
পাকিস্তানে আবছার আলম নামের এক প্রবীণ সাংবাদিককে গুলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার ইসলামাবাদে নিজ বাড়ির কাছেই গুলিবিদ্ধ হন তিনি। সামরিক বাহিনীর সমালোচনা করায় তাঁর ওপর এ হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন সাংবাদিকদের।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিক আবছার আলম পাকিস্তানের ইলেকট্রনিক মিডিয়া রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। গতকাল সন্ধ্যায় ইসলামাবাদে বাসভবনের নিকটবর্তী একটি পার্কে হাঁটার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়ার সময় একটি ভিডিওবার্তায় সাংবাদিক আলম বলেন, ‘আমার পাঁজরে গুলি লেগেছে। বন্দুকধারীকে চিনতে পারিনি। আমি আশা হারাবো না এবং আমার কাজ থেকে বিরত থাকবো না। যারা আমাকে গুলি করেছে তাঁদের প্রতি এই আমার বার্তা।’
সাংবাদিক আবছার আলম এই হামলায় সুনির্দিষ্ট কারও প্রতি অভিযোগ তোলেননি। তবে অনেক সাংবাদিক বলছেন, মাত্র দু’দিন আগে তিনি সামরিক গোয়েন্দা (আইএসআই) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়েজ হামিদের সমালোচনা করে একটি টুইট করেছিলেন। টুইটে তিনি লিখেছিলেন, ২০১৭ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) বা পিএমএল-এন–এর সমালোচনা করে প্রতিবেদন করার জন্য তাকে চাপ দিয়েছিলেন গোয়েন্দা প্রধান।
হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কেউ স্বীকার করেনি। এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদ। একে ‘হত্যাচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী।
এদিকে আজ পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিক আলমের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এেত তাঁদের করণীয়ও কিছু নেই।
এর আগেও প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন আবছার আলম। তিনি পিএমএল-এন-এর প্রতি সহানুভূতিশীল বলে জানা যায়।

পাকিস্তানে আবছার আলম নামের এক প্রবীণ সাংবাদিককে গুলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার ইসলামাবাদে নিজ বাড়ির কাছেই গুলিবিদ্ধ হন তিনি। সামরিক বাহিনীর সমালোচনা করায় তাঁর ওপর এ হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন সাংবাদিকদের।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিক আবছার আলম পাকিস্তানের ইলেকট্রনিক মিডিয়া রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। গতকাল সন্ধ্যায় ইসলামাবাদে বাসভবনের নিকটবর্তী একটি পার্কে হাঁটার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়ার সময় একটি ভিডিওবার্তায় সাংবাদিক আলম বলেন, ‘আমার পাঁজরে গুলি লেগেছে। বন্দুকধারীকে চিনতে পারিনি। আমি আশা হারাবো না এবং আমার কাজ থেকে বিরত থাকবো না। যারা আমাকে গুলি করেছে তাঁদের প্রতি এই আমার বার্তা।’
সাংবাদিক আবছার আলম এই হামলায় সুনির্দিষ্ট কারও প্রতি অভিযোগ তোলেননি। তবে অনেক সাংবাদিক বলছেন, মাত্র দু’দিন আগে তিনি সামরিক গোয়েন্দা (আইএসআই) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়েজ হামিদের সমালোচনা করে একটি টুইট করেছিলেন। টুইটে তিনি লিখেছিলেন, ২০১৭ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) বা পিএমএল-এন–এর সমালোচনা করে প্রতিবেদন করার জন্য তাকে চাপ দিয়েছিলেন গোয়েন্দা প্রধান।
হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কেউ স্বীকার করেনি। এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদ। একে ‘হত্যাচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী।
এদিকে আজ পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিক আলমের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এেত তাঁদের করণীয়ও কিছু নেই।
এর আগেও প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন আবছার আলম। তিনি পিএমএল-এন-এর প্রতি সহানুভূতিশীল বলে জানা যায়।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
১ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে