আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নমনীয়তা মানেই আদর্শের সঙ্গে আপস নয় বলে মন্তব্য করেছেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠাকরে। তিনি আরও বলেন, মহারাষ্ট্রকে শক্তিশালী রাখার স্বার্থে প্রয়োজন হলে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও সমর্থন করতে প্রস্তুত।
গতকাল শনিবার ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমএনএস নেতা রাজ ঠাকরে এসব কথা বলেন। রাজ ঠাকরে জানান, তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মারাঠি জনগণের কল্যাণ, মারাঠি ভাষার সংরক্ষণ ও প্রসার এবং একটি শক্তিশালী মহারাষ্ট্র।
সম্প্রতি তিনি বৃহন্মুম্বাই পুরসভা (বিএমসি) নির্বাচনের জন্য তাঁর ভাই (কাজিন) তথা শিবসেনা (ইউবিটি) প্রধান উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।
সাক্ষাৎকারে একটি উপমা টেনে রাজ ঠাকরে বলেন, ‘নির্দিষ্ট কোনো স্থানে যদি পানি পৌঁছানো প্রয়োজন হয়, লক্ষ্য যদি স্পষ্ট ও পবিত্র থাকে, সে ক্ষেত্রে যেকোনো পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।’
মারাঠি ভাষাকে ধ্রুপদি ভাষার মর্যাদা দেওয়ার পেছনে কেন্দ্রের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাজ ঠাকরে। তিনি বলেন, এই মর্যাদা দেওয়া হলেও ভাষাটির উন্নয়ন ও বিকাশের জন্য কোনো আর্থিক সহায়তা করা হচ্ছে না।
মর্যাদা দেওয়ার পরও মারাঠি ভাষার জন্য এক টাকাও বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। রাজ ঠাকরে জানান, সংস্কৃত ভাষার পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। তাঁর যুক্তি, পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা ছাড়া কোনো ভাষা টিকে থাকতে বা সমৃদ্ধ হতে পারে না।
মারাঠি ভাষার ইস্যুতে তাঁর এবং উদ্ধব ঠাকরের মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের একজোট হওয়া প্রসঙ্গে রাজ একটি স্পষ্ট সীমারেখা টেনে দিয়েছেন। এমএনএস প্রধান জানান, এই ঐক্য শুধুমাত্র মারাঠি ভাষার স্বার্থে এবং এর বাইরে কিছু নয়। এই ঐক্যবদ্ধ হওয়া মানেই যে রাজ্য বা কেন্দ্রীয় স্তরে নির্বাচনী জোট হবে, এমনটা ভাবা ভুল হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনী জোট সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়।
ঠাকরে আরও বলেন, মহারাষ্ট্রকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করলে তিনি ট্রাম্পকে সমর্থনেও দ্বিধা করবেন না। তাঁর মতে, রাজ্যের স্বার্থের কাছে রাজনৈতিক তকমা গৌণ।
এমএনএস প্রধান আরও বলেন, নির্বাচনে হারার ঝুঁকি থাকলেও তিনি মারাঠি পরিচয়ের প্রশ্নে কঠোর অবস্থান বজায় রাখবেন। এটি কোনো রাজনৈতিক অবস্থান নয়, বরং তাঁর গভীর বিশ্বাস, যা তাঁর কাকা ও শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরে, তাঁর বাবা এবং ঠাকুরদার কাছ থেকে পাওয়া আদর্শের ফসল।
নিজেকে ‘মনেপ্রাণে মারাঠি’ বলে উল্লেখ করে রাজ ঠাকরে স্পষ্ট করে দেন, এই প্রশ্নে কোনো ধরনের পিছু হটা হবে না।

রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নমনীয়তা মানেই আদর্শের সঙ্গে আপস নয় বলে মন্তব্য করেছেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠাকরে। তিনি আরও বলেন, মহারাষ্ট্রকে শক্তিশালী রাখার স্বার্থে প্রয়োজন হলে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও সমর্থন করতে প্রস্তুত।
গতকাল শনিবার ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমএনএস নেতা রাজ ঠাকরে এসব কথা বলেন। রাজ ঠাকরে জানান, তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মারাঠি জনগণের কল্যাণ, মারাঠি ভাষার সংরক্ষণ ও প্রসার এবং একটি শক্তিশালী মহারাষ্ট্র।
সম্প্রতি তিনি বৃহন্মুম্বাই পুরসভা (বিএমসি) নির্বাচনের জন্য তাঁর ভাই (কাজিন) তথা শিবসেনা (ইউবিটি) প্রধান উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।
সাক্ষাৎকারে একটি উপমা টেনে রাজ ঠাকরে বলেন, ‘নির্দিষ্ট কোনো স্থানে যদি পানি পৌঁছানো প্রয়োজন হয়, লক্ষ্য যদি স্পষ্ট ও পবিত্র থাকে, সে ক্ষেত্রে যেকোনো পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।’
মারাঠি ভাষাকে ধ্রুপদি ভাষার মর্যাদা দেওয়ার পেছনে কেন্দ্রের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাজ ঠাকরে। তিনি বলেন, এই মর্যাদা দেওয়া হলেও ভাষাটির উন্নয়ন ও বিকাশের জন্য কোনো আর্থিক সহায়তা করা হচ্ছে না।
মর্যাদা দেওয়ার পরও মারাঠি ভাষার জন্য এক টাকাও বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। রাজ ঠাকরে জানান, সংস্কৃত ভাষার পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। তাঁর যুক্তি, পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা ছাড়া কোনো ভাষা টিকে থাকতে বা সমৃদ্ধ হতে পারে না।
মারাঠি ভাষার ইস্যুতে তাঁর এবং উদ্ধব ঠাকরের মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের একজোট হওয়া প্রসঙ্গে রাজ একটি স্পষ্ট সীমারেখা টেনে দিয়েছেন। এমএনএস প্রধান জানান, এই ঐক্য শুধুমাত্র মারাঠি ভাষার স্বার্থে এবং এর বাইরে কিছু নয়। এই ঐক্যবদ্ধ হওয়া মানেই যে রাজ্য বা কেন্দ্রীয় স্তরে নির্বাচনী জোট হবে, এমনটা ভাবা ভুল হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনী জোট সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়।
ঠাকরে আরও বলেন, মহারাষ্ট্রকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করলে তিনি ট্রাম্পকে সমর্থনেও দ্বিধা করবেন না। তাঁর মতে, রাজ্যের স্বার্থের কাছে রাজনৈতিক তকমা গৌণ।
এমএনএস প্রধান আরও বলেন, নির্বাচনে হারার ঝুঁকি থাকলেও তিনি মারাঠি পরিচয়ের প্রশ্নে কঠোর অবস্থান বজায় রাখবেন। এটি কোনো রাজনৈতিক অবস্থান নয়, বরং তাঁর গভীর বিশ্বাস, যা তাঁর কাকা ও শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল ঠাকরে, তাঁর বাবা এবং ঠাকুরদার কাছ থেকে পাওয়া আদর্শের ফসল।
নিজেকে ‘মনেপ্রাণে মারাঠি’ বলে উল্লেখ করে রাজ ঠাকরে স্পষ্ট করে দেন, এই প্রশ্নে কোনো ধরনের পিছু হটা হবে না।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে