আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের সন্তান ২০ বছর বয়সী সামাইরা ও ১৫ বছরের কিয়ান কাপুর তাঁদের সৎমা প্রিয়া সচদেব কাপুরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নিতে তাঁদের প্রয়াত বাবা সঞ্জয় কাপুরের উইল জাল করেছেন সৎমা। ভারতের আলোচিত এই উত্তরাধিকার বিতর্ক এখন আদালতে পৌঁছেছে। সেখানে এক আইনজীবীর মন্তব্যে পরিস্থিতি আরও নাটকীয় রূপ নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) এনডিটিভি জানিয়েছে, দিল্লি হাই কোর্টে মামলাটির শুনানিতে সিনিয়র আইনজীবী মহেশ জেঠমালানি প্রিয়া সচদেব কাপুরকে ‘সিনড্রেলার সৎমা’ বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, ‘তিনি (প্রিয়া) যেন সেই গল্পের সৎমায়ের মতো, যিনি শুধু নিজের স্বার্থ দেখেন। তিনি লোভী—নিজের জন্য ৬০ শতাংশ সম্পত্তি রেখেছেন, ছেলের জন্য ১২ শতাংশ, আর ট্রাস্টের ৭৫ শতাংশও তাঁর দখলে।’
এই মামলাটি দাখিল করেছেন কারিশমা কাপুরের সন্তানেরা। তাঁদের অভিযোগ, তাঁদের বাবা সঞ্জয় কাপুরের মৃত্যুর পর প্রিয়া সচদেব কাপুর জাল উইলের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেছেন। ২০২৫ সালের ২১ মার্চের ওই উইলটিকে ‘জাল দলিল’ বলে তাঁরা দাবি করেন। সঞ্জয় কাপুর চলতি বছরের জুনে যুক্তরাজ্যে এক পোলো ম্যাচে অংশগ্রহণকালে হঠাৎ মারা যান।
আদালতে কারিশমার সন্তানদের আইনজীবী জেঠমালানি বলেছেন, ‘এই উইলটি এতটাই অগোছালোভাবে তৈরি যে, কোনো অভিজ্ঞ আইনজীবী এর কৃতিত্ব নিতে চাইবেন না। এত বড় সম্পত্তি নিয়ে কোনো শিল্পপতি আইনজীবীর পরামর্শ ছাড়া এমন নথি তৈরি করবেন—এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।’
তিনি আরও জানান, সঞ্জয় কাপুর মার্চের মাঝামাঝিতে তাঁর ছেলে কিয়ানের সঙ্গে ছুটিতে ছিলেন। সেই সময়ই উইলটি সংশোধিত হয়। কিন্তু সেটা কে করল?’
জেঠমালানির দাবি, ওই ফাইল অন্যের ডিভাইসে তৈরি হয়েছিল এবং যিনি সেটা করেছিলেন পরে তাঁকে কোম্পানির পরিচালক করা হয়। তাঁর মতে, যারা উইল জাল করেছে, তারাই পুরস্কৃত হয়েছে।
প্রিয়া সচদেব কাপুরের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী নিতিন শর্মাকে এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন আবেদনকারীরা। তাঁরা জানান, প্রিয়া সচদেব তাঁর সহযোগী দীনেশ আগারওয়াল ও নিতিন শর্মার সঙ্গে যোগসাজশ করে উইলটি কয়েক সপ্তাহ গোপন রাখেন এবং পরে পারিবারিক বৈঠকে প্রকাশ করেন।
এই মামলায় কারিশমা কাপুরের সন্তানেরা তাঁদের বাবার ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে সমান এক-পঞ্চমাংশ করে অধিকার দাবি করেছেন।
অন্যদিকে প্রিয়া সচদেব পক্ষের আইনজীবী রাজিব নায়ার আদালতে দাবি করেছেন, সামাইরা ও কিয়ান ইতিমধ্যে পরিবারের ট্রাস্ট থেকে ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা পেয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন—‘তাহলে তারা আর কী চান?’
তবে এর জবাবে বলেছেন, ‘তাঁদের কিছুই দেওয়া হয়নি। আর তাঁদের বঞ্চিত করার কোনো কারণও বলা হয়নি। এমনকি প্রয়াত সঞ্জয় কাপুরের মা রানি কাপুরও কিছু পাননি।’
প্রয়াত সঞ্জয়ের মা রানি কাপুর নিজেও অভিযোগ করেছেন, তাঁর ছেলের ব্যক্তিগত সম্পদ তাঁর পুত্রবধূ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ছেলের উইল সম্পর্কে জানতে প্রিয়াকে ১৫ টিরও বেশি ইমেইল পাঠিয়েছেন, কিন্তু কোনো উত্তর পাননি।
দিল্লি হাই কোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৩ অক্টোবর।

বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের সন্তান ২০ বছর বয়সী সামাইরা ও ১৫ বছরের কিয়ান কাপুর তাঁদের সৎমা প্রিয়া সচদেব কাপুরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নিতে তাঁদের প্রয়াত বাবা সঞ্জয় কাপুরের উইল জাল করেছেন সৎমা। ভারতের আলোচিত এই উত্তরাধিকার বিতর্ক এখন আদালতে পৌঁছেছে। সেখানে এক আইনজীবীর মন্তব্যে পরিস্থিতি আরও নাটকীয় রূপ নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) এনডিটিভি জানিয়েছে, দিল্লি হাই কোর্টে মামলাটির শুনানিতে সিনিয়র আইনজীবী মহেশ জেঠমালানি প্রিয়া সচদেব কাপুরকে ‘সিনড্রেলার সৎমা’ বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, ‘তিনি (প্রিয়া) যেন সেই গল্পের সৎমায়ের মতো, যিনি শুধু নিজের স্বার্থ দেখেন। তিনি লোভী—নিজের জন্য ৬০ শতাংশ সম্পত্তি রেখেছেন, ছেলের জন্য ১২ শতাংশ, আর ট্রাস্টের ৭৫ শতাংশও তাঁর দখলে।’
এই মামলাটি দাখিল করেছেন কারিশমা কাপুরের সন্তানেরা। তাঁদের অভিযোগ, তাঁদের বাবা সঞ্জয় কাপুরের মৃত্যুর পর প্রিয়া সচদেব কাপুর জাল উইলের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেছেন। ২০২৫ সালের ২১ মার্চের ওই উইলটিকে ‘জাল দলিল’ বলে তাঁরা দাবি করেন। সঞ্জয় কাপুর চলতি বছরের জুনে যুক্তরাজ্যে এক পোলো ম্যাচে অংশগ্রহণকালে হঠাৎ মারা যান।
আদালতে কারিশমার সন্তানদের আইনজীবী জেঠমালানি বলেছেন, ‘এই উইলটি এতটাই অগোছালোভাবে তৈরি যে, কোনো অভিজ্ঞ আইনজীবী এর কৃতিত্ব নিতে চাইবেন না। এত বড় সম্পত্তি নিয়ে কোনো শিল্পপতি আইনজীবীর পরামর্শ ছাড়া এমন নথি তৈরি করবেন—এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।’
তিনি আরও জানান, সঞ্জয় কাপুর মার্চের মাঝামাঝিতে তাঁর ছেলে কিয়ানের সঙ্গে ছুটিতে ছিলেন। সেই সময়ই উইলটি সংশোধিত হয়। কিন্তু সেটা কে করল?’
জেঠমালানির দাবি, ওই ফাইল অন্যের ডিভাইসে তৈরি হয়েছিল এবং যিনি সেটা করেছিলেন পরে তাঁকে কোম্পানির পরিচালক করা হয়। তাঁর মতে, যারা উইল জাল করেছে, তারাই পুরস্কৃত হয়েছে।
প্রিয়া সচদেব কাপুরের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী নিতিন শর্মাকে এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন আবেদনকারীরা। তাঁরা জানান, প্রিয়া সচদেব তাঁর সহযোগী দীনেশ আগারওয়াল ও নিতিন শর্মার সঙ্গে যোগসাজশ করে উইলটি কয়েক সপ্তাহ গোপন রাখেন এবং পরে পারিবারিক বৈঠকে প্রকাশ করেন।
এই মামলায় কারিশমা কাপুরের সন্তানেরা তাঁদের বাবার ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে সমান এক-পঞ্চমাংশ করে অধিকার দাবি করেছেন।
অন্যদিকে প্রিয়া সচদেব পক্ষের আইনজীবী রাজিব নায়ার আদালতে দাবি করেছেন, সামাইরা ও কিয়ান ইতিমধ্যে পরিবারের ট্রাস্ট থেকে ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা পেয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন—‘তাহলে তারা আর কী চান?’
তবে এর জবাবে বলেছেন, ‘তাঁদের কিছুই দেওয়া হয়নি। আর তাঁদের বঞ্চিত করার কোনো কারণও বলা হয়নি। এমনকি প্রয়াত সঞ্জয় কাপুরের মা রানি কাপুরও কিছু পাননি।’
প্রয়াত সঞ্জয়ের মা রানি কাপুর নিজেও অভিযোগ করেছেন, তাঁর ছেলের ব্যক্তিগত সম্পদ তাঁর পুত্রবধূ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ছেলের উইল সম্পর্কে জানতে প্রিয়াকে ১৫ টিরও বেশি ইমেইল পাঠিয়েছেন, কিন্তু কোনো উত্তর পাননি।
দিল্লি হাই কোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৩ অক্টোবর।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৮ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৯ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে