
জিকো ব্রাজিলের একজন কিংবদন্তি ফুটবলার। তবে শুধু নিজের দেশেই নয়, জাপানের ফুটবলেও তাঁর অবদান এতটাই বেশি যে, দেশটির ফুটবল ইতিহাসেও তিনি এক বিশেষ অধ্যায়ের নাম। তাই বিশ্বকাপে ব্রাজিল ও জাপানের মুখোমুখি লড়াইয়ের আগে নিজের অবস্থান নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন সাবেক এই তারকা।
হিউস্টনে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় নকআউটে জাপানের বিপক্ষে খেলতে নামবে ব্রাজিল। সে ম্যাচে ব্রাজিলের পক্ষেই সমর্থন থাকবে জিকো। তবে একই সঙ্গে সাদা পেলে হিসেবে পরিচিত সাবেক এই ফুটবলার জানালেন, জাপান যদি ব্রাজিলকে হারিয়ে দেয়, তাতেও তাঁর দুঃখ থাকবে না।
কলুনা দো ফ্লাকে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে জিকো বলেন, ‘ব্রাজিল জিতলে দারুণ হবে, কারণ আমি ব্রাজিলিয়ান। কিন্তু যদি হেরে যায়, তাতেও আমি দুঃখ পাব না। কারণ জাপানের ফুটবলে কোইমব্রা পরিবারেরও একটু ছোঁয়া রয়েছে।’
নব্বইয়ের দশকের শুরুতে সুমিতোমো মেটালসের (বর্তমান কাশিমা অ্যান্টলার্স) হয়ে খেলেছিলেন জিকো। সে সময় জাপানে পেশাদার ফুটবলের বিকাশে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। পরে ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
জাপানের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দুবার ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে হয়েছিল জিকোকে। এর মধ্যে ২০০৬ বিশ্বকাপের ম্যাচে ব্রাজিলের কাছে ৪-১ গোলের ব্যবধানে হেরে যায় এশিয়ার দলটি। সেই অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে জিকো বলেন, ‘জাপানের কোচ হয়ে ব্রাজিলের বিপক্ষে দাঁড়ানোর চেয়ে কঠিন আর কী হতে পারে? আমি সেই পরিস্থিতিতে দুবার পড়েছি।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ফের ব্যর্থতার চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাইয়ের পর এবার জিম্বাবুয়ে সফরেও দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা। হারারেতে গতকাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুরু হওয়া একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনেই বেকায়দায় পড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদে
৮ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের হিসাব-নিকাশ চুকে গেছে। এখন আর ভুল শুধরে নেওয়ার কোনো অবকাশ নেই; স্রেফ একটি হার মানেই টুর্নামেন্ট থেকে চিরতরে বিদায়। এমন এক অগ্নিপরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে আজ রাত ১১টায় হিউস্টনে মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও জাপান। শক্তির বিচারে কার্লো আনচে
৩৯ মিনিট আগে
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে যোগ করা হলো আরও ৫ মিনিট।দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস তখন হয়তো মনে মনে অতিরিক্ত সময়ের কৌশল সাজাচ্ছিলেন। গ্যালারিতে থাকা হাজারো দর্শকও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন আরও ৩০ মিনিটের স্নায়ুচাপের জন্য। কিন্তু ফুটবল বিধাতার মনে তখন অন্য এক নাটকীয় চিত্রনাট্য লেখা।
৫ ঘণ্টা আগে
মুহূর্তটা কিছুতেই ভোলার নয়। ভোলা যাবে না। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডালাস মিক্সড জোন পেরিয়ে চলেই যাচ্ছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ‘দিবু (মার্তিনেসের ডাকনাম), বাংলাদেশ থেকে এসেছি’—পেছন থেকে ডাক দিতেই থামলেন। ‘ওহ্, বাংলাদেশ, আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি’, বলতে বলতে ফিরে এলেন প্রতিবেদকের কাছে।
৬ ঘণ্টা আগে