আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্বাচনী দামামা বাজিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ শনিবার মালদহের জনসভা থেকে তৃণমূল সরকারকে ‘জনগণের শত্রু’ বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, দরিদ্র মানুষের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো টাকা লুট করছেন তৃণমূল নেতারা। প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেন, ‘এখন সময় এসেছে এই নিষ্ঠুর সরকারকে বিদায় জানানোর এবং বাংলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার।’
এদিন সভার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত জনতার সঙ্গে সুর মেলান। সভা চাঙা করতে জনতার সঙ্গে স্লোগান দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
তিনি বলেন, ‘আমি বলব “পাল্টানো দরকার”, আর আপনারা বলবেন “চাই বিজেপি সরকার”। উপস্থিত জনতা চিৎকার করে বলে তাঁর কথায় সায় দেয়।
মোদি দাবি করেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্য, তার জন্য বাংলায় সুশাসন অত্যন্ত জরুরি। তিনি বিহার, ওডিশা ও ত্রিপুরার উদাহরণ টেনে বলেন, এবার বাংলার মানুষ বিজেপিকে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেবে।
মহারাষ্ট্রের পুরসভা নির্বাচনের (বিএমসি) ফলাফলকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে মোদি বলেন, ‘মুম্বাইয়ের মানুষ বিজেপির ওপর আস্থা রেখেছেন। কেরালাতেও আমরা তিরুবনন্তপুরমের প্রথম মেয়র পেয়েছি। এটি প্রমাণ করে যে জেন-জি বা তরুণ প্রজন্ম বিজেপির উন্নয়ন মডেলে বিশ্বাসী।’ তিনি এই সাফল্যের ধারা বাংলায় বজায় রাখার আহ্বান জানান।
মালদহ ও মুর্শিদাবাদের মতো সীমান্ত জেলাগুলোতে অনুপ্রবেশকে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ‘সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’ বলে বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশের কারণে বাংলার অনেক এলাকায় জনবিন্যাস বা ডেমোগ্রাফি বদলে যাচ্ছে। এমনকি মানুষের ভাষার পরিবর্তন ঘটছে বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশকারীদের মদতেই মালদহ ও মুর্শিদাবাদে দাঙ্গার সূত্রপাত হচ্ছে।
মোদি বলেন, তৃণমূল সরকার ‘অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার বানানোর’ রাজনীতি করছে। বিজেপি সরকার গঠন করলে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী মালদহের স্থানীয় সমস্যার কথা তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, বাংলাই একমাত্র রাজ্য যেখানে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করতে দেওয়া হচ্ছে না।
গঙ্গা ও ফুলহার নদীর ভাঙন রোধে তৃণমূল কোনো কাজ করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া মালদহের আম চাষিদের উন্নতির জন্য তিনি আরও কোল্ড স্টোরেজ তৈরির প্রতিশ্রুতি দেন। সরকারি অর্থ ও ব্যয়ের নিরীক্ষা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন বা সিএজি রিপোর্টের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, বন্য ত্রাণ ও রেশনের টাকা তৃণমূলের নেতাদের পকেটে যাচ্ছে। বিজেপি সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গেই এসব বন্ধ হবে এবং বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।

পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্বাচনী দামামা বাজিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ শনিবার মালদহের জনসভা থেকে তৃণমূল সরকারকে ‘জনগণের শত্রু’ বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, দরিদ্র মানুষের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো টাকা লুট করছেন তৃণমূল নেতারা। প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেন, ‘এখন সময় এসেছে এই নিষ্ঠুর সরকারকে বিদায় জানানোর এবং বাংলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার।’
এদিন সভার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত জনতার সঙ্গে সুর মেলান। সভা চাঙা করতে জনতার সঙ্গে স্লোগান দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
তিনি বলেন, ‘আমি বলব “পাল্টানো দরকার”, আর আপনারা বলবেন “চাই বিজেপি সরকার”। উপস্থিত জনতা চিৎকার করে বলে তাঁর কথায় সায় দেয়।
মোদি দাবি করেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্য, তার জন্য বাংলায় সুশাসন অত্যন্ত জরুরি। তিনি বিহার, ওডিশা ও ত্রিপুরার উদাহরণ টেনে বলেন, এবার বাংলার মানুষ বিজেপিকে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেবে।
মহারাষ্ট্রের পুরসভা নির্বাচনের (বিএমসি) ফলাফলকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে মোদি বলেন, ‘মুম্বাইয়ের মানুষ বিজেপির ওপর আস্থা রেখেছেন। কেরালাতেও আমরা তিরুবনন্তপুরমের প্রথম মেয়র পেয়েছি। এটি প্রমাণ করে যে জেন-জি বা তরুণ প্রজন্ম বিজেপির উন্নয়ন মডেলে বিশ্বাসী।’ তিনি এই সাফল্যের ধারা বাংলায় বজায় রাখার আহ্বান জানান।
মালদহ ও মুর্শিদাবাদের মতো সীমান্ত জেলাগুলোতে অনুপ্রবেশকে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ‘সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’ বলে বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশের কারণে বাংলার অনেক এলাকায় জনবিন্যাস বা ডেমোগ্রাফি বদলে যাচ্ছে। এমনকি মানুষের ভাষার পরিবর্তন ঘটছে বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশকারীদের মদতেই মালদহ ও মুর্শিদাবাদে দাঙ্গার সূত্রপাত হচ্ছে।
মোদি বলেন, তৃণমূল সরকার ‘অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার বানানোর’ রাজনীতি করছে। বিজেপি সরকার গঠন করলে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী মালদহের স্থানীয় সমস্যার কথা তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, বাংলাই একমাত্র রাজ্য যেখানে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করতে দেওয়া হচ্ছে না।
গঙ্গা ও ফুলহার নদীর ভাঙন রোধে তৃণমূল কোনো কাজ করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া মালদহের আম চাষিদের উন্নতির জন্য তিনি আরও কোল্ড স্টোরেজ তৈরির প্রতিশ্রুতি দেন। সরকারি অর্থ ও ব্যয়ের নিরীক্ষা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন বা সিএজি রিপোর্টের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, বন্য ত্রাণ ও রেশনের টাকা তৃণমূলের নেতাদের পকেটে যাচ্ছে। বিজেপি সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গেই এসব বন্ধ হবে এবং বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে