সম্পাদকীয়

রাজশাহীর নওহাটা কলেজ মোড়ের একটি রাস্তার কাজে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মার খেয়েছেন একজন বিএনপি নেতা। তিনি কার কাছে চাঁদা চাইতে গিয়েছিলেন? স্থানীয় যুবদল কর্মীর কাছে। যুবদল কর্মী কি নিজেই ঠিকাদারির কাজটা পেয়েছিলেন? না। তিনি পাননি। মূল ঠিকাদার রাস্তার কাজের অংশ মাটি কাটার কাজটি দিয়েছিলেন এই যুবদল কর্মীকে। যুবদল কর্মীর লোকজন বিএনপি নেতাকে মারলেন কেন? কারণ, সহজ কথায় চিড়ে ভেজেনি। বিএনপি নেতা বলছিলেন, এখানে কাজ করতে হলে তাঁকে চাঁদা দিতে হবে। কেন চাঁদা দিতে হবে? এর কারণ জানতে হলে প্রচলিত রাজনীতির কাছে যেতে হবে। তবে প্রাথমিক ধারণার সঙ্গে ঘটনাটি মিলবে না। কেন মিলবে না? সে কথাই বলছি।
মূলত আমাদের দেশে রাজনৈতিক ‘খাইদাই’য়ের জন্য ক্ষমতাসীন দলের অংশীদার হতে হয়। সরকারি কাজগুলো দলের লোকজনই পেয়ে থাকেন। তিনি যদি দয়া করেন, তাহলে অন্যকেও সে কাজ দেওয়া যেতে পারে। এতে সততার সঙ্গে দরপত্র বাছাই, নিম্নদর যিনি দিয়েছেন, তিনিই কাজটা পাবেন—এমন কোনো কথা নেই। নানাভাবেই কাজ পাওয়ার ব্যাপারটা পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ আছে। প্রশ্ন হলো, এখন তো নির্বাচিত সরকার নেই। তাহলে কে কাকে কাজ দেবে? এখন কি কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এসেছে? নওহাটা কলেজের সামনের রাস্তার কাজটির মাটি কাটা অংশটুকু কেন ঠিকাদার যুবদলের এই কর্মীকেই দিলেন? বিএনপি ক্ষমতায় নেই, তারপরও এটা কি আগাম নিজের অবস্থান ঠিক রাখার চেষ্টা? প্রশ্নটি থাকল।
এবার আসি সবচেয়ে বড় ব্যাপারটিতে। ক্লাইমেক্সও বলা যায়। ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজ পেয়ে যুবদলের কর্মী তো কাজ শুরু করলেন। কিন্তু সে কাজ সহজে করতে পারবেন কেন তিনি? এলাকায় যাঁর প্রভাব আছে, তিনি কি সে প্রভাব খাটাবেন না? সেটাই তো চলে আসছে দিনের পর দিন। চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মার খাওয়া বিএনপি নেতা হয়তো ভেবেছিলেন, তাঁদের দল ক্ষমতায় এলে তাঁকেই তো চাঁদা দিতে হবে। তাই আগে থেকেই হাত মকশো করে নিলে ক্ষতি কী? কিন্তু যুবদল নেতা বুঝতে পারছিলেন না, কেন চাঁদা দিতে হবে। তিনি বলে বসেছেন, ‘আমিও বিএনপি, আপনিও বিএনপি, কিসের টাকা?’ কথাটা খেয়াল করুন, দুজনেই বিএনপির রাজনীতি করেন বলেই কথাটা উঠেছে। যদি অন্য দলের বা অন্য মতের কেউ কাজটা পেত, তাহলে কি বিএনপির এই নেতার চাঁদাবাজি জায়েজ হয়ে যেত?
পুলিশও সেই কথাগুলোই বলছে, যেগুলো বললে তাদের গা বাঁচে। পবা থানার ওসি বলেছেন, ‘মারামারির ঘটনা ঘটেছে। কী নিয়ে ঘটনা, তা অভিযোগ না পাওয়া পর্যন্ত বলতে পারছি না। অভিযোগ করা হলে তদন্ত করে দেখা হবে।’ পুলিশের যোগ্য কথা! ব্যাপারটা এমন যেন, ‘ভাই, নিজেরা মারপিট করেছেন, নিজেরাই মিটমাট করে নিন, এমনিতেই বিপদে আছি’ গোছের। নওহাটা পৌর বিএনপির নেতা এই চাঁদাবাজ নেতার করা অত্যাচার সম্পর্কে কথা বলেছেন। কিন্তু এই ধরনের নেতাদের বিচার করবে কে? নাকি চাঁদাবাজির ট্র্যাডিশন চলতেই থাকবে।

রাজশাহীর নওহাটা কলেজ মোড়ের একটি রাস্তার কাজে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মার খেয়েছেন একজন বিএনপি নেতা। তিনি কার কাছে চাঁদা চাইতে গিয়েছিলেন? স্থানীয় যুবদল কর্মীর কাছে। যুবদল কর্মী কি নিজেই ঠিকাদারির কাজটা পেয়েছিলেন? না। তিনি পাননি। মূল ঠিকাদার রাস্তার কাজের অংশ মাটি কাটার কাজটি দিয়েছিলেন এই যুবদল কর্মীকে। যুবদল কর্মীর লোকজন বিএনপি নেতাকে মারলেন কেন? কারণ, সহজ কথায় চিড়ে ভেজেনি। বিএনপি নেতা বলছিলেন, এখানে কাজ করতে হলে তাঁকে চাঁদা দিতে হবে। কেন চাঁদা দিতে হবে? এর কারণ জানতে হলে প্রচলিত রাজনীতির কাছে যেতে হবে। তবে প্রাথমিক ধারণার সঙ্গে ঘটনাটি মিলবে না। কেন মিলবে না? সে কথাই বলছি।
মূলত আমাদের দেশে রাজনৈতিক ‘খাইদাই’য়ের জন্য ক্ষমতাসীন দলের অংশীদার হতে হয়। সরকারি কাজগুলো দলের লোকজনই পেয়ে থাকেন। তিনি যদি দয়া করেন, তাহলে অন্যকেও সে কাজ দেওয়া যেতে পারে। এতে সততার সঙ্গে দরপত্র বাছাই, নিম্নদর যিনি দিয়েছেন, তিনিই কাজটা পাবেন—এমন কোনো কথা নেই। নানাভাবেই কাজ পাওয়ার ব্যাপারটা পরিচালিত হয় বলে অভিযোগ আছে। প্রশ্ন হলো, এখন তো নির্বাচিত সরকার নেই। তাহলে কে কাকে কাজ দেবে? এখন কি কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এসেছে? নওহাটা কলেজের সামনের রাস্তার কাজটির মাটি কাটা অংশটুকু কেন ঠিকাদার যুবদলের এই কর্মীকেই দিলেন? বিএনপি ক্ষমতায় নেই, তারপরও এটা কি আগাম নিজের অবস্থান ঠিক রাখার চেষ্টা? প্রশ্নটি থাকল।
এবার আসি সবচেয়ে বড় ব্যাপারটিতে। ক্লাইমেক্সও বলা যায়। ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজ পেয়ে যুবদলের কর্মী তো কাজ শুরু করলেন। কিন্তু সে কাজ সহজে করতে পারবেন কেন তিনি? এলাকায় যাঁর প্রভাব আছে, তিনি কি সে প্রভাব খাটাবেন না? সেটাই তো চলে আসছে দিনের পর দিন। চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মার খাওয়া বিএনপি নেতা হয়তো ভেবেছিলেন, তাঁদের দল ক্ষমতায় এলে তাঁকেই তো চাঁদা দিতে হবে। তাই আগে থেকেই হাত মকশো করে নিলে ক্ষতি কী? কিন্তু যুবদল নেতা বুঝতে পারছিলেন না, কেন চাঁদা দিতে হবে। তিনি বলে বসেছেন, ‘আমিও বিএনপি, আপনিও বিএনপি, কিসের টাকা?’ কথাটা খেয়াল করুন, দুজনেই বিএনপির রাজনীতি করেন বলেই কথাটা উঠেছে। যদি অন্য দলের বা অন্য মতের কেউ কাজটা পেত, তাহলে কি বিএনপির এই নেতার চাঁদাবাজি জায়েজ হয়ে যেত?
পুলিশও সেই কথাগুলোই বলছে, যেগুলো বললে তাদের গা বাঁচে। পবা থানার ওসি বলেছেন, ‘মারামারির ঘটনা ঘটেছে। কী নিয়ে ঘটনা, তা অভিযোগ না পাওয়া পর্যন্ত বলতে পারছি না। অভিযোগ করা হলে তদন্ত করে দেখা হবে।’ পুলিশের যোগ্য কথা! ব্যাপারটা এমন যেন, ‘ভাই, নিজেরা মারপিট করেছেন, নিজেরাই মিটমাট করে নিন, এমনিতেই বিপদে আছি’ গোছের। নওহাটা পৌর বিএনপির নেতা এই চাঁদাবাজ নেতার করা অত্যাচার সম্পর্কে কথা বলেছেন। কিন্তু এই ধরনের নেতাদের বিচার করবে কে? নাকি চাঁদাবাজির ট্র্যাডিশন চলতেই থাকবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে