
শিক্ষার্থীদের হাতে গরম তেল ঢেলে দেওয়ায় ভারতে প্রধান শিক্ষিকাসহ এক স্কুলের তিন শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। স্কুলের টয়লেট ব্যবহার না করে উন্মুক্ত স্থানে মলমূত্র ত্যাগ করায় অন্তত ২৫ জনকে এ শাস্তি দেওয়া হয়। গত শুক্রবার ছত্তিশগড়ের কোন্দাগাঁও জেলার কেরওয়াহি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের নজরদারির মধ্যেই এ ঘটনা ঘটায় অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়। শিক্ষা বিভাগ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেয় এবং তিনজনকে বরখাস্ত করে।
অভিভাবকেরা বলছেন, স্কুলের রান্নাঘর থেকে তেল আনা হয়েছিল। শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের একে অপরের হাতে গরম তেল ঢালতে বাধ্য করেন।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। ব্লকের রিসোর্স অফিসার তাহির খান বলেন, ঘটনা তদন্তে জেলা শিক্ষা অধিদপ্তর কমিটি গঠন করেছে।
এদিকে কোন্দাগাঁও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মধুলিকা তিওয়ারি বলেন, পাঁচ শিক্ষার্থীর হাতে ফোসকা দেখা দিয়েছে। তাঁর দাবি স্কুল মনিটররা এ কাজ করেছে। তবে তেল অতটা গরম ছিল না বলে দাবি করেন মধুলিকা। এতে ২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার দাবিও অস্বীকার করেন তিনি।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘যেহেতু স্কুল কর্মঘণ্টার সময় এ ঘটনা ঘটেছে, তাই শিক্ষকেরা এ ঘটনার জন্য দায়ী। আমরা তিন শিক্ষককে বরখাস্ত করেছি এবং আরও তদন্ত চলছে। প্রধান শিক্ষিকা জোহরি মারকাম, শিক্ষক মিতালি বর্মা ও পুনম ঠাকুরকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’
ওই স্কুলে প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে এবং পাঁচজন শিক্ষক স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
তিন শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মধুলিকা সাংবাদিকদের বলেন, স্কুলে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীদের হাতে গরম তেল ঢেলে দেওয়ায় ভারতে প্রধান শিক্ষিকাসহ এক স্কুলের তিন শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। স্কুলের টয়লেট ব্যবহার না করে উন্মুক্ত স্থানে মলমূত্র ত্যাগ করায় অন্তত ২৫ জনকে এ শাস্তি দেওয়া হয়। গত শুক্রবার ছত্তিশগড়ের কোন্দাগাঁও জেলার কেরওয়াহি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের নজরদারির মধ্যেই এ ঘটনা ঘটায় অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়। শিক্ষা বিভাগ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেয় এবং তিনজনকে বরখাস্ত করে।
অভিভাবকেরা বলছেন, স্কুলের রান্নাঘর থেকে তেল আনা হয়েছিল। শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের একে অপরের হাতে গরম তেল ঢালতে বাধ্য করেন।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। ব্লকের রিসোর্স অফিসার তাহির খান বলেন, ঘটনা তদন্তে জেলা শিক্ষা অধিদপ্তর কমিটি গঠন করেছে।
এদিকে কোন্দাগাঁও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মধুলিকা তিওয়ারি বলেন, পাঁচ শিক্ষার্থীর হাতে ফোসকা দেখা দিয়েছে। তাঁর দাবি স্কুল মনিটররা এ কাজ করেছে। তবে তেল অতটা গরম ছিল না বলে দাবি করেন মধুলিকা। এতে ২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার দাবিও অস্বীকার করেন তিনি।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘যেহেতু স্কুল কর্মঘণ্টার সময় এ ঘটনা ঘটেছে, তাই শিক্ষকেরা এ ঘটনার জন্য দায়ী। আমরা তিন শিক্ষককে বরখাস্ত করেছি এবং আরও তদন্ত চলছে। প্রধান শিক্ষিকা জোহরি মারকাম, শিক্ষক মিতালি বর্মা ও পুনম ঠাকুরকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’
ওই স্কুলে প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে এবং পাঁচজন শিক্ষক স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
তিন শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মধুলিকা সাংবাদিকদের বলেন, স্কুলে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৪ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে