরপর তাঁকে বাড়ির পাশেই রাস্তায় পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। গতকাল সন্ধ্যায় মেয়েটির বাবা থানায় অভিযোগ করলে রাতেই পুলিশ সোহাগকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরপুর থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় শেরপুর থানায় গতকাল শনিবার দিবাগত সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীকে অপহরণ ও ফসলি জমিতে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এরপরই অভিযান চালিয়ে উপজেলা শুভগাছা বাজার এলাকা থেকে সোহাগকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শেরপুর থানা–পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) লাল মিয়া বলেন, আজ রোববার এই মামলায় গ্রেপ্তারকৃত সোহাগকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়ার কারাগারে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই কিশোরীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বগুড়ার শেরপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে শেরপুর থানা–পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম মো. সোহাগ (২৫)। তিনি সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা গ্রামের মজনু আকন্দের ছেলে। গতকাল শনিবার রাতে তাঁকে শেরপুর উপজেলার শুভগাছা গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ধর্ষণ মামলায় বলা হয়, মো. সোহাগ শেরপুরের বোয়ালমারী এলাকায় মাটির কাটার কাজ করতেন। তিনি বাদীর বাড়িতে মেশিনের মবিল ও তেল রাখতেন। সেই সূত্রে ওই কিশোরীর সঙ্গে তাঁর পরিচয়। গত শুক্রবার রাতে মেয়েটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হলে আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নিয়ে থাকা সোহাগ তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। এরপর মেয়েটিকে ফসলের খেতে ধর্ষণ করে রাস্তার পাশে রেখে যান। বাড়ির লোকজন মেয়েটিকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে বাড়িতে ও চারপাশে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। এরপর তাঁকে বাড়ির পাশেই রাস্তায় পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। গতকাল সন্ধ্যায় মেয়েটির বাবা থানায় অভিযোগ করলে রাতেই পুলিশ সোহাগকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরপুর থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় শেরপুর থানায় গতকাল শনিবার দিবাগত সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীকে অপহরণ ও ফসলি জমিতে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এরপরই অভিযান চালিয়ে উপজেলা শুভগাছা বাজার এলাকা থেকে সোহাগকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শেরপুর থানা–পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) লাল মিয়া বলেন, আজ রোববার এই মামলায় গ্রেপ্তারকৃত সোহাগকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়ার কারাগারে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই কিশোরীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৪ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২৩ দিন আগে