আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর লাতিন আমেরিকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। এক কড়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘এসে ধরুন আমাকে। আমি এখানেই আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছি।’
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার (৫ জানুয়ারি) পেত্রো সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি বোমা ফেলে, তাহলে পাহাড়ে হাজার হাজার কৃষক গেরিলায় পরিণত হবেন। তিনি আরও বলেন, যদি তারা এমন একজন প্রেসিডেন্টকে আটক করে, যাঁকে দেশের একটি বড় অংশ ভালোবাসে ও সম্মান করে, তাহলে তারা জনগণের জাগুয়ারকে মুক্ত করে দেবে।
একসময় বামপন্থী গেরিলা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকা পেত্রো জানান, নব্বইয়ের দশকে অস্ত্র ত্যাগ করার শপথ নিয়েছিলেন তিনি। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হলে আবারও অস্ত্র ধরতে বাধ্য হবেন বলেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘আমি শপথ করেছিলাম আর অস্ত্র ধরব না। কিন্তু মাতৃভূমির প্রয়োজনে সেই শপথ ভাঙতেও দ্বিধা করব না।’
এর আগে গত রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেন, কলম্বিয়া একজন অসুস্থ মানুষের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন বিক্রি করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘কলম্বিয়া খুবই রুগ্ণ। দেশটি চালাচ্ছে এমন একজন মানুষ, যে কোকেন তৈরি ও বিক্রি করতে ভালোবাসে। সে বেশি দিন এমনটা করতে পারবে না।’ এমনকি কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তাবও তাঁর কাছে ‘ভালো মনে হচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এই উত্তেজনার মধ্যেই কলম্বিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটি সংলাপ, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্কের ক্ষেত্রে হুমকি বা শক্তি প্রয়োগকে তারা সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করে।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে ডোনাল্ড ট্রাম্প পেত্রো ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। কলম্বিয়া বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোকেন উৎপাদক দেশ।
উল্লেখ্য, গত আগস্টে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোও ট্রাম্পকে একইভাবে ‘আমাকে এসে ধরুন’ বলে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী গ্রেপ্তার হন, যা লাতিন আমেরিকায় নতুন করে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর লাতিন আমেরিকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। এক কড়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘এসে ধরুন আমাকে। আমি এখানেই আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছি।’
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার (৫ জানুয়ারি) পেত্রো সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি বোমা ফেলে, তাহলে পাহাড়ে হাজার হাজার কৃষক গেরিলায় পরিণত হবেন। তিনি আরও বলেন, যদি তারা এমন একজন প্রেসিডেন্টকে আটক করে, যাঁকে দেশের একটি বড় অংশ ভালোবাসে ও সম্মান করে, তাহলে তারা জনগণের জাগুয়ারকে মুক্ত করে দেবে।
একসময় বামপন্থী গেরিলা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকা পেত্রো জানান, নব্বইয়ের দশকে অস্ত্র ত্যাগ করার শপথ নিয়েছিলেন তিনি। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হলে আবারও অস্ত্র ধরতে বাধ্য হবেন বলেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘আমি শপথ করেছিলাম আর অস্ত্র ধরব না। কিন্তু মাতৃভূমির প্রয়োজনে সেই শপথ ভাঙতেও দ্বিধা করব না।’
এর আগে গত রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেন, কলম্বিয়া একজন অসুস্থ মানুষের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন বিক্রি করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘কলম্বিয়া খুবই রুগ্ণ। দেশটি চালাচ্ছে এমন একজন মানুষ, যে কোকেন তৈরি ও বিক্রি করতে ভালোবাসে। সে বেশি দিন এমনটা করতে পারবে না।’ এমনকি কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তাবও তাঁর কাছে ‘ভালো মনে হচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এই উত্তেজনার মধ্যেই কলম্বিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটি সংলাপ, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্কের ক্ষেত্রে হুমকি বা শক্তি প্রয়োগকে তারা সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করে।
উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে ডোনাল্ড ট্রাম্প পেত্রো ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। কলম্বিয়া বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোকেন উৎপাদক দেশ।
উল্লেখ্য, গত আগস্টে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোও ট্রাম্পকে একইভাবে ‘আমাকে এসে ধরুন’ বলে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী গ্রেপ্তার হন, যা লাতিন আমেরিকায় নতুন করে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে