
বিশ্বকাপ মানেই যেন ইউরোপ আর লাতিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চ, যেখানে এশিয়া আর আফ্রিকার দেশগুলো যেত শুধুই দু-একটা ‘অঘটন’ ঘটানোর স্বপ্ন নিয়ে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ যেন পুরোনো সব চেনা হিসাব-নিকাশ ওলটপালট করে দিচ্ছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের হাওয়া দুই মহাদেশে লেগেছে ভিন্ন সমান্তরালে। একদিকে আফ্রিকার ফুটবলে লেগেছে রূপকথার ছোঁয়া, অন্যদিকে এশিয়ার জন্য এই টুর্নামেন্ট রূপ নিয়েছে এক চরম হতাশার উপাখ্যানে। নকআউট পর্বে আফ্রিকার ১০টি দেশের মধ্যে রেকর্ড ৯টি দেশই যখন শেষ বত্রিশের টিকিট কেটেছে, তখন এশিয়ার ভাগ্যাকাশে কেবলই মেঘ; টিকে আছে মাত্র দুটি দেশ।
এর আগে ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দুটি আফ্রিকান দল নকআউটে উঠেছিল, এবার সেই রেকর্ডকে স্রেফ উড়িয়ে মরক্কো, সেনেগাল, মিসর, ঘানা, আলজেরিয়া, আইভরি কোস্টের মতো পরাশক্তিদের সঙ্গে শেষ বত্রিশে জায়গা করে নিয়েছে কেপ ভার্দে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ডিআর কঙ্গোর মতো চমক জাগানো দলগুলো। পারেনি শুধু তিউনিসিয়া। বিশেষ করে আটলান্টিকের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে যেভাবে স্পেন ও উরুগুয়েকে রুখে দিয়ে অপরাজিত থেকে নকআউটে উঠেছে, তা ফুটবল রূপকথার চেয়ে কম কিছু নয়।
শেষ বত্রিশের মঞ্চে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে কেপ ভার্দের কোচ পেদ্রো লেইতাও ব্রিতো বুবিস্তা বেশ গর্ব নিয়েই বললেন, ‘আমরা প্রমাণ করেছি, যে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি, তবে একই সঙ্গে পুরো আফ্রিকা বিশ্বের সব ছোট ছোট দেশেরও প্রতিনিধি। মেসি ও আর্জেন্টিনার মতো বিশ্বসেরাদের বিপক্ষে আমরা আমাদের নিজস্ব পরিচিতি আর আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামব।’
দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসেই উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে কঙ্গো। পেনাল্টি ও ইনজুরি টাইমে জোড়া গোল করে এই রূপকথার নায়ক কঙ্গোর ফরোয়ার্ড ইউয়ান উইসা। ম্যাচ শেষে দারুণ আশাবাদী উইসা বলেন, ‘এখন প্রতিটি আফ্রিকান দলই বড় স্বপ্ন দেখতে পারে। আফ্রিকার ফুটবলের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল।’
আফ্রিকানদের এই উৎসবের উল্টো পিঠেই রয়েছে এশিয়ার স্তব্ধতা। ৯ দলের মধ্যে ৭টিই দেখেছে বিদায়ের পথ। একমাত্র আশার আলো হয়ে জ্বলছে জাপান ও অস্ট্রেলিয়া। শেষ বত্রিশে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে যাওয়া ব্লু সামুরাইরা এখন পুরো মহাদেশের আবেগের কেন্দ্রবিন্দু। রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে খোদ চীনের ফুটবলভক্তদেরও জাপানের জয় উদ্যাপন করতে দেখা গেছে। মহাদেশের গুরুভার কাঁধে নিয়ে জাপানি কোচ হাজিমে মোরিয়াসু বলেন, ‘আমরা এখন পুরো এশিয়ার প্রতিনিধি। আমরা বাকি দলগুলোর জন্য আশার প্রতীক হতে চাই।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ফের ব্যর্থতার চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাইয়ের পর এবার জিম্বাবুয়ে সফরেও দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা। হারারেতে গতকাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুরু হওয়া একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনেই বেকায়দায় পড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদে
৮ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের হিসাব-নিকাশ চুকে গেছে। এখন আর ভুল শুধরে নেওয়ার কোনো অবকাশ নেই; স্রেফ একটি হার মানেই টুর্নামেন্ট থেকে চিরতরে বিদায়। এমন এক অগ্নিপরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে আজ রাত ১১টায় হিউস্টনে মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও জাপান। শক্তির বিচারে কার্লো আনচে
৩৯ মিনিট আগে
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে যোগ করা হলো আরও ৫ মিনিট।দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস তখন হয়তো মনে মনে অতিরিক্ত সময়ের কৌশল সাজাচ্ছিলেন। গ্যালারিতে থাকা হাজারো দর্শকও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন আরও ৩০ মিনিটের স্নায়ুচাপের জন্য। কিন্তু ফুটবল বিধাতার মনে তখন অন্য এক নাটকীয় চিত্রনাট্য লেখা।
৫ ঘণ্টা আগে
মুহূর্তটা কিছুতেই ভোলার নয়। ভোলা যাবে না। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডালাস মিক্সড জোন পেরিয়ে চলেই যাচ্ছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ‘দিবু (মার্তিনেসের ডাকনাম), বাংলাদেশ থেকে এসেছি’—পেছন থেকে ডাক দিতেই থামলেন। ‘ওহ্, বাংলাদেশ, আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি’, বলতে বলতে ফিরে এলেন প্রতিবেদকের কাছে।
৬ ঘণ্টা আগে